বিএনপির নির্বাচিত এমপিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত দলীয় এমপিদের, বিশেষ করে প্রথমবার নির্বাচিতদের নিয়ে দুদিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করেছে বিএনপি। আয়োজিত এই কর্মশালা উদ্বোধনের ঘোষণা করেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত এই কর্মশালা।

কর্মশালায় প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত আছেন সাবেক আমলা, অ্যাকাডেমিশিয়ান ও সাবেক সংসদ সদস্যরা। এতে সংসদীয় কার্যক্রম, বিল-বাজেট, স্থায়ী কমিটির কাজসহ বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা দেয়া হচ্ছে। দুদিনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এমপিদের দায়িত্ব, মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংসদীয় রেওয়াজ ও মন্ত্রণালয় পরিচালনায় দক্ষ করে তুলতে কৌশলগত ভূমিকা কেমন হবে, তা তুলে ধরা হবে।




১৫৭ নেত্রকোণা-১ আসনে জামানত হারালেন চার প্রার্থী

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫৭ নেত্রকোণা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনে ৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মোঃ আলকাছ উদ্দীন মীর, জাতীয় পার্টির আনোয়ার হোসেন খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোঃ আব্দুল মান্নান সোহাগ, জেএসডি’র ইঞ্জিনিয়ার মোঃ বেলাল হোসেন।

নির্বাচন কমিশনের পরিপত্র বা তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনে দুর্গাপুর উপজেলার ৬১ ও কলমাকান্দা উপজেলার ৬৩টি ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জনের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩০ হাজার ২৪৯ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৩৬ ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন।

আসনটিতে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৯২১ টি। বাতিল ভোট ৬ হাজার ৪২৫টি। বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৫১ হাজার ৪৯৬ টি। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৫৭.৩। সে অনুযায়ী একজন প্রার্থীর জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩১ হাজার ৪৩৭ ভোট। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৬জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী তাঁদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন।

এই আসনে বাকি ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে মো. আলকাছ উদ্দিন মীর (কাস্তে প্রতিকে) ৪,৩৫৮, মো. আব্দুল মান্নান (হাতপাখা প্রতিকে) ২,২০১, মো. আনোয়ার হোসেন খান (লাঙ্গল প্রতিকে) ১,০০৭ এবং মো. বেলাল হোসেন (তারা প্রতিকে) ৩৩৪ ভোট পাওয়ায় ওই চার প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে বলে জানিয়েছেন দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার আফরোজা আফসানা।




নেত্রকোনা ১ আসন (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) কে মডেল আসন হিসেবে গড়ে তুলবো-ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

সবার আগে বাংলাদেশ, আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী, বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে জুলাই যোদ্ধাদের পরিবারে ঢাল হিসেবে কাজ করবে, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের কল্যানে কাজ করবে, আগামী নির্বাচন তারেক রহমানকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করার নির্বাচন। সেইসাথে মাদক, কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিংএর মুলোৎপাটন করে দুর্নীতিতে বিদায় জানাতে কাজ করবে বিএনপি, নেত্রকোনা ১ আসন (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) কে মডেল আসন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবে। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, দুর্গাপুর উপজেলা ও পৌরবিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন, নেত্রকোনা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, কেন্দ্রীয় বিএনপি‘র আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে সুসং সরকারি মহাবিদ্যালয় মাঠে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা হাজার হাজার সাধারণ ভোটারগণ তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা, প্রত্যাশা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সহ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি নির্বাচিত হলে কি কি কাজ করবেন তা তুলে ধরেন।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, একটি দল সাধারণ মানুষের কাছে জান্নাতে যাওয়ার জন্য ভোট চাইছেন, এই ধরনের নাযায়েজ কথা শোনা থেকে সকলকে বিরত থাকতে হবে। আগামী নির্বাচন আমাদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জের নির্বাচন। এই জাতিধর্ম নির্বিশেষে সকলকে রক্ষা করার চ্যালেঞ্জ। তারেক রহমান ঘোষিত উন্নয়ন–ভিশন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সীমান্ত অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অবহেলা দূর করার চ্যালেঞ্জ। মুসলমান ভাইদের ঈমান রক্ষার চ্যালেঞ্জ। কাজেই আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট দেয়ার আহবান জানান তিনি।

বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, অত্র এলাকার তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে, কৃষকদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং সীমান্ত এলাকায় পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। আমি আপনাদের কাছে যে ওয়াদাগুলো দিচ্ছি, আমাকে নির্বাচিত করুন, আমি তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবো ইনশাআল্লাহ্।

অতীতে কোন সরকার শ্রমিকদের কল্যানে কাজ করেনি, বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, সেই ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করে বিভিন্ন সরকারি ভাতা ও কার্ড পেতে দলীয় নেতা বা জনপ্রতিনিধিকে তোষামোদ করতে হবে না। আমি ক্ষমতার রাজনীতি করতে আসিনি, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে এসেছি। যতদিন রাজনীতিতে থাকবো, ততদিন ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের সংগ্রাম চালিয়ে যাবো। আমি আল্লাহর নামে শপথ করে বলছি, নেত্রকোনা- ১ আসনকে একটি শ্রমিকবান্ধব, দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলবো।

নির্বাচনী জনসভায় বিপুল সংখ্যক সাধারণ ভোটার, বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, জমিয়তে ইসলাম ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, বীরমুক্তিযোদ্ধাগণ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। ব্যারিস্টার কায়সার কামালের বক্তব্য শুনে, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি করেন ভোটারগণ।




নেত্রকোনা ১ আসনে  রিক্সা মার্কার প্রার্থী  গোলাম রাব্বানীকে বিজয় নিশ্চিত করতে আহবান, দুর্গাপুরে আল্লামা মামুনুল হক

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, দেশ বর্তমানে দুইটি ভাগে বিভক্ত, একদিকে এগারোটি দল আর অন্য দিকে একটি দল। গুন্ডা-মান্তান দিয়ে ভোটকেন্দ্র দখল করে ব্যালট পেপার ছিনতাই করার দিন শেষ হয়ে গেছে। কেউ যদি ব্যালটের রায় পরিবর্তনের চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় সুসং সরকারি মহাবিদ্যালয় মাঠে এগারো দলীয় এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নেত্রকোনা জেলা শাখার সভাপতি আল্লামা জিয়া উদ্দীন সাহেব (দা: বা:) এর সভাপতিত্বে, অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, এনসিপি‘র কেন্দ্রীয় নেতা প্রিতম সোহাগ, ফয়সাল মাহমুদ, ছাত্র শিবির জাবি শাখার সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন, জামায়েতে ইসলামী জেলা শাখার আমীর অধ্যাপক মাও: সাদেক আহমাদ হারিছ, কলমাকান্দা উপজেলা শাখার আমীর অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাসিম, দুর্গাপুর উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক, ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী গোলাম রব্বানী সহ অন্যন্য নেতাকর্মী ও আলেম মাশায়েকগণ বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘‘১১ দলীয় ঐক্যজোট গঠিত হয়েছে একক নেতার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য নয়, কোন একটি দলের স্বার্থ উদ্ধার করার জন্য নয়, দলের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নয়, গঠিত হয়েছে বাংলার মানুষের ভাগ্য গড়বার জন্য, ১১ দল নিজের দলের প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন করছে না, নির্বাচন করছে ইনছাফের বাংলাদেশ গড়ার জন্য। কোন চাঁদাবাজ, ‘‘টেন্ডারবাজের কাছে ভোটকেন্দ্র ছেড়ে দেয়া যাবে না। দেশের সম্পদ বিদেশে পাচারের জন্য যারা নির্বাচন করছে তাদের ভোট দিবেন না। নির্বাচনের দিন সকলেই সকাল সকাল ভোট কেন্দ্রে যাবেন এবং আমাদের সমমনা মানুষের ভোট কাস্টিং করাবেন।

