দুর্গাপুরে ব্রিজ ও রাস্তার কাজের উদ্বোধন

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের চায়নামোড়-দাহাপাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা রাস্তার সংযোগ ব্রিজ নির্মাণ ও উত্তর ফারুংপাড়া এলাকায় হেরিং বন্ড (ইটের রাস্তা) কাজের উদ্বোধন করেছেন সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাদেকুল ইসলাম।

গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সোমবার দুপুরে এ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ইউপি কদ্দুস মিয়া,অবসর প্রাপ্ত বিজিবি সদস্য ইদ্রিস মিয়া,সদর ইউনিয়ন আওয়ামিলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল মিয়া প্রমুখ।

এ প্রসঙ্গে সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাদেকুল ইসলাম বলেন,এ গ্রামের ভুক্তভোগী মানুষেরা আমার কাছে রাস্তা নির্মাণের দাবি করেছিলো। আগে তারা মূল সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল। তাই মূল সড়কের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছি। শেষ পর্যন্ত তাদের স্বপ্ন পূরণ করতে পেরেছি। তাছাড়াও পর্যটন এলাকা হিসেবে এই রাস্তাটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বহন করবে।




ফিলিস্তিনি শ্রমিকদের সরিয়ে ১ লাখ ভারতীয় শ্রমিক নেওয়ার পরিকল্পনা ইসরাইলের

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

ইহুদিবাদী ইসরাইলি নির্মাণ সংস্থাগুলো তাদের সরকারকে বলেছে যে তারা ৯০ হাজার ফিলিস্তিনির পরিবর্তে ১ লাখ ভারতীয় শ্রমিক নিয়োগ করতে চায়। তাদের এ জন্য অনুমতি দেওয়া হোক।

গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরাইলে কর্মরত ৯০ হাজার ফিলিস্তিনি শ্রমিকের পারমিট বাতিল করা হয়েছে। এ কারণে ইসরাইলে নির্মাণ সংক্রান্ত যাবতীয় কাজে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। প্রসঙ্গত, ভারতীয় শ্রমিকরা উপসাগরীয় দেশগুলোতে আধুনিক শহর গড়ে তুলেছেন, এজন্য ইসরাইলি সংস্থাগুলো তাদের পরিশ্রমে আস্থা রেখেছে। কিন্তু চলমান পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের পাঠানো হবে কী না তা স্পষ্ট হয়নি।

গণমাধ্যমে প্রকাশ- ইসরাইলি বিল্ডার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হাইম ফিগলিন বলেছেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে আলোচনা করছি। আমরা শ্রমিকদের অনুমোদনের জন্য ইসরাইল সরকারের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছি। ভারত থেকে আমাদের ৫০ হাজার/এক লাখ শ্রমিক দরকার। ভারতীয় শ্রমিকরা ইসরাইলে গেলে সেখানে বড় পরিসরে কর্মসংস্থান হবে। এ ছাড়া তাদের পাঠানো অর্থ অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।

কিন্তু ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। ভারত শ্রমিকদের ইসরাইলে যেতে দেবে কিনা তা এখনও জানা যায়নি, তাও আবার এমন সময়ে যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল থেকে ভারতীয়দের সরিয়ে নেওয়ার অপারেশন অজয় এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। ফিগলিন বলেছেন, ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলের নির্মাণ শিল্পের প্রায় ২৫ শতাংশ। এর মধ্যে ১০ শতাংশই গাজা থেকে এসেছেন। বাকিরা পশ্চিম তীরের।

