খুলনা ৩ নং আসনে ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে খুলনা ৩ নং আসনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ঘোষণা করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। গতকাল বুধবার (১৯ মার্চ) দুপুর আড়াইটায় দৌলতপুর থানার আই এবি অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটি ঘোষণা করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা নগর সভাপতি মুফতি আমানুল্লাহ।

খুলনা ৩নং আসনে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক হিসেবে আলহাজ্ব বন্দে সরোয়ার হোসেন, যুগ্ন আহবায়ক মুফতি আব্দুর রহিম, সমন্বয়কারী হাফেজ আব্দুল লতিফ, যুগ্ম সমন্বয়কারী খলিলুর রহমান, মোঃ মঈন উদ্দিন, কাজী তোফায়েল, সহ সমন্বয়কারী আব্দুস সবুর,আবুল কালাম আজাদ আব্দুর রশীদ, মাহদী হাসান মুন্না, মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মাসুম, জাহিদুল ইসলাম, অর্থ সমন্বয়কারী বাদশা খান, গণসংযোগ সমন্বয়কারী আলফাত হোসেন লিটন, সেন্টার সমন্বয়কারী ইন্জিনিয়ার খালিদ হোসেন, পোলিং এজেন্ট সমন্বয়কারী তরিকুল ইসলাম কাবির, যোগাযোগ সমন্বয়কারী মাওলানা হাফিজুর রহমান, মহিলা ভোটার সমন্বয়কারী শেখ হাসান ওবায়দুল করিম, আইন সমন্বয়কারী মাইনুল ইসলাম আকন্দ, প্রশাসন সমন্বয়কারী আব্দুল হালিম, প্রচার সমন্বয়কারী হাসিবুর রহমান, মুহাম্মাদ শাহরিয়ার তাজ, প্রকাশনা সমন্বয়কারী মামুনুর রশীদ, সেচ্ছাসেবক সমন্বয়কারী নাজমুল শিকদার সহ মোট ৪৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা নগর সভাপতি মুফতি আমানুল্লাহ। সঞ্চালনা করেন নগর সেক্রেটারি মুফতি ইমরান হোসাইন।
অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর,খালিশপুর ও খানাজাহান আলী থানার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নগর সভাপতি মুফতি আমানুল্লাহ আগামী নির্বাচনে সন্ত্রাসমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, ধর্ষণমুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত ও বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে ইসলামের পক্ষে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।




সরকারের সময়সীমা অনুযায়ী ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, নির্বাচন কমিশন কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ নিচ্ছে না এবং সংবিধানের আওতাতেই কাজ করছে। সরকারের নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী ইসি নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

রবিবার ( ১৯ জানুয়ারি ) সকালে রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনে ভোটার তালিকা হালনাগাদে প্রয়োজনীয় ল্যাপটপ, স্ক্যানারসহ অন্যান্য সরঞ্জাম হস্তান্তর করে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)। ওই অনুষ্ঠানে সিইসি এ কথা বলেন।

এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন কোনোভাবেই রাজনীতিতে জড়াতে চায় না। দেশের জনগণ আমাদের কাছ থেকে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আশা করে। আমরা সেই প্রত্যাশা পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ। মানুষের যে সন্দেহ রয়েছে, তা দূর করতে ভোটার তালিকা হালনাগাদ প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে।’

সিইসি বলেন, ‘ভোটার তালিকা কার্যক্রমে সহযোগিতার জন্য আমরা ইউএনডিপির কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলাম। তারা খুব দ্রুত সময়ে সহায়তা করেছে। আমরা পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় তাদের সহযোগিতা চাই। আমাদের মতো তারাও একটি সুষ্ঠু নির্বাচন দেখতে আগ্রহী।’

ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফেন লিলার জানান, রাজনৈতিক দলসহ বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে কীভাবে সহযোগিতা করা যায়, তা নির্ধারণ করা হবে।

অনুষ্ঠানে ভোটার তালিকা হালনাগাদের জন্য নির্বাচন কমিশনের হাতে ১৭৫টি ল্যাপটপ, ২০০টি স্ক্যানার এবং বাড়ি বাড়ি তথ্য সংগ্রহে ব্যবহারের জন্য ৪ হাজার ৩০০টি ব্যাগ তুলে দেওয়া হয়।