বক্তারা আরো বলেন, জুলাইয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই ১১ দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, বিদেশী আধিপত্যবাদী শক্তি যুগের পর যুগ বছরের পর বছর বাংলার মানুষের মাথার ওপর তাদের দোসর এবং সেবা দাসদেরকে বসিয়ে বাংলাদেশ থেকে তারা রক্ত চুষে খেয়েছে, ধনসম্পদ লুটেপুটে খেয়েছে, এক দোসরের দিন শেষ হলে নতুন করে আরেক দোসরকে বসানোর পায়তারা চালিয়েছে। এবার বাংলার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, আর কোন দোসরের চেহারা দেশাবাসী দেখতে চায় না, আলেমদের নিয়ে যা খুশি তা বলা শুরু করেছে। আমরা কোন মন্তব্য না করে ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। নেত্রকোনা ১ আসনে  রিক্সা মার্কার প্রার্থী  গোলাম রাব্বানীকে বিজয় নিশ্চিত এবং ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে আহবান জানানো হয়।

প্রধান অতিথি আল্লামা মামুনুল হক বলেন, ‘স্বাধীন বাংলার মানুষের ন্যায় ও ইনসাফের স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। গত ৫৪ বছর ধরে শাসনের নামে এ দেশের মানুষের ওপর শোষণ চালানো হয়েছে এবং মানুষের বিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লব বাস্তবায়ন করতে, শহিদদের রক্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং শরীফ ওসমান হাদির মতো যোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য গণভোটে ‘‘হ্যাঁ’’ বাক্সে সিল দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। সভা শেষে মোনাজাতের মাধ্যমে জনসভা সমাপ্ত করা হয়।




আমার প্রতি আস্থা রেখে ভোট দিন, প্রতিটি ওয়াদাই পালন করবো দুর্গাপুরে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, আলেম উলামাদের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করবে। স্থানীয়ভাবে মাদরাসার শিক্ষকদের কাজে লাগানো হবে। সেইসাথে মাদক, কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিংএর মুলোৎপাটন করা হবে, আমি দুর্নীতি করবো না, কাউকে দুর্নীতি করতেও দেবো না। একমাত্র বিএনপি‘র কাছেই আলেম উলামাগণ সম্পুর্ন নিরাপদ। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, উলামা মাশায়েখ সম্মেলনে এই কথা বলেছেন, নেত্রকোনা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, কেন্দ্রীয় বিএনপি‘র আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে স্থানীয় শহীদ মিনার চত্বরে, উপজেলা বিএনপি ও উপজেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এর আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শত শত আলেম উলামা ও সাধারণ ভোটারগণ তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা, প্রত্যাশা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সহ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি নির্বাচিত হলে কি কি কাজ করবেন সেই প্রশ্ন তুলে ধরেন।

উলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে জমিয়তের জেলা শাখার সভাপতি  মাওলানা মুফতি তাহের কাসেমী সাহেব এর সভাপতিত্বে এনায়েত উল্লাহ্ খানের সঞ্চালনায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ ইমাম হাসান আবুচান, পৌর বিএনপি সভাপতি আতাউর রহমান ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক হারেজ গণি, মুফতি আবুল কাশেম সাদী, হযরত মাওলানা মফিজুর রহমান, হাফেজ আবুল কাশেম,  মাওলানা রুহুল আমীন নগরী, মাওলানা এ কে এম জহিরুল হক, মাওলানা আব্দুস সালাম প্রমুখ। এছাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম উপজেলা ও পৌর শাখার নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা সবাই বাংলাদেশী। আলেম উলামাগন আমাদের জনগোষ্ঠীর একটা পার্ট। বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে আলেম উলামাদের নিয়ে জনকল্যানমুলক কাজ করবে। এলাকা থেকে মাদক, কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিং চিরতরে নির্মুল করার পদক্ষেপ নিবে। ইউনিয়ন ভিত্তিক মসজিদ-মাদরাসা গুলোতে দ্বীনি শিক্ষায় নিয়োজিত করে আলেম উলামাদের জন্য কাজ করা হবে। বিজ্ঞান ভিত্তিক কৃষিকাজের প্রকল্প হাতে নিয়ে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের কাজে লাগানো হবে।