এদিকে, চলমান যুদ্ধের মধ্যে আচমকা শ্রমিকের চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও, ইসরাইল আগে থেকেই ভারতীয় শ্রমিকদের এনে ফিলিস্তিনি শ্রমিকদের সরাতে চেয়েছিল। জানা গেছে, চলতি বছরের মে মাসে ভারত ইসরাইলের সাথে একটি সমঝোতা করেছিল, যাতে ৪২ হাজার ভারতীয় শ্রমিককে ইসরাইলে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হবে। নার্সিংয়ের পাশাপাশি নির্মাণ ক্ষেত্রেও কাজ করবেন এসব মানুষ। মে মাসে ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলি কোহেনের ভারত সফরের সময় এই সমঝোতা হয়েছিল। তারপর প্রথমবারের মতো ইসরাইলের নির্মাণ খাত ভারতীয়দের জন্য উন্মুক্ত হয়। এই চুক্তি সইয়ের আগে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রস্তুতি চলছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারভারত ও ইসরাইলের মধ্যে শ্রমিকদের বা পরিসেবা ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের পাঠানোর চুক্তি শান্তিকালীন সময়ে করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে ইসরাইলের পক্ষ থেকে শ্রমিকের যে দাবি তা কর্মসংস্থানের চেয়ে ফিলিস্তিনি শ্রমিকদের শিক্ষা দেওয়ার জন্যই বেশি। বেশিরভাগ ফিলিস্তিনি শ্রমিক কাজে ফিরতে চাইলেও ইসরাইল তাদের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করায় তারা কাজ হারিয়েছেন।#

সুত্র: পার্সটুডে




দেশের বিভিন্ন স্থানে ১২ ঘণ্টায় ১০ বাসে আগুন

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ১২ ঘণ্টায় অন্তত ১০টি বাসে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ছাড়া আওয়ামী লীগের একটি কার্যালয়েও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল এসব তথ্য জানিয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, শনিবার সন্ধ্যা সাতটা থেকে আজ রোববার সকাল সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে মোট ১২টি অগ্নিসংযোগের তথ্য পেয়েছে তারা।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের তথ্যানুযায়ী, গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকার গাউছিয়া মার্কেটের সামনে মিরপুর লিংক নামের একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়।

সন্ধ্যা ৭টা ৩৫ মিনিটে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে গ্রিন ইউনিভার্সিটির একটি বাসে আগুন দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।

সন্ধ্যা ৭টা ৫৫ মিনিটে রাজধানীর সায়েদাবাদের জনপথ মোড়ে রাইদা পরিবহন নামের বাসে দুর্বৃত্তরা আগুন দেয়।

রাত আটটায় রাজধানীর গুলিস্তানের পাতাল মার্কেটের সামনে মনজিল পরিবহন নামের একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়।

রাত ১১টা ৪২ মিনিটে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় অনাবিল নামের একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

দিবাগত রাত পৌনে ১২টায় ভোলার চরফ্যাশনের নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যমুনা এক্সপ্রেস নামের একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়।

দিবাগত রাত ২টা ৫৫ মিনিটে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাদলপুর আওয়ামী লীগের অফিসে আগুন দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।

দিবাগত রাত ৩টা ৫২ মিনিটে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের তিন রাস্তার মোড়ে গাড়ির পরিত্যক্ত টায়ারে আগুন দেওয়া হয়।

আজ ভোর ৪টায় রাজধানীর ডেমরার মাতুয়াইলের সাদ্দাম মার্কেট এলাকায় একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

প্রায় একই সময় রাজধানীর শ্যামপুরের জুরাইন বালুর মাঠ এলাকায় তুরাগ নামের একটি বাসে আগুন দেওয়া হয়।

ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে রাজধানীর মিরপুর ৬ নম্বরে একটি বাসে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।

সকাল ৬টা ২৪ মিনিটে গাজীপুরের ভোগরায় একটি বাসে আগুন দেওয়ার তথ্য পায় ফায়ার সার্ভিস।




দুর্গাপুরে রোটারী ক্লাবের ঘর পেলেন ১০ পরিবার

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে রোটারী ক্লাব অব গুলশান সেন্ট্রাল এর পক্ষ থেকে ‘‘রোটারী আলয়’’ শীর্ষক পরিবেশ বান্ধব ঘর পেলেন ১০ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ্য পরিবারের মাঝে এ ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়।