আপনাদের সঙ্গে দেখা হলে, বসতে পারলে খুব ভালো লাগে মনে সাহস পাই : প্রধান উপদেষ্টা

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাজনৈতিক নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের সঙ্গে দেখা হলে, বসতে পারলে খুব ভালো লাগে। মনে সাহস পাই। কারণটা পরিষ্কার, এ সরকারের জন্ম হয়েছে ঐক্যের মাঝখানে, ঐক্যের দ্বারা এটা সৃষ্টি। যখন আমরা নিজেরা নিজেরা কাজ করি, তখন দেখি একা পড়ে গেছি, আশেপাশে কেউ নেই আপনারা। তখন একটু দুর্বল মনে করি। যখন আবার সবাই একসঙ্গে কাজ করি তখন মনের মধ্যে সাহস বাড়ে, একতাবদ্ধভাবে আছি। একতাতেই আমাদের জন্ম। একতাতেই আমাদের শক্তি।

তিনি বলেন, ৫ আগস্ট ছিল আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রতীক। ওইদিন পুরো অনুভূতিটাই ছিল একতার অনুভূতি। তাই এখন কিছু করতে হলে সবার মতামতের ভিত্তিতে করতে হবে। যাতে কেউ বলতে না পারে, তুমি অমুক, তুমি তমুক। কাজেই জুলাই ঘোষণাপত্র সবার মতামতের ভিত্তিতে করতে চাই।

তিনি বলেন, আপনারা দোয়া করবেন আমি যতদিন আছি। এই একতা নিয়েই থাকব। কাজেই সেই পথেই আমাদের চলতে হবে। যখন আপনাদের সঙ্গে বসি তখন সেই সাহসটা দেন। আজকে আপনাদের দেখে খুবই সাহসী মনে হচ্ছে। ৫ আগস্টের কথা স্মরণ করে আমরা একতাবদ্ধ আছি। সেই একতাকে কীভাবে মানুষের সামনে প্রকাশ করবো, ৫ আগস্টকে রিক্রিয়েট করবো, সেটি এখন আলাপের বিষয়বস্তু হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. ইউনূস বলেন, যে লক্ষ্য নিয়ে বা উদ্দেশ্য নিয়ে এ সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সে সরকার নতুন উদ্যম পায়। সবার সঙ্গে দেখলে প্রাণ সঞ্চার হয়।

তিনি বলেন, মাঝখানে একদিন ছাত্ররা এসে বললো তারা একটা ঘোষণাপত্র দেবে। আমাকেও সেখানে থাকতে হবে। বুঝতে চাইলাম কি ঘোষণাপত্র দিচ্ছে, বললো। আমি বললাম এটা হবে না। আমার চাওয়াটা হবে না, তোমাদের চাওয়াটাও হবে না। তোমরা যদি ৫ আগস্টে ফিরে যেতে চাও, সেদিনের পরিপ্রেক্ষিতে যা হয়েছিল সেটাকে রিক্রিয়েট করতে হবে। একা এটা করা যাবে না। ওইদিনের পুরো অনুভূতিটাই ছিল একতার অনুভূতি। কেউ বলে নাই তুমি অমুক, তুমি তমুক। কাজেই তোমরা করতে চাইলে সবাইকে নিয়েই করতে হবে। এটা পরিষ্কার। না করলে এটা ঠিক হবে না।

ড. ইউনূস বলেন, যে একতা দিয়ে তোমরা ৫ আগস্ট সৃষ্টি করেছিলে সেটার অবমাননা হবে। তারা আমার কথাই খুব খুশি হয়নি। কিন্তু ক্রমে তারা বুঝলো ৫ আগস্ট রিক্রিয়েট করতে হলে এইভাবে করতে হবে। সেই কথা থেকে এ আলাপ শুরু। আজকে আলোচনা একে কেন্দ্র করেই হবে। আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে করতে না পারলে উদ্দেশ্যে ব্যাহত হবে। দরকারও নেই। ঐক্যের মাধ্যমে করলে সবার মনে সাহস আসবে। সবাই ভাববে আমরা তো জেগে আছি এখনো। আমরা ভোঁতা হয়ে যাইনি। আমাদের অনুভূতি ভোঁতা হয়নি এখনো, এখনো চাঙা আছে। আমরা জাতি হিসেবে ঐক্যবদ্ধ আছি।