তিনি আরো বলেন, মাদকের কারণে শুধু দুর্গাপুর নয়, কলমাকান্দা উপজেলারও অনেক পরিবার আজ ক্ষতিগ্রস্ত। আমি যেদিন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি, সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছি, আপনারা যদি আমাকে এলাকায় কাজ করার সুযোগ দেন আর আমি যদি এমপি নির্বাচিত হই, তাহলে মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকবে। এছাড়া দুর্গাপুরে অনার্স কোর্স চালু, ও খেলাধুলার পরিবেশ তৈরী করার বিষয়ে সহায়তা করবেন বলে তিনি ওয়াদা করেন। আমার প্রতি আস্থা রেখে ভোট দিন, আমার দেয়া প্রতিটি ওয়াদাই পালন করবো ইনশাআল্লাহ্। আর যদি ওয়াদা গুলো পুরণ করতে না পারি তাহলে আর কোনদিন আসবো না ভোট চাইতে।




দুটি প্রথাগত রাজপরিবারের হাতে দেশের মানুষ তাদের ভাগ্য বন্ধক দিতে রাজি নয়: মামুনুল হক

কোনো মুনাফিক গোষ্ঠী বাংলাদেশ শাসন করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনি সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য স্থানীয় এইচজে সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করে।

মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশের দুটি প্রথাগত রাজপরিবারের হাতে দেশের মানুষ আর তাদের ভাগ্য বন্ধক দিতে রাজি নয়।

একটি দল গণভোটে প্রকাশ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোটের কথা বললেও গোপনে ‘না’-এর জন্য প্রচারণা চালায় দাবি করে মামুনুল হক বলেন, ‘কেউ প্রকাশ্যে এক কথা আর গোপনে আরেক কথা বললে তাকে কী বলা যায়? আর কোনো মুনাফিক গোষ্ঠী বাংলাদেশ শাসন করতে পারবে না। বাংলার মানুষ আর তাদের মেনে নেবে না।’

‘তারা নিজেদের ঘৃণ্য পরাজয় দেখতে পেয়ে, ভীরু-কাপুরুষের মতো নারীদের গায়ে হাত তোলার মতো ঘৃণ্য কাজ করে যাচ্ছে। কেউ যদি আমার মায়ের দিকে, বোনের দিকে ভিন্ন দৃষ্টিতে তাকায়, কেউ যদি মেয়েদের হিজাব নিয়ে টানাটানি করে, আপনারা তার হাত ভেঙে দেবেন, চোখ উপড়ে দেবেন,’ যোগ করেন তিনি।

খেলাফত মজলিসের আমির সতর্ক করে দেন- যদি আর নারী সমাজের গায়ে হাত তোলা হয়, তাহলে যে আগুন জ্বলবে, সে আগুন নেভানোর কেউ থাকবে না।

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা ভোট দেবেন, পাহারাদারি করবেন। কোনো ভোটচোর চুরি করতে আসলে তাদের প্রতিহত করতে হবে।’




দুর্গাপুর প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আনোয়ার হোসেন খান শান্ত’র মতবিনিময়

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন খান শান্ত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভা করেছেন।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে দুর্গাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​মতবিনিময় সভায় আনোয়ার হোসেন খান শান্ত বলেন, “দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আধুনিকায়নসহ অতীতের সব বড় উন্নয়ন জাতীয় পার্টির আমলেই হয়েছে। উন্নয়নের এই ধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এবং কৃষি ও কারিগরি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এলাকার রূপরেখা বদলে দিতে আগামী নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দিতে ভোটারদের আহবান জানান।

​নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমরা একটি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। জনগণের ভোটে যিনি নির্বাচিত হবেন, তাকেই আমরা স্বাগত জানাব। কিন্তু নির্বাচনের নামে কোনো ধরনের প্রহসন হলে ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করবে না।”

এসময় তিনি নির্বাচন যাতে অবাধ  সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, সেজন্য সাংবাদিকদের সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানান।

​বক্তব্যে তিনি এলাকার উন্নয়নে বেশ কিছু পরিকল্পনার কথা জানান- ​দুর্গাপুরে অনার্স কোর্স চালুকরণ, চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূল, উন্নত নগরায়ন, আদিবাসী সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ, যুব সমাজকে উপযুক্ত কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা গ্রহণ ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

​সভায় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জাতীয় পার্টি দুর্গাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি ফেরদৌস আলম খান এবং পৌর শাখার সভাপতি মো. নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।




কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আমির হামজার বিরুদ্ধে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ঝিনাইদহ সদর আমলী আদালতে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে। জানা গেছে, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় এ মামলা করা হয়েছে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে আব্দুল আলীম নামের এক আইনজীবী মামলাটি দায়ের করেন। এ সময় আদালতের বিচারক মখলেসুর রহমান পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার বাদী ও আইনজীবী আব্দুল আলিম বলেন, সম্প্রতি আমির হামজা বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তার সন্তান আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছে। যা জিয়া পরিবারের সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। বিএনপি সহ আমাদের সবার মানহানি হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ ও সঠিক বিচার দাবিতে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। আমরা চাই আইনগতভাবেই আমির হামজার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।




মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়েই নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার শুরু করতে সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলীয় রেওয়াজ অনুযায়ী তিনি মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়েই নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাত ৮টার পর ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে মাজারের উদ্দেশে রওনা হয়ে রাত সোয়া ৯টার দিকে সেখানে পৌঁছান তারেক রহমান। শাহজালালের মাজার জিয়ারতের পর তিনি খাদিমনগরে হযরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন।

দুই মাজার জিয়ারত শেষে তিনি দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের বিরাইমপুর গ্রামে তার শ্বশুর প্রয়াত মাহবুব আলী খানের বাড়িতে যান। সেখানে কিছু সময় অবস্থানের পর শহরের গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে রাত্রিযাপন করেন।

২২ বছর আগে সিলেট জেলা বিএনপির কর্মী সম্মেলনে অংশ নিতে এসে তারেক রহমান তখন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। সে সময় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শাহজালাল ও শাহপরাণের মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার শুরু করতেন। মায়ের অনুসৃত সেই পথ ধরেই দীর্ঘ ১৭ বছর যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত জীবন কাটানোর পর এবার তারেক রহমান দেশে ফিরে একইভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন। গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন।




মঞ্চের আসন ছেড়ে জুলাইযোদ্ধাকে কাছে ডেকে নিলেন তারেক রহমান

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

রাজধানীর ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে রোববার (১৮ জানুয়ারি) এক আবেগঘন পরিবেশের অবতারণা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্ধারিত মতবিনিময় সভায় মঞ্চের প্রটোকল ভেঙে জুলাইযোদ্ধাদের কাছে ডেকে নেন।

বেলা সকাল ১১টায় শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন তারেক রহমান। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে দেখা যায় এক অনন্য মানবিক দৃশ্য।

মঞ্চে নিজের নির্ধারিত আসন ছেড়ে মঞ্চের কোনায় আসেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। সে সময় তিনি জুলাই বিপ্লবে এক আহতকে কাছে ডেকে নেন। 

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। উপস্থিত আছেন বিএনপির চেয়ারম্যানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।

এর আগে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজধানীর একটি সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘মায়ের ডাক’ ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’।

পরপর এই দুটি মতবিনিময় সভার মাধ্যমে রাজনৈতিক সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অভিজ্ঞতা শোনা এবং তাদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি।