পঞ্চগড়ে নৌকাডুবিতে মৃত বেড়ে ৩২

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

পঞ্চগড়ে করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় আরও আট জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে নিখোঁজদের উদ্ধারে আবারও কাজ শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

রংপুর থেকে আসা ডুবুরি দলের প্রধান মিজানুর রহমান এসব তথ‌্য নিশ্চিত করে জানান, রোববার সর্বশেষ ২৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে রাত সাড়ে ১১টার দিকে প্রথম দিনের মতো উদ্ধারকাজ স্থগিত হয়। আবার সকাল থেকেই আমরা উদ্ধার কাজে নেমেছি। এখন পর্যন্ত আরও আট জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। এছাড়া, জরুরি তথ্য কেন্দ্রে নিখোঁজদের তালিকায় আরও ২৫ জনের নাম যুক্ত হয়েছে।

এদিকে, রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহত ২৪ জনের পরিচয় নিশ্চিতের তালিকা প্রকাশ করেছে জেলা প্রশাসনের জরুরি তথ্য কেন্দ্র।

তালিকা অনুযায়ী ২৪ জনের মধ্যে ২৩ জনই হিন্দু ধর্মাবলম্বী বলে নিশ্চিত করেন তথ্য কেন্দ্রের দায়িত্বরত কর্মকর্তা এসিল্যান্ড ইমরানুজ্জামান। নিহতদের মধ‌্যে একজন মুসলিম। তার নাম  হাশেস আলী (৭০)। তার বাবা মৃত আহম্মদ আলী। বাড়ি পঞ্চগড়ের বড়শশী বোদার কুমার পাড়ায়।

নিহতদের মধ‌্যে যাদের নাম পাওয়া গেছে তারা হলেন, শ্যামলী রানি (১৪), লক্ষী রানি (২৫), অমল চন্দ্র (৩৫) শোভা রানি (২৭), দিপঙ্কর (৩) পিয়ন্ত (২.৫)  রুপালি ওরোফে খুকি রানি (৩৫), প্রমিলা রানি (৫৫) ধনবালা (৬০) সুনিতা রানি (৬০), ফাল্গুনী (৪৫) প্রমিলা দেবী, জ্যোতিশ চন্দ্র (৫৫), তারা রানি (২৫),  সানেকা রানি (৬০), সফলতা রানি (৪০) বিলাশ চন্দ্র (৪৫), শ্যামলী রানি ওরফে শিমুলি (৩৫),  উশোশি (৮) তনুশ্রী (৫), শ্রেয়সী, প্রিয়ন্তী(৮)। তাদের সবার বাড়ি পঞ্চগড়ে।

বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোলেমান আলী বলেন, নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এছাড়া, আহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে ৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) শারদীয় দুর্গোৎসবের মহালয়া উপলক্ষে সন্ধ‌্যায় আউলিয়া ঘাট থেকে একটি শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকায় বড়শশী ইউনিয়নের বদেশ্বরী মন্দিরের দিকে যাচ্ছিলেন তারা। ঘাট থেকে নৌকাটি কিছু দূর যাওয়ার পরই ডুবে যায়।




দুর্গাপুরে সাবেক এমপি জালাল উদ্দিন তালুকদারের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

         নেত্রকোনার দুর্গাপুরে তিন বারের নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য, উপজেলা আওয়ামীলীগ‘র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম জালাল উদ্দিন তালুকদার এর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। রোববার দিনব্যপি শোক র‌্যালি, কবর জিয়ারত, দোয়া, মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা ও গরীবদের মাঝে খাদ্য বিতরণের মাধ্যমে এ মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়