ঘোষণাপত্রের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা নিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে সবার সামনে আসতে পারি, তা দেশের জন্য ভালো। আন্তর্জাতিকভাবেও ভালো। সবাই দেখবে যে এ জাতির মধ্যে বহু ঠোকাঠুকি হয়েছে কিন্তু নড়ে না। স্থির হয়ে আছে, শক্ত হয়ে আছে। তা সারা দুনিয়াকে জানাতে চাই, দেশবাসীকে জানাতে চাই।




সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর মুক্তি পাচ্ছেন বৃহস্পতিবার

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

আলোচিত ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় যাবজ্জীবন সাজা থেকে খালাস পেয়েছেন বিএনপি নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। তার মুক্তিতে এখন আর বাধা নেই। এছাড়া এই মামলায় আরও চারজনকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়াসহ পাঁচজনের সাজা কমানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি নাসরীন আক্তারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

লুৎফুজ্জামান বাবরের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ) থেকে মুক্তি পাবেন তিনি।

এদিকে, ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় বাবরের পাশপাশি খালাস পেয়েছেন মহসীন তালুকদার, এনামুল হক, রেজ্জাকুল হায়দার ও নুরুল আমিন। তবে পরেশ বড়ুয়া ১৪ বছর ও ১০ বছর করে আকবর হোসেন, লিয়াকত হোসেন, হাফিজুর রহমান, শাহাবুদ্দিনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া মৃত্যুজনিত কারণে আপিল অ্যাবেটেড মতিউর রহমান নিজামী, দীন মোহাম্মদ ও আব্দুর রহিম, হাজি আব্দুস সোবহানকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফলে রায়ে আদালত ১৪ আসামির মধ্যে পাঁচজনকে সাজা, পাঁচজনকে খালাস ও চারজন মারা যাওয়ায় তাদের অব্যাহতি দিয়েছেন।

১০ ট্রাক অস্ত্র আটকসংক্রান্ত দুটি মামলার মধ্যে চোরাচালান মামলায় (বিশেষ ক্ষমতা আইনে) সাবেক শিল্পমন্ত্রী ও জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন উলফার সামরিক কমান্ডার পরেশ বড়ুয়াসহ ১৪ আসামিকে ২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় দেন চট্টগ্রামের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক এসএম মজিবুর রহমানের আদালত।

অস্ত্র আইনে দায়ের অন্য মামলাটিতে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পেয়েছেন একই আসামিরা। এ ছাড়া অস্ত্র আটক মামলার অপর ধারায় সাত বছর কারাদণ্ড দেন বিচারক। দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে ৫ লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়।

মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত অন্য ১১ জন হলেন- এনএসআইর সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, এনএসআইর সাবেক মহাপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুর রহিম, ডিজিএফআইর সাবেক পরিচালক (নিরাপত্তা) অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার সাহাবুদ্দিন আহমেদ, এনএসআইর সাবেক উপপরিচালক অবসরপ্রাপ্ত মেজর লিয়াকত হোসেন, এনএসআইর সাবেক মাঠ কর্মকর্তা আকবর হোসেন খান, রাষ্ট্রায়ত্ত সার কারখানা চিটাগং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডের (সিইউএফএল) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহসিন উদ্দিন তালুকদার, সিইউএফএলের সাবেক মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) কেএম এনামুল হক, সাবেক ভারপ্রাপ্ত শিল্পসচিব নুরুল আমিন, চোরাচালানি হিসেবে অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান, অস্ত্র খালাসের জন্য শ্রমিক সরবরাহকারী দীন মোহাম্মদ ও ট্রলার মালিক হাজী আবদুস সোবহান।

পরে নিয়ম অনুযায়ী, ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে পাঠানো হয়। পাশাপাশি কারাবন্দি আসামিরা আপিল করেন। এরপর পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়।




দুর্গাপুরে বিএনপি‘র বিক্ষোভ মিছিল

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

বিএনপি‘র কেন্দ্রীয় কর্মসুচীর অংশ হিসেবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের ঘোষিত কর্মসুচীর বিরুদ্ধে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহনে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে এ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষে, বিএনপি‘র দলীয় কার্যালয় থেকে এক বিক্ষোভ মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে, দলীয় কার্যালয়ে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে পৌর বিএনপি‘র আহবায়ক আতাউর রহমান ফরিদ এর সভাপতিত্বে, পৌর যুবদলের সদস্য সচিব স¤্রাট গণি‘র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি‘র আহবায়ক জহিরুল আলম ভুইয়া। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি‘র যুগ্ন আহবায়ক আলহাজ¦ জামাল উদ্দিন মাস্টার, পৌর বিএনপি‘র যুগ্ন-আহবায়ক রিয়াজুল ইসলাম, সদস্য সচিব হারেজ গণি সহ উপজেলা বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীগণ।

