নেত্রকোনা ১ আসনে  রিক্সা মার্কার প্রার্থী  গোলাম রাব্বানীকে বিজয় নিশ্চিত করতে আহবান, দুর্গাপুরে আল্লামা মামুনুল হক

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, দেশ বর্তমানে দুইটি ভাগে বিভক্ত, একদিকে এগারোটি দল আর অন্য দিকে একটি দল। গুন্ডা-মান্তান দিয়ে ভোটকেন্দ্র দখল করে ব্যালট পেপার ছিনতাই করার দিন শেষ হয়ে গেছে। কেউ যদি ব্যালটের রায় পরিবর্তনের চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় সুসং সরকারি মহাবিদ্যালয় মাঠে এগারো দলীয় এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নেত্রকোনা জেলা শাখার সভাপতি আল্লামা জিয়া উদ্দীন সাহেব (দা: বা:) এর সভাপতিত্বে, অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, এনসিপি‘র কেন্দ্রীয় নেতা প্রিতম সোহাগ, ফয়সাল মাহমুদ, ছাত্র শিবির জাবি শাখার সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন, জামায়েতে ইসলামী জেলা শাখার আমীর অধ্যাপক মাও: সাদেক আহমাদ হারিছ, কলমাকান্দা উপজেলা শাখার আমীর অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাসিম, দুর্গাপুর উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক, ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী গোলাম রব্বানী সহ অন্যন্য নেতাকর্মী ও আলেম মাশায়েকগণ বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘‘১১ দলীয় ঐক্যজোট গঠিত হয়েছে একক নেতার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য নয়, কোন একটি দলের স্বার্থ উদ্ধার করার জন্য নয়, দলের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নয়, গঠিত হয়েছে বাংলার মানুষের ভাগ্য গড়বার জন্য, ১১ দল নিজের দলের প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন করছে না, নির্বাচন করছে ইনছাফের বাংলাদেশ গড়ার জন্য। কোন চাঁদাবাজ, ‘‘টেন্ডারবাজের কাছে ভোটকেন্দ্র ছেড়ে দেয়া যাবে না। দেশের সম্পদ বিদেশে পাচারের জন্য যারা নির্বাচন করছে তাদের ভোট দিবেন না। নির্বাচনের দিন সকলেই সকাল সকাল ভোট কেন্দ্রে যাবেন এবং আমাদের সমমনা মানুষের ভোট কাস্টিং করাবেন।

বক্তারা আরো বলেন, জুলাইয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই ১১ দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, বিদেশী আধিপত্যবাদী শক্তি যুগের পর যুগ বছরের পর বছর বাংলার মানুষের মাথার ওপর তাদের দোসর এবং সেবা দাসদেরকে বসিয়ে বাংলাদেশ থেকে তারা রক্ত চুষে খেয়েছে, ধনসম্পদ লুটেপুটে খেয়েছে, এক দোসরের দিন শেষ হলে নতুন করে আরেক দোসরকে বসানোর পায়তারা চালিয়েছে। এবার বাংলার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, আর কোন দোসরের চেহারা দেশাবাসী দেখতে চায় না, আলেমদের নিয়ে যা খুশি তা বলা শুরু করেছে। আমরা কোন মন্তব্য না করে ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। নেত্রকোনা ১ আসনে  রিক্সা মার্কার প্রার্থী  গোলাম রাব্বানীকে বিজয় নিশ্চিত এবং ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে আহবান জানানো হয়।

প্রধান অতিথি আল্লামা মামুনুল হক বলেন, ‘স্বাধীন বাংলার মানুষের ন্যায় ও ইনসাফের স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। গত ৫৪ বছর ধরে শাসনের নামে এ দেশের মানুষের ওপর শোষণ চালানো হয়েছে এবং মানুষের বিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লব বাস্তবায়ন করতে, শহিদদের রক্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং শরীফ ওসমান হাদির মতো যোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য গণভোটে ‘‘হ্যাঁ’’ বাক্সে সিল দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। সভা শেষে মোনাজাতের মাধ্যমে জনসভা সমাপ্ত করা হয়।