ঘর হস্তান্তরের পুর্বে স্থানীয় জেলা পরিষদ অডিটরিয়ামে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প উদ্বোধন এবং দুর্গাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে নেত্রকোনা – ১ আসনের নানা মুখি উন্নয়ন নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় করা হয়। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী রোটারিয়ান আতাউর রহমান খান আখির এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের কর কমিশনার রোটারিয়ান ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রোটারিয়ান মিয়া মোহাম্মদ এনায়েত উল্লাহ, এস এম এমদাদ হোসোইন, মহসীনা আহমেদ দীনা, মনজুরুল হক সোহেল, মহিউদ্দিন আলম, দীলিপ চক্রবর্ত্তী প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, রোটারি ক্লাব অব গুলশান, দীর্ঘদিন ধরে সারাদেশে মানবতার সেবায় কাজ করে আসছে। দেশের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি নানামুখি উন্নয়ন কার্যক্রমে সহায়তা করে থাকে রোটারি ক্লাব। নেত্রকোনা ১ আসনের বিভিন্ন এলাকায় রোটারিয়ান আখির এর দিক-নির্দেশনায় যুব সমাজ তথা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবন-মান উন্নয়নের লক্ষে নানামুখি কার্যক্রম গ্রহন করা হবে। এ কাজে সহায়তা করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন রোটারিয়ান ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী।




বহুল প্রতীক্ষিত বঙ্গবন্ধু টানেলের উদ্বোধন আজ

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত স্বপ্নের টানেল উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আজ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশের যোগাযোগ খাতে আরেকটি নতুন দিগন্তের সূচনা হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে নদীর তলদেশে টানেল যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ। আজ সকালে টানেলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। টানেল উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী আনোয়ারায় আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। আজ টানেল উদ্বোধন হলেও আগামীকাল তা যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতির ‘গেম চেঞ্জার’ হতে চলেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল। এ টানেলের মাধ্যমে দেশের শিল্পায়ন, পর্যটন, অর্থনীতিসহ অন্যান্য খাতে নতুন মাত্রা যুক্ত হচ্ছে। টানেল চালু হওয়ার ফলে দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হবে শূন্য দশমিক ১৬৬ শতাংশ। এ ছাড়া ফিন্যানশিয়াল এবং ইকোনমিক্যাল ‘বেনিফিট কস্ট রেশিও (বিসিআর)’-এর পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ১ দশমিক ০৫ এবং ১ দশমিক ৫০।

অর্থনীতিবিদ প্রফেসর ড. মইনুল ইসলাম বঙ্গবন্ধু টানেলকে অত্যন্ত দূরদর্শী একটি প্রকল্প বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, টানেলের কারণে চট্টগ্রামের মিরসরাই থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত অনেক শিল্পকারখানা গড়ে উঠবে। চট্টগ্রাম অঞ্চলে বিনিয়োগের বিশাল সম্ভাবনা তৈরি হবে, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে। যদিও এ টানেলের সুফল পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু টানেল দেশের অর্থনীতির অগ্রগতির জন্য যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে। এ টানেলের কারণে শিল্পায়ন, পর্যটন এবং অর্থনীতিসহ অন্যান্য খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