বক্তারা বলেন, ফ্যাসিস্ট আ‘লীগ সরকারের নেতাকর্মীরা ‘‘শান্ত বাংলাদেশ কে অশান্ত করার লক্ষে’’ এখনো ঘুপটি মেরে বসে আছে। কেন্দ্রীয় কর্মসুচী মোতাবেক ফ্যাসিস্ট সরকারের কোন কর্মসুচী এই বাংলায় আর করতে দেয়া হবে না। দেশকে অশান্ত করা থেকে বিরত রাখতে, দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের সকল নেতাকর্মীদের এক হয়ে কাজ করার আহবান জানানো হয়।




ইতিহাস গড়ার পথে ডোনাল্ড ট্রাম্প

ডিএনবি নিউজ আন্তঃ ডেস্ক :

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হওয়ার পথে এগিয়ে রয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশেষ করে দোদুল্যমান কয়েকটি রাজ্যের জয় ও কয়েকটিতে এগিয়ে থাকার খবর আসার পর হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের যাওয়া অনেকটাই নিশ্চিত ধরে নিয়েছেন তার সমর্থকরা।

ইতোমধ্যে ২৪৭টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেয়ে জয়ের অনেকটা কাছাকাছি পৌছে গেছেন ট্রাম্প। বিপরীতে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস এখন পর্যন্ত পেয়েছেন ২১৪ ভোট। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, যেসব দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যে ফল ঘোষণা বাকি আছে সেগুলোর বেশিরভাগেই এগিয়ে রয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্প।

দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের সর্বশেষ পূর্বাভাসে ট্রাম্পের আরও প্রেসিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে। ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হলে ইতিহাস গড়বেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে কোনো ফৌজদারী অপরাধী হোয়াইট হাউসের বাসিন্দা হওয়ার রেকর্ড গড়বেন।

সর্বশেষ প্রাপ্ত ভোটের ব্যবধান যাচাই করে নিউইয়র্ক টাইমসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের জয়ের সম্ভাবনা খুব দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে তার জয়ের সম্ভাবনা ৯০ শতাংশ। অপরদিকে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিসের জয়ের সম্ভাবনা ধীরে ধীরে শেষ হচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্প ৩০১টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট এবং কমলা ২৩৭টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পেতে পারেন।

এদিকে এপির খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সময় বুধবার (৬ নভেম্বর) দুপুর ১২টার পর্যন্ত রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প পেয়েছেন ২৪৭ ইলেকটোরাল ভোট। অন্যদিকে ডেমোক্রেটিক প্রার্থী কমলা হ্যারিস পেয়েছেন ২১৪ ভোট। কমলা পেয়েছেন ৪৭.৪ শতাংশ ভোট এবং ট্রাম্প পেয়েছেন ৫১.২ শতাংশ ভোট।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলে দেশটির ৫০টি অঙ্গরাজ্যে। টাইম জোনের তারতম্যের কারণে রাজ্যগুলোতে ভোটগ্রহণ ও গণনা সম্পন্ন হয় ভিন্ন ভিন্ন সময়ে। প্রথম অঙ্গরাজ্য হিসেবে ভোটগ্রহণ শেষ হয় ইন্ডিয়ানা ও কেন্টাকিতে।




তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে এবার জামায়াতের আবেদন

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের বিষয়ে রিভিউ আবেদন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (২৩ অক্টোবর) জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে এ রিভিউ আবেদন করেন। তাদের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

গত ১৬ অক্টোবর তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ (পুনর্বিবেচনা) আবেদন করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এদিকে গত আগস্ট মাসে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার পৃথক রিভিউ আবেদন করেন।

উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে গণঅভ্যুত্থানে এরশাদ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন একটি সরকারের অধীনে সাধারণ নির্বাচন হলেও তখন বিষয়টি সংবিধানে যুক্ত করা হয়নি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বিরোধীদলগুলোর আন্দোলনের চাপে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান এনে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী সংসদে পাস করে বিএনপি।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ওই সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১৯৯৮ সালে অ্যাডভোকেট এম সলিম উল্লাহসহ তিন জন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। পরে বিএনপি সরকারের সময়ে ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট সেই রিট খারিজ হলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বৈধ থাকে। হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০০৫ সালে আপিল করেন রিটকারীরা। ২০০৬ সালে রাজনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে জরুরি অবস্থা জারির পর গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছর ক্ষমতায় থাকার পর এ পদ্ধতির দুর্বলতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে আবার আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে ২০১০ সালের ১ মার্চ আপিল বিভাগে ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলার শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে আপিল আবেদনকারী এবং রাষ্ট্রপক্ষ ছাড়াও অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে শীর্ষস্থানীয় ৮ জন আইনজীবী বক্তব্য দেন। তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে মত দেন। তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমও এর পক্ষে মত দেন।

২০১১ সালের ১০ মে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনে করা সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে তা বাতিল করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। তবে পরবর্তী ১০ম ও ১১তম নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে করা যেতে পারে বলে মত দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন আদালত। রায়ে বলা হয় এক্ষেত্রে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনে সংসদে ঐকমত্যের ভিত্তিতে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।




এক খুনিকে পরিবর্তন করে আরেক ডাকাতকে ক্ষমতায় বসাতে চাই না: মুফতি ফয়জুল করীম

ডিএনিবি নিউজ ডেস্ক:

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের উপদেষ্টা ও শায়েখে চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, এক লুটেরা, দুর্নীতিবাজ ও খুনি-ডাকাতকে পরিবর্তন করে আরেক ডাকাতকে ক্ষমতায় বসাতে চাই না। আমরা ঐক্য চাই কিন্তু এই ঐক্যের মাধ্যমে কোনো বাতেল প্রতিষ্ঠিত হোক সেটা চাই না।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশালের অশ্বিনী কুমার হলে দ্বিবার্ষিক ওলামা সম্মেলনের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

শায়েখে চরমোনাই আরও বলেন, ‘ওলামা একরাম ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি অংশ নিয়েছে। কিন্তু নেতৃত্ব দেয়া হয়েছে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে। কেন জিন্নাহকে নিয়ে এসেছে, কারণ তৎকালীন সময় ব্রিটিশ ও ভারতের সঙ্গে টক্কর দিয়ে নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষমতা জিন্নাহর মধ্যে ছিলো। যদিও তাকে পছন্দ করতো না অনেকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সবাই সতর্ক থাকুন কেউ আবেগি হবেন না। তাই ওলামাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এক ও অভিন্ন হতে হবে। অন্তত বরিশাল থেকে আমরা যাতে এক হয়ে আওয়াজ তুলতে পারি সেই ব্যবস্থা সবাই গ্রহণ করুন। রাষ্ট্রকে পরিচালনা করার চিন্তা করুন। মেধাবী শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্র ও ইংরেজিতে দক্ষ করুন। রাষ্ট্র পরিচালনার যোগ্য করে তুলুন।’

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ বরিশাল জেলার সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত  দ্বিবার্ষিক ওলামা সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিষদের উপদেষ্টা হাফেজ মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল করিম আবরারসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের উপদেষ্টা ও শায়েখে চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, এক লুটেরা, দুর্নীতিবাজ ও খুনি-ডাকাতকে পরিবর্তন করে আরেক ডাকাতকে ক্ষমতায় বসাতে চাই না। আমরা ঐক্য চাই কিন্তু এই ঐক্যের মাধ্যমে কোনো বাতেল প্রতিষ্ঠিত হোক সেটা চাই না।

বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বরিশালের অশ্বিনী কুমার হলে দ্বিবার্ষিক ওলামা সম্মেলনের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

শায়েখে চরমোনাই আরও বলেন, ‘ওলামা একরাম ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি অংশ নিয়েছে। কিন্তু নেতৃত্ব দেয়া হয়েছে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে। কেন জিন্নাহকে নিয়ে এসেছে, কারণ তৎকালীন সময় ব্রিটিশ ও ভারতের সঙ্গে টক্কর দিয়ে নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষমতা জিন্নাহর মধ্যে ছিলো। যদিও তাকে পছন্দ করতো না অনেকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সবাই সতর্ক থাকুন কেউ আবেগি হবেন না। তাই ওলামাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এক ও অভিন্ন হতে হবে। অন্তত বরিশাল থেকে আমরা যাতে এক হয়ে আওয়াজ তুলতে পারি সেই ব্যবস্থা সবাই গ্রহণ করুন। রাষ্ট্রকে পরিচালনা করার চিন্তা করুন। মেধাবী শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্র ও ইংরেজিতে দক্ষ করুন। রাষ্ট্র পরিচালনার যোগ্য করে তুলুন।’

