যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হিসাব-নিকাশ ব্যর্থ হয়েছে: আইআরজিসি মুখপাত্র আলি মোহাম্মদ নায়িনি

ডিএনবি নিউজ আন্ত: ডেস্ক:

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র মুখপাত্র আলি মোহাম্মদ নায়িনি বলেছেন, শত্রুরা মনে করেছিল সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে আঘাত করলে দেশের প্রতিরক্ষা কাঠামো ভেঙে পড়বে।

পার্সটুডে জানিয়েছে, আইআরজিসি’র মুখপাত্র আরও বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে গিয়ে শত্রুরা তিনটি বড় ভুল হিসাব করেছিল।

প্রথমত, তারা ভেবেছিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করা হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই সবকিছু ভেঙে পড়বে।

দ্বিতীয়ত, তারা ধারণা করেছিল এই যুদ্ধ তিন দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।

তৃতীয়ত, আমেরিকা ভেবেছিল- ইরানের বিরুদ্ধে একটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক জোট গঠিত হবে। এর একটি হিসাবও মিলে নি।

‍সূত্র:  পার্সটুডে




দুর্গাপুরে শেষ হলো ৩দিন ব্যাপি হিফজুল কুরআন, হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে দ্বিতীয় বারের মতো তিনদিন ব্যাপি ‘কুরআনের আলো হিফজুল কুরআন, হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা শেষ হয়েছে। স্থানীয় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে শনিবার (০৭ মার্চ) বিকেলে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে এ প্রতিযোগিতা শেষ হয়। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে টেলি কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন, মাননীয় ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের সংসদ সদস্যব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) দুর্গাপুর উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্দ্যেগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে এ প্রতিযোগিতা। গতবছরের ধারাবাহিকতায় এবারও এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

পুরস্কার বিতরণপুর্ব আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, তরুণ প্রজন্মকে ইসলামের দীক্ষায় উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণিত করতেই প্রতিবছর এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এমন সুস্থ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তরুণ ও শিশু-কিশোরদের মাঝে ইসলামী মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি চর্চা আরও বৃদ্ধি পাবে। দুর্গাপুরে এমন বৃহৎ পরিসরে কোরআন তেলাওয়াত, হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতাকে ঘিরে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মাননীয় ভুমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল কে কমিটির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই, এমন সুন্দর একটি প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করার জন্য।

এ সময় উপজেলা বিএনপি‘র সভাপতি জহিরুল আলম ভুইয়া, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এম এ জিন্নাহ্, আমন্ত্রিত মেহমান আল্লামা জিয়া উদ্দিন (দা: বা:), মাওলানা আব্দুর রউফ, পরিচালনা কমিটির সদস্য ও উপজেলা বিএনপি‘র সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ¦ জামাল উদ্দিন মাস্টার, মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান নোমানী, হাফেজ মোস্তফা সাহেব, হাফেজ শাহাবদ্দিন সাহেব, মাওলানা নুরুজ্জামান সাহেব, হাফেজ মজিবুর রহমান, মাওলানা জিয়াউর রহমান সহ অন্যান্য উস্তাদগণ, এন্তেজামিয়া কমিটির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, মুফতী হুমায়ুন কবীর, মুফতী এনায়েত উল্লাহ, মুফতী শিব্বীর আহমেদ আকন্দ প্রমুখ। আলোচনা শেষে পবিত্র কুরআন প্রতিযোগিতায় সেরা ১০, আযান প্রতিযোগিতায় সেরা ৫ ও হামদ নাত এ সেরা ৫ জনের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়।




নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ৩দিন ব্যাপি হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা শুরু

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে দ্বিতীয় বারের মতো তিনদিন ব্যাপী ‘কুরআনের আলো হিফজুল কুরআন, হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। স্থানীয় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের প্রতিভা বিকাশে ০৫ মার্চ (বৃহ:স্পতিবার) সকাল থেকে এ প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি প্রতিমন্ত্রী ও নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) দুর্গাপুর উপজেলা ও পৌর শাখার উদ্দ্যেগে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত চলবে এ প্রতিযোগিতা। গত বছর প্রথমবারের মতো এমন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল উপজেলা বিএনপি। যার ধারাবাহিকতায় এবারও দ্বিতীয়বারের মতো আরও বৃহৎ পরিসরে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে।