আমার প্রতি আস্থা রেখে ভোট দিন, প্রতিটি ওয়াদাই পালন করবো দুর্গাপুরে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, আলেম উলামাদের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করবে। স্থানীয়ভাবে মাদরাসার শিক্ষকদের কাজে লাগানো হবে। সেইসাথে মাদক, কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিংএর মুলোৎপাটন করা হবে, আমি দুর্নীতি করবো না, কাউকে দুর্নীতি করতেও দেবো না। একমাত্র বিএনপি‘র কাছেই আলেম উলামাগণ সম্পুর্ন নিরাপদ। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, উলামা মাশায়েখ সম্মেলনে এই কথা বলেছেন, নেত্রকোনা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, কেন্দ্রীয় বিএনপি‘র আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে স্থানীয় শহীদ মিনার চত্বরে, উপজেলা বিএনপি ও উপজেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এর আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শত শত আলেম উলামা ও সাধারণ ভোটারগণ তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা, প্রত্যাশা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সহ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি নির্বাচিত হলে কি কি কাজ করবেন সেই প্রশ্ন তুলে ধরেন।

উলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে জমিয়তের জেলা শাখার সভাপতি  মাওলানা মুফতি তাহের কাসেমী সাহেব এর সভাপতিত্বে এনায়েত উল্লাহ্ খানের সঞ্চালনায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ ইমাম হাসান আবুচান, পৌর বিএনপি সভাপতি আতাউর রহমান ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক হারেজ গণি, মুফতি আবুল কাশেম সাদী, হযরত মাওলানা মফিজুর রহমান, হাফেজ আবুল কাশেম,  মাওলানা রুহুল আমীন নগরী, মাওলানা এ কে এম জহিরুল হক, মাওলানা আব্দুস সালাম প্রমুখ। এছাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম উপজেলা ও পৌর শাখার নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা সবাই বাংলাদেশী। আলেম উলামাগন আমাদের জনগোষ্ঠীর একটা পার্ট। বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে আলেম উলামাদের নিয়ে জনকল্যানমুলক কাজ করবে। এলাকা থেকে মাদক, কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিং চিরতরে নির্মুল করার পদক্ষেপ নিবে। ইউনিয়ন ভিত্তিক মসজিদ-মাদরাসা গুলোতে দ্বীনি শিক্ষায় নিয়োজিত করে আলেম উলামাদের জন্য কাজ করা হবে। বিজ্ঞান ভিত্তিক কৃষিকাজের প্রকল্প হাতে নিয়ে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের কাজে লাগানো হবে।

তিনি আরো বলেন, মাদকের কারণে শুধু দুর্গাপুর নয়, কলমাকান্দা উপজেলারও অনেক পরিবার আজ ক্ষতিগ্রস্ত। আমি যেদিন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি, সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছি, আপনারা যদি আমাকে এলাকায় কাজ করার সুযোগ দেন আর আমি যদি এমপি নির্বাচিত হই, তাহলে মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকবে। এছাড়া দুর্গাপুরে অনার্স কোর্স চালু, ও খেলাধুলার পরিবেশ তৈরী করার বিষয়ে সহায়তা করবেন বলে তিনি ওয়াদা করেন। আমার প্রতি আস্থা রেখে ভোট দিন, আমার দেয়া প্রতিটি ওয়াদাই পালন করবো ইনশাআল্লাহ্। আর যদি ওয়াদা গুলো পুরণ করতে না পারি তাহলে আর কোনদিন আসবো না ভোট চাইতে।




দুটি প্রথাগত রাজপরিবারের হাতে দেশের মানুষ তাদের ভাগ্য বন্ধক দিতে রাজি নয়: মামুনুল হক

কোনো মুনাফিক গোষ্ঠী বাংলাদেশ শাসন করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনি সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য স্থানীয় এইচজে সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করে।

মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশের দুটি প্রথাগত রাজপরিবারের হাতে দেশের মানুষ আর তাদের ভাগ্য বন্ধক দিতে রাজি নয়।