         এ উপলক্ষে স্থানীয় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে সর্বস্তরের অংশগ্রহনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শেষে মরহুম জালাল উদ্দিন তালুকদারের সুযোগ্য কন্যা ও দুর্গাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান জান্নাতুল ফেরদৌস আরা ঝুমা তালুকদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় আ‘লীগ এর কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য রেমন্ড আরেং। বিশেষ অতিথি হিসেব বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগ এর জাতীয় পরিষদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট অসিত সরকার সজল, জেলা আ‘লীগের যুগ্ন সম্পাদক ও নেত্রকোনা পৌরসভা মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম খান, জেলা যুবলীগের আহবায়ক মাসুদ খান জনি, কলমাকান্দা উপজেলা আ‘লীগের সভাপতি চন্দন বিশ্বাস। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পৌর আ‘লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র মাওলানা আব্দুস সালাম, উপজেলা আ‘লীগের সহ:সভাপতি উসমান গণি তালুকদার, শ.ম জয়নাল আবেদীন, এডভোকেট মজিবুর রহমান, আলী আসগর, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, আ‘লীগ নেতা আব্দুল্লাহ হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন তালুকদার, ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাদেকুল ইসলাম সহ আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীগন।

           বক্তারা বলেন, উত্তর ময়মনসিংহের সিংহ পুরুষ, কিংবদন্তী আওয়ামীলীগ নেতা, তিন তিন বারের এমপি মো. জালাল উদ্দিন তালুকদারকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি আমাদের মাঝে না থাকায় আমরা এখন রাজনৈতিক ভাবে অবিভাবকহীন হয়ে পড়েছি। এই হত্যা মামলার সুষ্ঠ তদন্ত নিয়ে অনেক সময় নষ্ট হয়েছে। আপোষহীন এই নেতার প্রকৃত হত্যা রহস্যের জট খুলে, অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করে দ্রæত বিচারের আওতায় আনতে প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছি।

        উল্লেখ্য: ২০১২ সালের এই দিনে সাবেক এমপি জালাল উদ্দিন তালুকদার নিজ বাসভবনে গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হয়েছেন। এই হত্যা মামলার প্রকৃত রহস্য এখনো উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ প্রশাসন।




দুর্গাপুরে জেলা প্রশাসকের বিভিন্ন কার্যালয় পরিদর্শন

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে জেলা প্রশাাসক অঞ্জনা খান মজলিস সরকারি বে-সরকারি বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করেছেন। বৃহস্পতিবার বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, উপজেলা নির্বাহী অফিস, দুর্গাপুর পৌরসভা কার্যালয়, দুর্গাপুর থানা, চন্ডিগড় ভূমি অফিস এবং বীর নিবাস কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি‘র পরিচালক সুজন হাজং, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রাজীব-উল-আহসান, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম, ওসি শিবিরুল ইসলাম প্যানেল মেয়র মশিউজ্জামান বাদল, কাউন্সিলর নুরুল আকরাম খান, কামরুল হাসান জনি, বিউটি আক্তার, ইব্রাহীম খলিল টিপু, মানসুরা বেগম উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিস বলেন, জন্ম নিবন্ধন ও মৃত্যু সনদ প্রদানে কোন প্রকার গাফিলতি সহ্য করা হবে না। এটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশব্যপি এ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এছাড়া সাধারণ মানুষ, সরকারি কোন দপ্তরে গিয়ে যেন কোন প্রকার ভোগান্তিতে না পড়েন, সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে উপজেলার সরকারি বে-সরকারি সকল দপ্তর প্রধানদের নির্দেশ দেন।




দুর্গাপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু

আল নোমান শান্ত : স্টাফ নিপোর্টার

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে নাইম মিয়া নামে ১৯ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

(২০ সেপ্টেম্বর) মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের পাটলী গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। শিশু নাইম ওই গ্রামের আলমগীর মিয়ার ছেলে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়,পরিবারের লোকজন ঘরের কাজে ব্যস্থ এ-সময় শিশু নাইম বাড়ির উঠানে বল নিয়ে খেলা করছিল। কিছুক্ষণ পরে বাড়ির লোকজন শিশুটিকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। একপর্যায়ে বাড়ির পাশে পুকুরে খোঁজাখুঁজি করলে শিশুটির মৃতদেহ পাওয়া যায়। এলাকাবাসীর ধারনা খেলার সময় বল টি পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। তখন নাইম বলটি পানি থেকে আনতে যাওয়ায়,এক পর্যায়ে নাইম পুকুরের পানিতে ডুবে যায়।

ইউপি সদস্য ফজলু রহমান জানান, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। আমি শুনা মাত্রই নিহতের বাড়িতে যাওয়ার জন্য বের হয়েছি।