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ বরিশাল জেলার সভাপতি হাফেজ মাওলানা আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত  দ্বিবার্ষিক ওলামা সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিষদের উপদেষ্টা হাফেজ মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব, কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মুফতি রেজাউল করিম আবরারসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।




দুর্গাপুরে বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি :

বন্যা দুর্গতদের জন্য সহায়তা, বিএনপি‘র প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দোয়ার মাধ্যমে নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরসভার শিবগঞ্জ বাজারে, ওয়ার্ড বিএনপি‘র আয়োজনে, বিএনপি’র ৪৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। রোববার দিনব্যাপি উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে এ কর্মসুচী পালিত হয়।

এ উপলক্ষে পৌর ওয়ার্ড বিএনপি‘র সভাপতি সাহাদাৎ হোসেন হৃদয় এর সভাপতিত্বে, পৌর বিএনপি‘র যুগ্ন-আহবায়ক রিয়াজুল করিম এর সঞ্চালনায়, প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, পৌর বিএনপি‘র আহবায়ক আতাউর রহমান ফরিদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি‘র প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল হক, পৌর বিএনপিপ‘র সাবেক সভাপতি মো. রৌশন আলী, পৌর বিএনপি‘র সদস্য সচিব মো. হারেজ গনি, যুগ্ন আহবায়ক ও পৌর কাউন্সিলর ওয়ালিউল্লাহ্ সাচ্চু, মো. এমরোজ হোসেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সানী ঢালী, উছমান গণি, ওয়াসিম হাওলাদার, মো. শাহ আলম, আলী উল আজীম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, দেশের পূর্বাঞ্চলে ভয়াবহ বন্যার কারনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে, সারাদেশেই প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বিএনপি ত্যাগের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। দেশের ১২টি জেলার মানুষ আজ ভয়াবহ বন্যায় চরম ক্ষতিগ্রস্থ, আসুন নিজ নিজ সামর্থ অনুযায়ী তাদের সহায়তা করি। মনে রাখবেন, আ.লীগের নোংরা রাজনীতি যেনো, বাংলার আকাশে আর ফিরে না আসে। পিছনের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে বিএনপিকে নতুন ভাবে সাজাতে সকলকে আহবান জানানো হয়।




জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবির নিষিদ্ধ করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আজ বুধবার (২৮ আগস্ট) প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

এর আগে, ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নির্বাহী আদেশে নিষিদ্ধ করা হয় গত ১ আগস্ট। চারদিনের ব্যবধানে ৫ আগস্ট আন্দোলনের মুখে পতন ঘটে তৎকালীন ক্ষমতাসীনদের। ক্ষমতার পালাবদলে জামায়াত-শিবিরের নিষিদ্ধের আদেশ আজ প্রত্যাহার হলো।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, যেহেতু, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কয়েকটি মামলার রায়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী (পূর্বনাম জামায়াত-ই-ইসলামী/জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ) এবং উহার অঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরকে (পূর্বনাম ইসলামী ছাত্রসংঘ) ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে সংঘটিত গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে দায়ী হিসেবে গণ্য করা হইয়াছে।

আরও বলা হয়, যেহেতু বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের রায়ে রাজনৈতিক দল হিসাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন বাতিল করিয়া দিয়াছে এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ, হাইকোর্ট বিভাগের উক্ত রায়কে বহাল রাখিয়াছে। যেহেতু, সরকারের নিকট যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ রহিয়াছে যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং উহার অঙ্গ সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সাম্প্রতিককালে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ, ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সরাসরি এবং উসকানির মাধ্যমে জড়িত ছিল; এবং যেহেতু, সরকার বিশ্বাস করে যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ উহার সকল অঙ্গ সংগঠন সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সহিত জড়িত রহিয়াছে। সেহেতু, সরকার, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ এর ধারা ১৮(১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এবং বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ উহার সকল অঙ্গ সংগঠনকে রাজনৈতিক দল ও সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করিল। উক্ত আইনের তফসিল-২ এ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ উহার সকল অঙ্গ সংগঠনকে নিষিদ্ধ সত্ত্বা হিসাবে তালিকাভুক্ত করিল।