একটি দল গণভোটে প্রকাশ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোটের কথা বললেও গোপনে ‘না’-এর জন্য প্রচারণা চালায় দাবি করে মামুনুল হক বলেন, ‘কেউ প্রকাশ্যে এক কথা আর গোপনে আরেক কথা বললে তাকে কী বলা যায়? আর কোনো মুনাফিক গোষ্ঠী বাংলাদেশ শাসন করতে পারবে না। বাংলার মানুষ আর তাদের মেনে নেবে না।’

‘তারা নিজেদের ঘৃণ্য পরাজয় দেখতে পেয়ে, ভীরু-কাপুরুষের মতো নারীদের গায়ে হাত তোলার মতো ঘৃণ্য কাজ করে যাচ্ছে। কেউ যদি আমার মায়ের দিকে, বোনের দিকে ভিন্ন দৃষ্টিতে তাকায়, কেউ যদি মেয়েদের হিজাব নিয়ে টানাটানি করে, আপনারা তার হাত ভেঙে দেবেন, চোখ উপড়ে দেবেন,’ যোগ করেন তিনি।

খেলাফত মজলিসের আমির সতর্ক করে দেন- যদি আর নারী সমাজের গায়ে হাত তোলা হয়, তাহলে যে আগুন জ্বলবে, সে আগুন নেভানোর কেউ থাকবে না।

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা ভোট দেবেন, পাহারাদারি করবেন। কোনো ভোটচোর চুরি করতে আসলে তাদের প্রতিহত করতে হবে।’




দুর্গাপুর প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আনোয়ার হোসেন খান শান্ত’র মতবিনিময়

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন খান শান্ত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভা করেছেন।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে দুর্গাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​মতবিনিময় সভায় আনোয়ার হোসেন খান শান্ত বলেন, “দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আধুনিকায়নসহ অতীতের সব বড় উন্নয়ন জাতীয় পার্টির আমলেই হয়েছে। উন্নয়নের এই ধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এবং কৃষি ও কারিগরি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এলাকার রূপরেখা বদলে দিতে আগামী নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দিতে ভোটারদের আহবান জানান।

​নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমরা একটি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। জনগণের ভোটে যিনি নির্বাচিত হবেন, তাকেই আমরা স্বাগত জানাব। কিন্তু নির্বাচনের নামে কোনো ধরনের প্রহসন হলে ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করবে না।”

এসময় তিনি নির্বাচন যাতে অবাধ  সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, সেজন্য সাংবাদিকদের সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানান।

​বক্তব্যে তিনি এলাকার উন্নয়নে বেশ কিছু পরিকল্পনার কথা জানান- ​দুর্গাপুরে অনার্স কোর্স চালুকরণ, চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূল, উন্নত নগরায়ন, আদিবাসী সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ, যুব সমাজকে উপযুক্ত কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা গ্রহণ ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

​সভায় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জাতীয় পার্টি দুর্গাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি ফেরদৌস আলম খান এবং পৌর শাখার সভাপতি মো. নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।




কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আমির হামজার বিরুদ্ধে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ঝিনাইদহ সদর আমলী আদালতে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে। জানা গেছে, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় এ মামলা করা হয়েছে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে আব্দুল আলীম নামের এক আইনজীবী মামলাটি দায়ের করেন। এ সময় আদালতের বিচারক মখলেসুর রহমান পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার বাদী ও আইনজীবী আব্দুল আলিম বলেন, সম্প্রতি আমির হামজা বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তার সন্তান আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছে। যা জিয়া পরিবারের সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। বিএনপি সহ আমাদের সবার মানহানি হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ ও সঠিক বিচার দাবিতে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। আমরা চাই আইনগতভাবেই আমির হামজার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।




মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়েই নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার শুরু করতে সিলেটে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলীয় রেওয়াজ অনুযায়ী তিনি মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়েই নির্বাচনি কার্যক্রম শুরু করেন।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাত ৮টার পর ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে মাজারের উদ্দেশে রওনা হয়ে রাত সোয়া ৯টার দিকে সেখানে পৌঁছান তারেক রহমান। শাহজালালের মাজার জিয়ারতের পর তিনি খাদিমনগরে হযরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করবেন।

দুই মাজার জিয়ারত শেষে তিনি দক্ষিণ সুরমা উপজেলার সিলাম ইউনিয়নের বিরাইমপুর গ্রামে তার শ্বশুর প্রয়াত মাহবুব আলী খানের বাড়িতে যান। সেখানে কিছু সময় অবস্থানের পর শহরের গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে রাত্রিযাপন করেন।

২২ বছর আগে সিলেট জেলা বিএনপির কর্মী সম্মেলনে অংশ নিতে এসে তারেক রহমান তখন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। সে সময় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া শাহজালাল ও শাহপরাণের মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার শুরু করতেন। মায়ের অনুসৃত সেই পথ ধরেই দীর্ঘ ১৭ বছর যুক্তরাজ্যে নির্বাসিত জীবন কাটানোর পর এবার তারেক রহমান দেশে ফিরে একইভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন। গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন।




মঞ্চের আসন ছেড়ে জুলাইযোদ্ধাকে কাছে ডেকে নিলেন তারেক রহমান

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

রাজধানীর ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে রোববার (১৮ জানুয়ারি) এক আবেগঘন পরিবেশের অবতারণা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্ধারিত মতবিনিময় সভায় মঞ্চের প্রটোকল ভেঙে জুলাইযোদ্ধাদের কাছে ডেকে নেন।

বেলা সকাল ১১টায় শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন তারেক রহমান। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে দেখা যায় এক অনন্য মানবিক দৃশ্য।

মঞ্চে নিজের নির্ধারিত আসন ছেড়ে মঞ্চের কোনায় আসেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা। সে সময় তিনি জুলাই বিপ্লবে এক আহতকে কাছে ডেকে নেন। 

মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। উপস্থিত আছেন বিএনপির চেয়ারম্যানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।

এর আগে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় করেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রাজধানীর একটি সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘মায়ের ডাক’ ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’।

পরপর এই দুটি মতবিনিময় সভার মাধ্যমে রাজনৈতিক সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর অভিজ্ঞতা শোনা এবং তাদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি।




বিএনপি ক্ষমতায় আসলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের বিশেষ ভাতা দেওয়া হবে-সালাহউদ্দিন আহমদ

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের বিশেষ ভাতা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে কোরআন সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন পাস করবে না। কওমি মাদ্রাসা থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, জমিয়তের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতার ভিত্তিতে ৪টি আসনে বিএনপি প্রার্থী দেবে না।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেবে না। এখানে কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে দল ব্যবস্থা নেবে।

জমিয়তের জন্য ছেড়ে দেওয়া আসনগুলো হলো: নীলফামারী-১ থেকে মনজুরুল ইসলাম আফেন্দী, নারায়ণগঞ্জ-৪ থেকে মনির হোসাইন কাসেমী, সিলেট-৫ থেকে আমির উবায়দুল্লাহ ফারুক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ থেকে জুনায়েদ আল হাবিব।

জানা গেছে, জমিয়ত প্রাথমিকভাবে ৫টি আসনের দাবি জানালেও বিএনপি ৩টি আসনে সম্মত হয়। পরে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুপারিশে আরও ১টি আসন বাড়িয়ে মোট ৪টি করা হয়।




ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আসন ভাগাভাগির আলোচনায় আট দল

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলনসহ আটটি দল একসঙ্গে কয়েকটি দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। এবার দলগুলো আগামী নির্বাচনে একবাক্স দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।

আটটি দল একসঙ্গে হলেও তারা এটাকে কোনো জোট বলতে নারাজ। তারা এটাকে নির্বাচনি সমঝোতা বা মোর্চা বলতে চাচ্ছে। দলগুলো হলো— বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, খেলাফত মজলিস, নেজামে ইসলাম পার্টি, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)।

দলগুলো সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ দফা দাবির আন্দোলন ও প্রার্থী বাছাইয়ের কার্যক্রম একসঙ্গে চলায় প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।

ঐক্যভুক্ত দলগুলোর নেতাদের মতে, ডিসেম্বরের শুরুতেই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এখন চলছে আসন ভাগাভাগির আলোচনা। কোন দল কত আসনে প্রার্থী দেবে—তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