দুর্গাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সৌরভ সাহা বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।




দুর্গাপুরে ভেজা বালু পরিবহনের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা আদায়

আল নোমান শান্ত, স্টাফ রিপোর্টার
নেত্রকোণার দুর্গাপুরে সোমেশ্বরী নদী থেকে উত্তোলিত ভেজা বালু পরিবহনের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালিত হয়েছে। (১৭ সেপ্টেম্বর) শনিবার দুপুরে উপজেলার শিমুলতলী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার সাদিয়া ইসলাম সীমা। এ অভিযানে ৯ টি মামলায় ৯,০০০ টাকা জরিমানা করা হয় ও ভেজা বালু পরিবহনকারীদের সতর্ক করে দেয়া হয়। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। এ অভিযানে সহযোগিতায় ছিলেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।



সুনামগঞ্জের ছাতকে ব্রীজ একাডেমীর ছাত্র আকিবের উপর  হামলার ঘটনায় মানববন্ধন

জুনেদ আহমেদ,সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় ব্রীজ একাডেমীর ৯ম শ্রেনীর ছাত্র ইসফাক হোসেন আকিবসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপর হামলা ও গাড়ি ভাংচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার জাউয়া বাজার, চরমহল্লা, সিংচাপইড়, দক্ষিণ খুরমা ও ভাতগাঁও ইউনিয়নবাসীর উদ্যোগে জাউয়া বাজারে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন চলাকালে  আব্দুল মুকিত শহিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, জাউয়া ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মনিশংকর ভৌমিক, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা কদর মিয়া, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ তকুদ্দুছ আলী পীর, ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হক, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ রেজা মিয়া তালুকদার, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল খালিক, আখলুছ মিয়া, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাষ্টার জসিম উদ্দিন, জাউয়া বাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি আসাদুর রহমান আছাদ, সাধারন সম্পাদক নূর মিয়া, ব্যবসায়ী আসক উদ্দিন, লায়েক মিয়া তালুকদার, আলহাজ্ব উকিল আলী, আকবর আলী, প্রভাষক নাজমুল হোসেন, প্রভাষক গৌছুল হক নাঈম, হেলাল উদ্দিন, ইউপি সদস্য আমতর আলী, আলমগীর হোসেন, ব্যবসায়ী শাহীন মিয়া তালুকদার, আনোয়ার হোসেন আলী, লোকমান হোসেন, লিমন মিয়া, আজির উদ্দিন, আমজাদ হোসেন, আবুল মাল প্রমুখ।
মানববন্ধনে জাউয়া বাজার, চরমহল্লা, সিংচাপইড়, দক্ষিণ খুরমা ও ভাতগাঁও ইউনিয়নের সর্বস্থরের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীরা পরিকল্পিতভাবে ব্রীজ একাডেমীর ৯ম শ্রেনীর ছাত্র ইসফাক হোসেন আকিবকে বেধড়ক মারপিট করেছে। এ ঘটনার বিচার চাইতে গিয়ে আকিবের স্বজন ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। হামলাকারীরা তাদের গাড়তেও ভাংচুর করে।
আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে সৃষ্ট ঘটনার সুষ্টু বিচার করা না হলে রোববার বিকেল ৩টা থেকে ৪ টা পর্যন্ত একঘন্টা সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করার ঘোষনা দেন বক্তারা।
স্থানীয়রা জানান, ১১ সেপ্টেম্বর ব্রীজ একাডেমীতে জাউয়া বাজার ইউনিয়নের খিদ্রাকাপন গ্রামের আমজদ হোসেনর পুত্র, ব্রীজ একাডেমীর ৯ম শ্রেনীর ছাত্র ইসফাক হোসেন আকিবকে মারধোর করে একই একাডেমীর দশম শ্রেনীর ছাত্র হাসান, রাহাত, নিয়াজ, শুভ, আরিফ, হৃদয় সহ আরো কয়েকজন। এ ঘটনায় এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে আকিবের পরিবারের লোকজন বিচার চাইতে গেলে তারাও হামলার শিকার হন। এ সময় হামলাকারীরা তাদের ব্যবহৃত গাড়িটিও ভাংচুর করে।