এই টানেলের মাধ্যমে চীনের সাংহাই শহরের আদলে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ হিসেবে রূপ নেবে বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলকে দেশের অর্থনীতির জন্য গেম চেঞ্জার হিসেবে মনে করা হচ্ছে। এ টানেল চালুর মাধ্যমে দেশের শিল্পায়ন, অর্থনীতি, পর্যটনসহ অন্যান্য খাতে নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে। টানেলকে কেন্দ্র করে কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড় আনোয়ারা উপজেলায় গড়ে উঠছে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল। নদীর অপর প্রান্তে শিল্পায়নের ফলে এ অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন হবে। পূর্ব প্রান্তে শিল্প-কারখানার কাঁচামাল ও প্রস্তুতকৃত পণ্য চট্টগ্রাম বন্দর, বিমানবন্দর এবং দেশের উত্তর- পশ্চিমাঞ্চলে পরিবহন প্রক্রিয়া সহজ হবে। নদীর পূর্বাঞ্চলে নতুন করে গড়ে উঠবে জাহাজশিল্প, ইলেকট্রনিক্স পণ্য, ফার্নেস ও সিমেন্ট শিল্প- কারখানাসহ নানা প্রতিষ্ঠান। টানেলের মাধ্যমে নির্মাণাধীন দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর ও মহেশখালীর আগামীর বাণিজ্যিক হাবের সঙ্গে যুক্ত হবে পুরো দেশ। এ ছাড়া নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন এলএনজি টার্মিনাল, এলপিজি টার্মিনাল, অয়েল টার্মিনাল, গ্যাস ট্রান্সমিশন, অয়েল রিফাইনারি, এনার্জি ও ফুড স্টোরেজ, ট্যুরিজম, এমব্যাঙ্কমেন্ট ও ওয়াটারফ্রন্ট ইকোনমিক জোন। এসব মেগা প্রকল্পে বিভিন্ন এলাকা থেকে পণ্য আনা-নেওয়ার জন্য প্রতিদিন চলাচল করবে শত শত গাড়ি। বঙ্গবন্ধু টানেলকে যাতায়াতের সহজ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। এ টানেলে শুধু দেশের যোগাযোগব্যবস্থা নয়, দক্ষিণ এশিয়ার যোগাযোগব্যবস্থায়ও প্রভাব ফেলবে। এ টানেলের মাধ্যমে দেশ যুক্ত হবে এশিয়ান হাইওয়ের সঙ্গে। এক সমীক্ষা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়- টানেল পুরোদমে চালু হলে প্রতিদিন গড়ে ১৭ হাজার ২৬০টি গাড়ি চলাচল করবে। বছরে সে সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াবে ৬৩ লাখ। ২০২৫ সালে টানেল দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ২৮ হাজার ৩০৫টি যানবাহন চলাচল করবে। যার মধ্যে অর্ধেক থাকবে পণ্যবাহী যানবাহন। ২০৩০ সাল নাগাদ প্রতিদিন গড়ে ৩৭ হাজার ৯৪৬টি এবং ২০৬৭ সাল নাগাদ ১ লাখ ৬২ হাজার যানবাহন চলাচলের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা আছে। টোলের পরিমাণ : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের ভিতর দিয়ে ১২ ধরনের যানের জন্য টোলের হার চূড়ান্ত করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। তবে টানেলের ভিতর দিয়ে মোটরসাইকেল কিংবা তিন চাকার কোনো যান চলাচল করতে পারবে না। গত জুলাই মাসে সেতু কর্তৃপক্ষের উপসচিব মো আবুল হাসান স্বাক্ষরিত গেজেট অনুযায়ী পিকআপ, কার ও জিপকে দিতে হবে ২০০ টাকা। মাইক্রোবাসকে পরিশোধ করতে হবে ৩০০ টাকা, ৫ টন ট্রাক, ৩২ আসন কিংবা বেশি বাসগুলোকে পরিশোধ করতে হবে ৪০০ টাকা। বাস (৩ এক্সেল) ৫০০ টাকা। ৫ থেকে ৮ টনের ট্রাকের ৫০০ টাকা, ৮ থেকে ১১ টনের ট্রাক ৬০০ টাকা, ৩ এক্সেলের ট্রাক বা ট্রেইলার ৮০০ টাকা, ৪ এক্সেলের ট্রাক বা ট্রেইলার ১০০০ টাকা, ৪ এক্সেলের বেশি হলে প্রতি এক্সেলের জন্য বাড়তি ২০০ টাকা করে টোল দিতে হবে।

চীনের সাংহাইয়ের ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’র আদলে চট্টগ্রাম শহর ও আনোয়ারাকে এক সূত্রে যুক্ত করতে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দিয়ে টানেল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৫ সালের নভেম্বরে প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পায়। ২০১৬ সালে প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি টানেলের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। বাংলাদেশ সরকার ও চাইনিজ এক্সিম ব্যাংক এ প্রকল্পে যৌথভাবে অর্থায়ন করেছে। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১০ হাজার ৬৯০ কোটি টাকা।