পরিচালনা কমিটির সদস্য আলহাজ¦ জামাল উদ্দিন মাস্টার জানান, তরুণ প্রজন্মকে ইসলামের দীক্ষায় উজ্জীবিত ও অনুপ্রাণিত করতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এমন সুস্থ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তরুণ ও শিশু-কিশোরদের মাঝে ইসলামী মূল্যবোধ ও সংস্কৃতি চর্চা আরও বৃদ্ধি পাবে। দুর্গাপুরে এমন বৃহৎ পরিসরে কোরআন তেলাওয়াত, হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতাকে ঘিরে স্থানীয় ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা এবং আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মাননীয় ভুমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল কে কমিটির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই, এমন সুন্দর একটি প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করার জন্য।

এ সময় আমন্ত্রিত মেহমান হিসেবে মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান নোমানী, হাফেজ মোস্তফা সাহেব, হাফেজ শাহাবদ্দিন সাহেব, মাওলানা নুরুজ্জামান সাহেব, হাফেজ মজিবুর রহমান, মাওলানা জিয়াউর রহমান সহ অন্যান্য উস্তাদগণ, এন্তেজামিয়া কমিটির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন, মুফতী হুমায়ুন কবীর, মুফতী এনায়েত উল্লাহ, মুফতী শিব্বীর আহমেদ আকন্দ প্রমুখ।




প্রবীন আলেমেদ্বীন আলোড়ন সৃষ্টিকারী বক্তা মাওলানা হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী আর নেই

প্রবীন আলেমেদ্বীন আলোড়ন সৃষ্টিকারী বক্তা মাওলানা মীর মো. হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল পৌনে আটটার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছিলেন।

তিনি যুক্তির আলোকে ইসলামের বিধি-বিধান তুলে ধরতেন। এজন্য তার নামের সঙ্গে যুক্তিবাদী শব্দটি যুক্ত হয়। একটা সময় তিনি সারাদেশে ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলেন। তার মাহফিলে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটত। বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর বহু দেশে তিনি ইসলামের প্রচারে বয়ার করেছেন। এক সময় তাঁর বয়ানের ক্যাসেট খুব জনপ্রিয় ছিল।

মাওলানা যুক্তিবাদী ১৯৪৭ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও থানার বারুদী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন ছারছীনা দরবারের পীর আল্লামা নেছার উদ্দীনের খলিফা মাওলানা মীর মনিরুদ্দীন। নিজ গ্রামেই প্রাথমিক লেখাপড়া শুরু করে একই গ্রামে নেছারিয়া আলিম মাদরাসা থেকে ১৯৬৩ সালে দাখিল ও ১৯৬৫ সালে আলিম পাস করেন। ১৯৬৭ সালে ফাজিল পাস করেন নারায়ণগঞ্জ কামিল মাদরাসা থেকে। এরপর উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য প্রাচীন মাদরাসা সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়া, ঢাকা থেকে কামিল প্রথম বিভাগে পাস করে একাডেমিক শিক্ষাজীবন শেষ করেন।

মাওলানা মীর হাবিবুর রহমান যুক্তিবাদী কোরআন, হাদিস, নবি, সাহাবি ও আওলিয়াদের জীবনী তার সুললিত ও দরাজ কণ্ঠে বয়ান করতেন। শুধু বাংলাদেশে নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও তিনি ধর্মীয় আলোচনার প্রসার ঘটিয়েছেন। তিনি ইসলাম প্রচারে লন্ডন, আমেরিকা, কানাডা, ফ্রান্স, ইতালি, জার্মানি, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে বহুবার সফর করেছেন।




ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সচিব পদে নিয়োগ পেলেন মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ।

তাকে এ পদে নিয়োগ দিয়ে রোববার (১ মার্চ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদকে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠন-এর সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছর মেয়াদে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হলো।

এই নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্র দ্বারা নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।




এবারের মন্ত্রিসভায় কে হচ্ছেন নতুন ধর্মমন্ত্রী?

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

ভূমিধস বিজয় পেয়েছে বিএনপি। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান হচ্ছেন দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) যাত্রা করতে যাচ্ছে নতুন সরকার। মন্ত্রিসভায় কারা স্থান পাচ্ছেন সেটা নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। এর মধ্যে ইসলামপন্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রসঙ্গটি। কে আসছেন এই মন্ত্রণালয়ে সেটা নিয়ে রয়েছে কৌতূহল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মতো তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারও কোনো আলেমকে এই পদে বসাচ্ছে কি না সেটা নিয়েও রয়েছে আলোচনা।

মন্ত্রিসভায় কে বা কারা স্থান পাবে সেটা নির্ধারণের সম্পূর্ণ এখতিয়ার তারেক রহমানের। যেহেতু বিএনপি একাই দুই তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে সেজন্য এককভাবে বিএনপি-প্রধানই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন সব।