বিনা পারিশ্রমিকে মসজিদ পরিষ্কার করেন চাঁপাচৌ ইসলামিক সাংস্কৃতিক পরিষদ স্বেচ্ছাসেবক গোষ্ঠী

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

শুক্রবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এলাকার আশপাশের বিভিন্ন মসজিদ ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করেন কুমিল্লার একদল শিক্ষার্থী। বিনা পারিশ্রমিকে এ পর্যন্ত ৩৪টি মসজিদ পরিষ্কার করেছেন তারা।

২০২১ সাল থেকে এ কাজ করছেন জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার গুণবতী ইউনিয়নের চাঁপাচৌ গ্রামের বিভিন্ন বয়সের এসব তরুণরা। সর্বশেষ শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চাঁপাচৌ পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ পরিষ্কার করেছেন তারা।

স্থানীয় চাঁপাচৌ গ্রামের বাসিন্দা জাহেদ ভূঁইয়া সুজন সর্বপ্রথম এ কাজের উদ্যোগ নেন। পরে একটি সংগঠন খোলা হয়। সংগঠনের ব্যানারে বর্তমানে এ কাজ করেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

জাহেদ ভূঁইয়া সুজন বলেন, আমরা সওয়াবের জন্যে এ কাজ করি। এজন্য কোনো পারিশ্রমিক নেই না। বরং নিজের পকেটের টাকা খরচ হয়। মসজিদ পরিষ্কার করার জন্যে আমাদের একটি সংগঠনও খোলা আছে। সংগঠনের নাম চাঁপাচৌ ইসলামিক সাংস্কৃতিক পরিষদ স্বেচ্ছাসেবক গোষ্ঠী।

হাফেজ মো. সাকিব হোসেন হৃদয় বলেন, শুক্রবার আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। এ দিনই আমরা কাজটি করি। এখন পর্যন্ত আমরা ৩৪টি মসজিদ পরিষ্কার করেছি।

তিনি বলেন, মসজিদ পরিষ্কার করা অনেক সওয়াবের কাজ। হাদিসে এসেছে, হজরত সাঈদ খুদরি (রা.) হতে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি মসজিদ থেকে ময়লা আবর্জনা কিংবা কষ্ট হয় এমন বস্তু দূর করবে তার জন্য আল্লাহ তায়ালা জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করে দেবেন।’

সাকিব বলেন, আমরা সেই উদ্দেশ্য নিয়েই কাজ করছি। দুনিয়াবি কোনো উদ্দেশ্য আমাদের নেই। এখানে সবাই স্বেচ্ছায় কাজ করে এবং আখেরাতের উদ্দেশ্যে কাজ করেন।

স্বেচ্ছাসেবক দলের অন্য সদস্যরা হলেন- রবিউল আউয়াল শুভ, আলাউদ্দিন, বাপ্পি, নাঈম, হৃদয়, শাওন, কাওসার ও পিয়াস।




সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে ছাতকে সদস্য প্রার্থী আব্দুস শহিদ মুহিত ও মোঃ সায়েদ মিয়া

জুনেদ আহমেদ, সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নির্বাচনে ছাতক উপজেলা থেকে এখন পর্যন্ত দুজন প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। আব্দুস শহিদ মুহিত ও মোঃ সায়েদ মিয়া এ ২জন প্রার্থী নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন পত্রও ক্রয় করেছেন বলে জানা গেছে। আব্দুস শহিদ মুহিত হচ্ছেন আওয়ামীলীগ নেতা ও ১২ নং ওয়ার্ডের সাবেক জেলা পরিষদ সদসস্য। অপর প্রার্থী হচ্ছেন কালারুকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অদুদ আলমের বড় ভাই, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী মোঃ সায়েদ মিয়া।
তিনি উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের কালারুকা গ্রামের হাজী আকবর আলীর পুত্র ও শহরের হাজী আকবর আলী মার্কেটের স্বত্তাধিকারী। মোঃ সায়েদ মিয়া জেলা পরিষদ নির্বাচনে ছাতক উপজেলা থেকে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্ধীতা করার আগ্রহ ব্যক্ত করে উপজেলার ১৩ ইউনিয়ন ও পৌরসভার জনপ্রতিনিধিদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেছন।
বুধবার তিনি ছৈলা-আফজলাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে জনপ্রতিনিধিদের সাথে মত বিনিময় করেছেন। পাশাপাশি বন্ধু-বান্ধব, মুরব্বিয়ান সহ উপজেলার সকল নাগরিকবৃন্দের কাছে  সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন।
সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুস শহিদ মুহিত ১৪ অক্টোবর তার মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন। এ সংক্রান্ত বিষয় তার নিজ নামীয় ফেইসবুক আইডিতে উল্লেখ করেছেন। প্রার্থীতা ঘোষণা দিয়ে উপজেলার ১৩ ইউনিয়ন ও পৌরসভার জনপ্রতিনিধিদের কাছে ভোট প্রার্থনা সহ সহযোগিতা ও দোয়া প্রার্থনা করেন।