খানাখন্দ-কাঁদায় সড়কের বেহাল দশা, জনভোগান্তি চরমে

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি আঞ্চলিক মহাসড়কের বিরিশিরি হতে শান্তিপুর এলাকা পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার সড়কের বেহাল দশায় চরম জনভোগান্তি দেখা দিয়েছে। এই ভোগান্তি এক দিনের নয়,বছরের পর বছরের।
প্রধান এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিনই লাখো মানুষের জেলা শহর,বিভাগসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত। এই দুর্ভোগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সড়কের খানাখন্দ-কাদা ও যানজট। ভেজা ও অতিবোঝাই বালু পরিবহনে সড়ক নষ্ট হয়ে বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ আর বড় বড় গর্ত। এতে প্রতিনিয়ত যানজট লেগেই থাকছে। অন্যদিকে এইসব বালুর গাড়ি থেকে চুইয়ে পড়া পানিতে সবসময়ই সড়কটি কাদাপানিতে একাকার থাকে। ফলে সবাইকে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
এ সড়ক দিয়ে যেমন যেতে হয় জেলাশহর ও বিভাগ শহরে অপরপথে যেতে হয় উপজেলা সদর,অফিস-আদালতসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। তাছাড়া সোমেশ্বরী নদী,সাদামাটির পাহাড় ও পাহাড়ি প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এখানে সারাবছরই বেড়াতে আসেন বিপুলসংখ্যক পর্যটক। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোগান্তিতে পোহাতে হচ্ছে তাঁদেরও।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, এ পথের উপজেলার ১২ কিলোমিটার সড়কের প্রায় ৬ কিলোমিটার সড়কই বেহাল। খানাখন্দ আর কোথাও কোথাও প্রায় দুই ফুট গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সেই গর্তে জমেছে পানি। আর পুরো সড়ক জুড়ে কাদা আর কাদা। যেন পা ফেলাই দায়। ওই সড়কটি দিয়েই শত শত যানবাহনসহ মানুষ চরম দুর্ভোগ নিয়ে চলাচল করছেন।
এদিকে সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতায় সড়ক সংস্কারের অংশ হিসেবে ২৪শত মিটার পৃথক পৃথক স্থানে আরসিসি সড়ক নির্মাণের কাজ করা হচ্ছে। তবে সড়কের কিছু স্থানে এক পাশের কাজ শেষ হলেও ফেলে রাখা হয়েছে অন্যপাশের অংশটি। এতে সড়কের একপাশ দিয়ে যানবাহন চলাচলে দীর্ঘ সময়ের যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অসংখ্য যানবাহন চলাচল থাকায় সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রেখে এক সঙ্গে দুইপাশের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভেজা ও অতিরিক্ত বালু বহন করায় সড়কের বারটা বেজে গেছে। সর্বদাই কাদায় ডুবে থাকছে এবং দীর্ঘ সময় যানজট লেগে থাকে। এতে যাতায়াতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল আমিন জানান, কাঁদা আর ট্রাকের জ্যামে অতিষ্ঠ সবাই। আমার বাড়ি লক্ষীপুর থেকে দুর্গাপুর যেতে ২০ মিনিটের রাস্তা এখন দুই ঘন্টাও লাগে। এই দুরাবস্থা যেন দেখার কেউ নেই।
আব্দুল আলী জানান, সড়কটি দিয়ে অসুস্থ রোগী নিয়ে উপজেলা সদর হাসপাতালে যেতে হয়। তাছাড়াও জরুরি রোগীদের ময়মনসিংহ নিয়েও যেতে হয়। কিন্তু সড়কের এই অবস্থায় সময় মতো পৌঁছানোটাই ঝুঁকি হয়ে যায়।
এইচএসসি পরিক্ষার্থী উজ্জ্বল মিয়া জানান,বাড়ি থেকে সকাল সাড়ে ছয়টায় বের হই। সড়কের এই পরিস্থিতিতে অটোরিক্সাও যেতে চায় না । যার কারণে খুব কষ্ট হচ্ছে আর কতক্ষনে কেন্দ্রে পৌঁছাবো এই টেনশনে থাকি।
এ প্রসঙ্গে নেত্রকোনা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহমুদ আলনূর সালেহীন জানান, ওই সড়কে বালুর ট্রাক চলাচলে রাস্তা টিকিয়ে রাখায় মুসকিল হয়ে পড়েছে। মানুষের কষ্ট তো থাকছেই। সড়কের পৃথক পৃথক স্থানে মোট ২৪শত মিটার আর সিসি’র কাজ চলমান রয়েছে।
আরও জানান,সড়কের এক পাশের কাজ শেষ করে ২৮দিন পর অপর পাশের কাজ ধরতে হচ্ছে। এ সড়কে অনেক গাড়ি চলাচল রয়েছে তাই সড়ক বন্ধ রেখে কাজ করা যায় না।