ইতোমধ্যে হবু প্রধানমন্ত্রী দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা করেছেন। মন্ত্রিসভার প্রকৃতি কী হবে, কারা কারা স্থান পেতে পারেন, সেসব বিষয় অনেকটা চূড়ান্ত হওয়ার পথে। শেষ মুহূর্তে কিছু পরিবর্তন-পরিবর্ধন আসতে পারে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে আসতে পারেন সে ব্যাপারে সর্বপ্রথম যে নামটি রয়েছে তিনি হলেন কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। দীর্ঘদিন বিদেশে নির্বাসন থেকে ফিরে কুমিল্লা-৩ আসন থেকে তিনি ষষ্ঠবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়টি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যিনি থাকেন তাকে নানা ইস্যুতে ইসলামপন্থীদের সঙ্গে সরকারের সমন্বয় করতে হয়। এই কাজে অনেকটা পারদর্শী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। আলেম-উলামা ও দীনদার মানুষদের সঙ্গে তার বিশেষ সংযোগ রয়েছে। এ হিসেবে তিনি ধর্মমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় অনেকটা এগিয়ে আছেন। শেষ পর্যন্ত ধর্মমন্ত্রী অন্য কেউ হলেও তিনি মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন। এক্ষেত্রে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন।

কায়কোবাদ না হলেও বিএনপি দলীয় অন্য কেউও হতে পারেন ধর্মমন্ত্রী। আবার বিএনপির শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুকের আলোচনাও আছে কোনো কোনো মহলে। তবে বিএনপির মন্ত্রিসভায় কোনো আলেম না থাকার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।




কারা অধিদপ্তরকে ১৩ হাজার ধর্মীয় বই উপহার দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়

ডিএনবি ‍নিউজ ডেস্ক:

কারা অধিদপ্তরকে ১৩ হাজার ধর্মীয় বই উপহার দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসব বই হস্তান্তর করা হয়।

ধর্ম উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, দেশের ৬৮টি কারাগারে থাকা প্রায় ৭০ হাজার কয়েদি ও হাজতির নৈতিক উন্নয়ন ও মানসিক পরিবর্তন, কয়েদিদের অপরাধ থেকে দূরে রাখতে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নামাজের ব্যবস্থা এবং ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে ধর্মীয় ও নৈতিকতাভিত্তিক বই, জায়নামাজ এবং অন্যান্য সামগ্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর হাতে ১৩ হাজার কপি বই হস্তান্তর করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

এসময় স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন, এনডিসি, পিএসসি ও স্বরাষ্ট্র ও ধর্ম উপদেষ্টার দুই একান্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন।




নেত্রকোনা ১ আসনে  রিক্সা মার্কার প্রার্থী  গোলাম রাব্বানীকে বিজয় নিশ্চিত করতে আহবান, দুর্গাপুরে আল্লামা মামুনুল হক

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, দেশ বর্তমানে দুইটি ভাগে বিভক্ত, একদিকে এগারোটি দল আর অন্য দিকে একটি দল। গুন্ডা-মান্তান দিয়ে ভোটকেন্দ্র দখল করে ব্যালট পেপার ছিনতাই করার দিন শেষ হয়ে গেছে। কেউ যদি ব্যালটের রায় পরিবর্তনের চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় সুসং সরকারি মহাবিদ্যালয় মাঠে এগারো দলীয় এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নেত্রকোনা জেলা শাখার সভাপতি আল্লামা জিয়া উদ্দীন সাহেব (দা: বা:) এর সভাপতিত্বে, অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, এনসিপি‘র কেন্দ্রীয় নেতা প্রিতম সোহাগ, ফয়সাল মাহমুদ, ছাত্র শিবির জাবি শাখার সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন, জামায়েতে ইসলামী জেলা শাখার আমীর অধ্যাপক মাও: সাদেক আহমাদ হারিছ, কলমাকান্দা উপজেলা শাখার আমীর অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাসিম, দুর্গাপুর উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক, ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী গোলাম রব্বানী সহ অন্যন্য নেতাকর্মী ও আলেম মাশায়েকগণ বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘‘১১ দলীয় ঐক্যজোট গঠিত হয়েছে একক নেতার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য নয়, কোন একটি দলের স্বার্থ উদ্ধার করার জন্য নয়, দলের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নয়, গঠিত হয়েছে বাংলার মানুষের ভাগ্য গড়বার জন্য, ১১ দল নিজের দলের প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন করছে না, নির্বাচন করছে ইনছাফের বাংলাদেশ গড়ার জন্য। কোন চাঁদাবাজ, ‘‘টেন্ডারবাজের কাছে ভোটকেন্দ্র ছেড়ে দেয়া যাবে না। দেশের সম্পদ বিদেশে পাচারের জন্য যারা নির্বাচন করছে তাদের ভোট দিবেন না। নির্বাচনের দিন সকলেই সকাল সকাল ভোট কেন্দ্রে যাবেন এবং আমাদের সমমনা মানুষের ভোট কাস্টিং করাবেন।