দলগুলোর শীর্ষ পর্যায়ে চলছে দরকষাকষি। বিভিন্ন দল সম্ভাব্য আসন চাহিদা তুলে ধরলেও সবকিছু নির্ভর করছে আলোচনার ফলাফলের ওপর।

ইসলামি দলগুলোর একাধিক সূত্রের মাধ্যমে জানা যায়, আসন ভাগাভাগি হবে আলোচনার ভিত্তিতে। স্থানীয় অবস্থান ও শক্তিমত্তা বিবেচনায় করা হবে প্রার্থী নির্ধারণ। যেখানে যে দলের অবস্থান শক্তিশালী, তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ঐক্য টিকিয়ে রাখতে সব দলের ‘ত্যাগের মানসিকতা’ প্রয়োজন বলেও দলগুলো মনে করে।

আগামী ফেব্রুয়ারির শুরুতেই দেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও তাদের মিত্রদের অনুপস্থিতিতে একদিকে বিএনপি ও তাদের মিত্ররা এবং অপর দিকে জামায়াত ও তাদের সঙ্গীদের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও জাতীয় পার্টি নির্বাচনে অংশ নিলে দৃশ্যপট অন্যদিকে মোড় নিতে পারে বলেও কেউ কেউ মনে করেন।




মেলান্দহে মসজিদে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করায়: বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে আহত ১

জামালপুরের মেলান্দহে মসজিদে রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করাকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৭ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের পাঁছপয়লা জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। এতে রবিউল ইসলাম (৪০) নামে ইউনিয়ন জামায়াতের এক নেতা আহত হয়েছেন।

আহত রবিউল ইসলাম মাহমুদপুর ইউনিয়ন জামায়াত ইসলামীর সহ সাধারণ সম্পাদক ও ওই ইউনিয়নের ইমামপুর এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এশার নামাজ শেষে মাহমুদপুর ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড জামায়াত ইসলামীর নেতাকর্মীরা মসজিদের ভেতরে বৈঠক করছিলেন। এ সময় মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও মসজিদ কমিটির সহ-সভাপতি মো. জিয়াউল হক সোহেলসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা সেখানে উপস্থিত হয়ে মসজিদে রাজনৈতিক আলোচনা না করার জন্য অনুরোধ জানান। এনিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা হয় এবং পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে মাহমুদপুর ইউনিয়ন জামায়াত ইসলামী’র সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম আহত হন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আহত রবিউল ইসলামকে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তার অবস্থা অবনতি হলে রাতেই সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ ঘটনায় রাতেই জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা মেলান্দহ বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরে ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা মাহমুদপুর বাজারে বিক্ষোভ করে।

মাহমুদপুর ইউনিয়ন বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. জিয়াউল হক সোহেল বলেন, এশার নামাজ পর জামায়াত ইসলামীর নেতারা মিটিং করছিল। আমিসহ কয়েকজন নিষেধ করতে গেলে তারা আমাদের ওপর আক্রমণ করে জামা ছিড়ে দেয়। আমাকে মসজিদ থেকে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয় জামায়াত নেতা রবিউল। পরে কি হয়েছে জানি না। এর আগেও কয়েকবার জামায়াত ইসলামীর নেতাদের মসজিদে রাজনৈতিক কার্যক্রম করতে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু তারা শোনেনি।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তৈয়বুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। সে সময় ইউনিয়ন জামায়াত ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে বসার একটা প্রক্রিয়া চলছিল। কিন্তু তারাই আবার বিক্ষোভ মিছিল করে। পরে আর বসা হয়নি।

উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইদ্রিস আলী বলেন, মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে শুক্রবার গণসংযোগ কর্মসূচি ছিল। সে বিষয়ে আলোচনা চলাকালে বিএনপি নেতাকর্মীরা আকস্মিকভাবে হামলা চালিয়ে ইউনিয়ন জামায়াত ইসলামীর সহ-সম্পাদক রবিউল ইসলামকে আহত করেছে। তার পায়ে আঘাত করা হয়েছে। সে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

মেলান্দহ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সফিকুল ইসলাম বলেন, জামায়াত ইসলামীর পক্ষ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছি। সেটি তদন্ত চলছে। এছাড়া বিএনপির পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।