আল নোমান শান্ত
০১৮১৪৬১৭৮৩৪




জারিয়া হইতে দুর্গাপুর রেললাইন সম্প্রসাণের দাবিতে মানববন্ধন

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

নেত্রকোনা জেলার জারিয়া হইতে দুর্গাপুর রেললাইন সম্প্রসাণ ও ঢাকা টু জারিয়া-ঝাঞ্জাইল আন্তঃনগর ট্রেন চালুর দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে।

সোমবার (৩১ জুলাই) দুপুরে দুর্গাপুরবাসীর আয়োজনে পৌরশহরের প্রেসক্লাব মোড়ে ঘন্টাব্যাপি এ মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে দুর্গাপুর প্রেসক্লাব সভাপতি নির্মলেন্দু সরকার বাবুলের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক জামাল তালুকদারের সঞ্চালনায় ট্রেনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন-দুর্গাপুর হিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ফারুক আহমেদ তালুকদার,উপজেলা সিপিবি’র সভাপতি আলকাছ উদ্দিন মীর,দুর্গাপুর ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ড. আব্দুর রাশীদ,নিরাপদ সড়ক চাই উপজেলা শাখার সভাপতি মো. নুরুল আলম,এনজিও কর্মকর্তা মো. সামছুল আলম খান,কৃষক নেতা মো. মোরশেদ আলম,সাংবাদিক জুয়েল রানা,আদিবাসী নেতা অবণী হাজং প্রমুখ।

মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য,অবিলম্বে জারিয়া ঝাঞ্জাইল – ঢাকা আন্তঃনগর ট্রেন চালু ও জারিয়া হতে দুর্গাপুর পর্যন্ত ট্রেনলাইন সম্প্রসাণের দাবিতে আজ দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে । এরই ধারাবাহিকতায় দুর্গাপুরবাসী মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।

নিজস্ব প্রতিনিধি:
আল নোমানশান্ত
৩১ জুলাই ২০২৩
০১৮১৪৬১৭৮৩৪




অসচ্ছল মুসলিমদের প্রশিক্ষণ দেবে আইডিবি, মিলবে ভাতা

ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক-বাংলাদেশ ইসলামিক সলিডারিটি এডুকেশন ওয়াক্ফ আইডিবি-বিআইএসইডব্লিউ ভোকেশনাল ট্রেনিং দেবে। এ জন্য দরখাস্ত আহ্বান করেছে।

আইডিবি ছয় বছর ধরে ভোকেশনাল স্কলারশিপের অধীনে বিভিন্ন ট্রেডে ছয় মাস মেয়াদি কারিগরি শিক্ষা প্রদান করে আসছে। আর্থিক কারণে পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়া দরিদ্র মুসলিম যুব সমাজকে দক্ষ ও পেশাদার পর্যায়ে উন্নীত করাই এ প্রোগ্রামের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৭৪১ জন এ স্কলারশিপের আওতায় ট্রেনিং করে দেশ-বিদেশে ২৪৮টির বেশি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।

সুযোগ-সুবিধা

ছয় মাস মেয়াদি (৭২০ ঘণ্টা) প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ;

থাকা-খাওয়াসহ সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে ট্রেনিং;

প্রশিক্ষণ চলাকালে মাসিক ৫০০ টাকা হাতখরচ;

চাকরি উপযোগী সিলেবাস ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ;

চাকরি পেতে সর্বাত্মক সহযোগিতা;

যেসব কোর্সে ট্রেনিং

ইলেকট্রিক্যাল ওয়ার্কস;

ইলেকট্রনিকস;

রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং;

ওয়েল্ডিং অ্যান্ড ফেব্রিকেশন;

মেশিনিস্ট;

আবেদনকারীর জন্য নির্দেশাবলি
শুধু সুবিধাবঞ্চিত মুসলিম প্রার্থীদের জন্য;