বক্তারা আরো বলেন, জুলাইয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই ১১ দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, বিদেশী আধিপত্যবাদী শক্তি যুগের পর যুগ বছরের পর বছর বাংলার মানুষের মাথার ওপর তাদের দোসর এবং সেবা দাসদেরকে বসিয়ে বাংলাদেশ থেকে তারা রক্ত চুষে খেয়েছে, ধনসম্পদ লুটেপুটে খেয়েছে, এক দোসরের দিন শেষ হলে নতুন করে আরেক দোসরকে বসানোর পায়তারা চালিয়েছে। এবার বাংলার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, আর কোন দোসরের চেহারা দেশাবাসী দেখতে চায় না, আলেমদের নিয়ে যা খুশি তা বলা শুরু করেছে। আমরা কোন মন্তব্য না করে ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। নেত্রকোনা ১ আসনে  রিক্সা মার্কার প্রার্থী  গোলাম রাব্বানীকে বিজয় নিশ্চিত এবং ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে আহবান জানানো হয়।

প্রধান অতিথি আল্লামা মামুনুল হক বলেন, ‘স্বাধীন বাংলার মানুষের ন্যায় ও ইনসাফের স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। গত ৫৪ বছর ধরে শাসনের নামে এ দেশের মানুষের ওপর শোষণ চালানো হয়েছে এবং মানুষের বিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লব বাস্তবায়ন করতে, শহিদদের রক্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং শরীফ ওসমান হাদির মতো যোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য গণভোটে ‘‘হ্যাঁ’’ বাক্সে সিল দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। সভা শেষে মোনাজাতের মাধ্যমে জনসভা সমাপ্ত করা হয়।




এবার সব রেকর্ড ভাঙল তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জানাজা অনুষ্ঠিত হলো তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার। এতে কয়েক মিলিয়ন (দশ লাখে এক মিলিয়ন) মুসল্লি অংশ নেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এত বড় জানাজার উদাহরণ দেশের ইতিহাসে আর দ্বিতীয়টি নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা ৩টা ৫ মিনিটে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক।

জানাজার আগে খালেদা জিয়ার একমাত্র ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন এবং মায়ের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন। তার কাছে কেউ কোনো ঋণ পেলে যোগাযোগ করতে বলেন। এছাড়া খালেদা জিয়ার আচরণে কেউ কোনো কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেওয়ার আবেদন জানান তারেক রহমান।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের লাখ লাখ মানুষ জানাজায় অংশ নেন।

রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও সংসদ ভবন এলাকা জানাজার জন্য নির্ধারিত হলেও লোক সমাগম ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের এলাকায়। ফার্মগেট, বিজয় সরনি, আগারগাঁও, কারওয়ানবাজার, বাংলামোটর, তেজগাঁও পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য ছিল। বানের স্রোতের মতো চার দিক থেকে সাধারণ মানুষ আসতে থাকে জানাজার দিকে। প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে গতকাল থেকেই ঢাকামুখী মানুষের ঢল নামে।

জনশ্রুতি আছে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জানাজা হয়েছিল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের। সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির জানাজাও ছিল স্মরণকালের বৃহৎ। তবে সব রেকর্ড ছাপিয়ে খালেদা জিয়া স্থান করে নিয়েছেন ইতিহাসের পাতায়। এতো বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি ও ভালোবাসায় এর আগে কোনো নেতা বিদায় নিতে পারেননি।




জাতীয়করণ হচ্ছে ৫৫০ ইমাম-মুয়াজ্জিনের চাকরি

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

দেশের ৩৫০টি সরকারি কলেজ মসজিদের ৫৫০ জন ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমের চাকরি জাতীয়করণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

রোববার (৩০ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে কলেজে কর্মরত এসব ধর্মীয় কর্মীর নামের তালিকা ও নিয়োগ-সংক্রান্ত কাগজপত্র সাত কর্মদিবসের মধ্যে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চাহিদা অনুসারে সরকারি কলেজ মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের চাকরি আত্তীকরণের (জাতীয়করণ) লক্ষ্যে ‘মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা’ অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় নথি পাঠাতে হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, ৩৫০টি সরকারি কলেজ মসজিদে কর্মরত মোট ৫৫০ জন সংশ্লিষ্ট কর্মীর পূর্ণাঙ্গ নামের তালিকা এবং তাদের নিয়োগ-সংক্রান্ত কাগজপত্র আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে মাউশিতে পাঠাতে হবে। এজন্য সরকারি কলেজের অধ্যক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।