৫৫ বছর বয়সে বেফাক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন রেজাউল আমিন

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

৫৫ বছর বয়সে বেফাক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচড়ন সৃষ্টি করেছেন মুহাম্মদ রেজাউল আমিন। এই বয়সে তার আলেম হওয়ার অভিপ্রায়কে স্বাগত জানিয়েছে অনেকেই।

মুহাম্মাদ রেজাউল আমিন আন নূর ইসলামিয়া নৈশ মাদরাসার শিক্ষার্থী। পিতা আ. মজিদের ঘরে তিনি ১৯৬৮ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। কওমি মাদরাসাভিত্তিক শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের ৪৬তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় তিনি  সানাবিয়া উলইয়া’র পরীক্ষার্থী। তার পরীক্ষা কেন্দ্র ঢাকার মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আজিজিয়া।

জানা যায়, তিনি দুই হাফেজ আলেম সন্তানের পিতা। একটি কোম্পানির চাকুরী ছেড়ে সম্পূর্ণ অবসর হয়ে এখন একাগ্রচিত্তে ইলম অর্জন করছেন।

প্রসঙ্গত, বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে শুরু হয় দেশের কওমি মাদরাসাভিত্তিক শিক্ষা বোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের ৪৬তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষা। এতে অংশ নেয় মাদরাসার বালিক ও বালিকা শাখার ছয় স্তরের শিক্ষার্থীরা। বুধবার থেকে শুরু হওয়া এই পরীক্ষা চলবে শুক্রবারসহ ৮দিন ব্যাপী। পরীক্ষা চলছে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত। তবে আজ (২৪ মার্চ) শুক্রবার শুধু ফযিলতের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে পরীক্ষা শেষ হয় বেলা সাড়ে ১১টায়।

এবারের বেফাক পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করছে বাংলাদেশের ১২,৮৬০ টি পুরুষ ও মহিলা মাদ্রাসা। ছাত্র-ছাত্রী মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২,৮২,৯২৬ জন। চলতি বছরে বিগত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৪৯,৭১০ জন বেশি। দাওরায়ে হাদীস মাস্টার্স সমমান পরীক্ষা আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এর অধীনে অনুষ্ঠিত হবে। এতে বেফাকভুক্ত মাদরাসাগুলোর পরীক্ষার্থী সংখ্যা ২৩,৫৬০ জন।

এর আগে ২০২২ সালে বেফাক বোর্ডের আওতায় অনুষ্ঠিত ছয় স্তরের পরীক্ষায় মোট অংশ নেয় দুই লাখ ২৫ হাজার ৬৩১ জন। এর মধ্যে ছাত্র ছিল এক লাখ তিন হাজার ৪৯২ এবং ছাত্রী ছিল এক লাখ পাঁচ হাজার ৫০২ জন।




পাঠ্যপুস্তকে ভুল খুঁজতে দুই কমিটি

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

পাঠ্যপুস্তকের ভুল এবং ভুল যারা করেছেন তাদের খুঁজে বের করতে দুটি কমিটি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে একটি কমিটি সাত সদস্যের, অপরটি পাঁচ সদস্যের।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রথম কমিটিকে ৩০ কর্মদিবস ও দ্বিতীয় কমিটিকে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতে হবে। রোববার (২৯ জানুয়ারি) শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি কমিটি দুটির অনুমোদন দেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সাত সদস্যের কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. ওয়াহেদুজ্জামান চানকে। এ কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা গবেষণা বিভাগের শিক্ষক আব্দুল হালিম এবং বিএফ শাহিন কলেজের শিক্ষক আব্দুল মান্নান। পাঠ্যপুস্তকের ভুলত্রুটি ও বিতর্কিত বিষয় খুঁজে বের করে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দিতে হবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে।

আর অন্য কিমিটির আহ্বায়ক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খালেদা আক্তার। এ কমিটি ভুল-ভ্রান্তির জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কোন্ কোন্ কর্মকর্তা জড়িত তাদের খুঁজে বের করবে। এ কমিটিকে প্রতিবেদন দিতে হবে ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে।

মন্ত্রণালয়ের সূত্রটি জানিয়েছে, রোববার বিকেলে কমিটি দুটির অনুমোদন দেয়া হলেও, দাফতরিক কাজ শেষ করে অফিস আদেশ জারি করা সম্ভব হয়নি। সোমবার এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

এর আগে গত ২৪ জানুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি নতুন শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবইয়ে ভুলভ্রান্তি, তথ্য বিকৃতি ও ধর্মীয় উসকানি সংশোধনসহ জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে উচ্চপর্যায়ের দুটি তদন্ত কমিটি গঠনের ঘোষণা দেন। যার একটিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা সম্পৃক্ত থাকবেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।




আবেগঘন পোস্ট দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়লেন ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ খ্যাত ইবিট লিও

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

মালয়েশিয়ার সাধারণ মানুষের কাছে ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’খ্যাত আলোচিত দাঈ ও সমাজকর্মী ওস্তাদ ইবিট লিও ঢাকা ছেড়েছেন। গতরাত আনুমানিক ১১টার দিকে তিনি একটি বিশেষ ফ্লাইটে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