একজন প্রার্থী একবারই আবেদন করতে পারবেন;

জন্মতারিখ সঠিকভাবে প্রদান করতে হবে;

যেসব কাগজপত্র দরকার
জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসির ফল, ফল প্রকাশের বছর ও রোল নম্বর;

ফরম পূরণে আবেদনকারীকে মুঠোফোন নম্বর দিতে হবে ও সেটি যাচাইয়ে দ্বিতীয়বার কনফার্ম মুঠোফোন নম্বরের ঘরে লিখতে হবে;

পাসপোর্ট সাইজের ছবি আপলোড করতে হবে;

প্রবেশপত্র ছাড়া পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেওয়া হবে না;

ফরম সাবমিটের পর প্রবেশপত্র প্রিন্ট করতে হবে;

আবেদনের যোগ্যতা
সর্বনিম্ন অষ্টম শ্রেণি ও সর্বোচ্চ এসএসসি পাস হতে হবে;

১৮ থেকে ২৬ বছর বয়সীরা আবেদন করতে পারবেন;

বর্তমানে পড়াশোনার সঙ্গে যুক্ত প্রার্থীরা এই স্কলারশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন না (যাঁরা অনার্স/মাস্টার্স/ডিপ্লোমা শেষ করেছেন অথবা অধ্যয়নরত তাঁদের IsDB-BISEW IT Scholarship Programme-এর এক বছর মেয়াদি ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে IT Professional হওয়ার সুযোগ আছে);




ডিআইজি মিজানের ১৪ বছরের কারাদণ্ড

dnb news :

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানি লন্ডারিং আইনে দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলায় পুলিশের সাময়িক বরখাস্ত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার (২১ জুন) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মো. মঞ্জুরুল ইমামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চাকরিচ্যুত পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানসহ চারজনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার রায় আজ বুধবার ঘোষণা করা হবে। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক মঞ্জুরুল ইমাম রায় ঘোষণা করবেন।

গত ৫ জুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি-তর্ক শুনানি শেষ হওয়ার পর রায়ের তারিখ ঘোষণা করেন আদালত।

২০২০ সালের ২০ অক্টোবর ৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ওই বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ অভিযোগপত্র আমলে নেন। এরও আগে ৩০ জানুয়ারি দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ এই মামলার চার্জশিট দাখিল করেন।

২০১৯ সালের ২৪ জুন দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) দুদকের পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিআইজি মিজানসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়।

ঘুষ লেনদেনের এক মামলায় মিজানুর রহমানকে গত বছর তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।




ঈদযাত্রায় লঞ্চের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু

dnb news :

ঈদ সামনে রেখে ঢাকা-বরিশাল রুটের লঞ্চের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২০ জুন) সকাল ৭টায় বরিশাল নদীবন্দরে কাউন্টার থেকে ঈদের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয়।

যাত্রীরা বলেন, সড়কপথে ঝামেলা এড়াতে পরিবারসহ নৌপথকে বেছে নিচ্ছেন তারা। লঞ্চের আগাম টিকিট বিক্রি চললেও যাত্রীচাপ নেই।

লঞ্চসংশ্লিষ্টরা বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়াতে সড়কপথে যাত্রী চাপ বেশি হবে জানিয়ে নৌপথে যাত্রী আকর্ষণে নানা সুযোগ-সুবিধা দেয়া হচ্ছে। মোবাইলে নেয়া হচ্ছে বুকিং।

লঞ্চ মালিক সমিতির সহসভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, দুর্ঘটনা এড়াতে ঈদের পাঁচ দিন আগে ও পরে নদীতে বাল্কহেড চলাচল বন্ধের দাবি তোলা হয়েছে। সব দাবি মেনে নিয়েছেন তারা। আশা করছি, সুন্দর একটি ঈদ আমরা যাত্রীদের উপহার দিতে পারব।

বরিশাল নদীবন্দর কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক বলেন, আষাঢ় মাসে ঈদ হওয়ায় নিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

২৬ জুন থেকে বরিশাল-ঢাকা দুই প্রান্ত থেকে আটটি করে প্রতিদিন ১৬টি লঞ্চ চলাচল করবে।