দুর্গাপুরে এই প্রথম শৌচাগার পরিচ্ছন্ন কর্মীর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহন

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে শত বছরের মধ্যে হরিজন সম্প্রদায়ের (সুইপার) এক মেয়ে বেবী বাস্পর ২০২২ সনের এস,এস,সি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করায় হরিজন সম্প্রদায়ের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। বেবী স্থানীয় জহুরা জালাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী।
এ নিয়ে বেবী বাস্পর এর মা মালা বাস্পর জানান, আমরা হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ। আমাদের সম্প্রদায় থেকে কেউ পড়াশোনা করবে এটা ভাবতেও পারিনা। বেবী পরীক্ষা দেওয়ায় আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বীত।

পরীক্ষার্থী বেবী বাষ্পর জানান, আমার মা ইউএনও অফিসের ঝাড়ুদার। আমরা নীচু সম্প্রদায়ের লোক বিধায় আমাদের সবাই নীচু চোখে দেখে। আমার ইচ্ছা আমি প্রশাসনের একজন বড় কর্মকর্তা হবো। আমি চাকরি করে আমার সম্প্রদায়ের ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা করাতে সহায়তা করবো। আমার বাবা নির্মল বাষ্পর আমায় ছোট রেখেই মৃত্যুবরণ করেছেন, আমার এক ভাই সেও বেকার। খুব কষ্টে আমাদের সংসার চলছে। আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. মেহের উল্লাহ বলেন, বেবী বাস্পরের মা ইউএনও অফিসের ঝাড়ুদার। তার মেয়ে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছে শুনে খুবই ভালো লাগলো। সে অত্যন্ত বিনয়ী এবং মেধাবী। আমরা তার সফলতা ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি।




সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার  ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা।

জুনেদ আহমেদ, সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম আবুল হোসেনের ভাই ভাতিজা কর্তৃক কলেজ অধ্যক্ষকে পেটানোর ঘটনার একদিন পর নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে  পরিষদের ১০ সদস্য তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন।
সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট এ অনাস্থা প্রস্তাব দাখিল করেন তারা। শিক্ষককে মারধোরের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে  নিন্দার ঝড় উঠেছে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় উপজেলা শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ সোমবার এক প্রতিবাদ সভা ও করেছেন। তারা আগামী বুধবার মানববন্ধন কর্মসূচি পালনেরও ডাক দিয়েছেন।
অন্যদিকে একই পরিষদের ১০ ইউপি সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব দাখিল করেছেন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম ,বকুল আক্তার, আবদুল কাদির, আল আমিন, আবু হানিফ, মোশাররফ হোসেন, আবদুল কাদির-২, নুরুল ইসলাম, ছফিউল্লাহ, জয়নব বিবি অনাস্থা প্রস্তাব দাখিল করেন।
অনাস্থা প্রস্তাবের বিষয়ে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান এম আবুল হোসেন বলেন, অনাস্থা প্রস্তাবের বিষয়টি আমার জানা নেই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা প্রিয়াংকা বলেন, বাংলাবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে অনিয়মের  অভিযোগ এনে ১০ ইউপি সদস্যের একটি অনাস্থা প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।