এর আগে তিনি গত বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশে এসেছিলেন। বাংলাদেশে এসে তিনি খোলা রিক্সায় ঘুরে বেড়ানোর একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন ‘Alhamdulillah. I Love ❤️ Bangladesh.’ এরপর তার বিভিন্ন ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে যতটুকু জানা যায়, তিনি এ দুই দিনের সফরে বাংলাদেশের বিভিন্ন অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।

সফর শেষে তিনি বাংলাদেশ ছাড়ার সময় এক আবেগঘন পোস্ট দেন নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে। এতে তিনি লিখেন, ‘আমার জন্য দোয়া করবেন , আমি মালয়েশিয়াতে ফিরে যাচ্ছি ৷ আমি আমার অন্তর থেকে ধন্যবাদ জানাই বাংলাদেশের মানুষদের প্রতি , আমাকে এত আন্তরিকতা এবং ভালোবাসা দেওয়ার জন্য ৷ আমি যত দূরেই থাকি না কেন আপনারা সবাই আমার অন্তরে আছেন এবং থাকবেন ৷ আমরা সবাই একটি পরিবার।’

আলোচিত দাঈ ইবিট লিও একজন মালয়েশিয়ান চাইনিজ মুসলিম। তিনি মালয়েশিয়ার মুসলিম উদ্যোক্তা এবং ধর্ম প্রচারক হিসেবে সব মহলে এভিট লিও নামে পরিচিত। তার পুরো নাম-ইবিট ইরাওয়ান বিন ইব্রাহিম লিও। ১৯৮৪ সালের ২১ ডিসেম্বর মালয়েশিয়ার পাহাং রাজ্যে তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন। তার পিতার নাম মুয়াডজম শাহে লিউ ইউ পাউ। ১১ জন ভাই-বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। দ্বীনকে অনুসরণ করে ১২ বছর বয়সে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন।

তিনি স্কুল (সেকোলাহ) কেবাংসান বুকিত রিদান, সেকোলাহ মেননগাহ কেবাংসান মুয়াডজম শাহ, পাহাং সেকোলাহ মেননগাহ টেকনিক জহুর বারু, এবং সেকোলা মেননগাহ কেবাংসান আবদুল রহমান তালিব, পাহাং থেকে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন এবং ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

ইবিট লিও দাতু ডা. হাজী মোহাম্মদ ফাদজিল্লাহ কামসাহ এবং অধ্যাপক হানিম তাহিরের পরিচালনায় এক্সেল প্রশিক্ষণের মোটিভেশনাল স্পিকার। তিনি সকলের প্রেরণাদানকারী, ইসলাম আগামা, ইসলাম ইতু ইন্দাহ, উসরাহ নূরানী, এবং আইকেআইএম এবং সিনার রেডিওর নিয়মিত বক্তা।

ইবিট লিও ২০১৫ সালে ‘মওলিদুর রসুল’ জাতীয় পুরস্কার এবং ২০২০ সালের ১৫ আগস্ট জাতীয় যুব দিবস উদযাপন অনুষ্ঠানে সমাজ বিনির্মাণে এবং মহামারি করোনার সময়ে মানব কল্যাণে বিশেষ অবদান রাখায় জাতীয় যুব দিবসের বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী তানশ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন। এছাড়াও মানব কল্যাণে অবদান রাখায় সরকার কর্তৃক বিভিন্ন সময় তিনি একাধিক পুরস্কার পেয়েছেন।




হেফাজত আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

দেশের সর্ববৃহৎ অরাজনৈতিক সংগঠন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর অপারেশন শেষে তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে। আগামীকাল হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন তিনি।

আজ শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর ব্যক্তিগত সহকারী মাওলানা আব্দুল খালেক আওয়ার ইসলামকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী রাজধানী ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সফল অস্ত্রপাচার শেষে বর্তমানে ডা. ফরীদ হোসেনের তত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে।

তিনি জানান, আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী পিত্ত থলিতে পাথর সংক্রান্ত রোগে ভুগছিলেন। এর আগে ২৯ অক্টোবর দুপুরে পেটে ব্যথা নিয়ে তিনি চট্টগ্রামের ন্যাশনাল হাসপাতালে ভর্তি হোন। হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোলিভার বিশেষজ্ঞ ডাক্তার শামীম বখশের অধীনে চিকিৎসা করান। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়। চিকিৎসার জন্য তিনি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছেন গত রোববার।

প্রবীণ এই আলেমের সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে তার পরিবার বিশেষ দোয়া কামনা করেছে।




চরমোনাই পীরের ব্যাংক হিসাব তলব

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

চরমোনাই পীর হিসেবে পরিচিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিমের ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। চিঠি পাওয়ার ৫ কর্মদিবসের মধ্যে অ্যাকাউন্টে লেনদেনসহ যাবতীয় তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে ব্যাংকগুলোতে এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, কোনো ব্যাংকে ফয়জুল করিমের নামে অ্যাকাউন্ট থাকলে তা জানাতে হবে। অ্যাকাউন্টে শুরু থেকে হালনাগাদ লেনদেন বিবরণী, জমা স্থিতি, কেওয়াইসিসহ বিভিন্ন তথ্য দিতে হবে। কোনো অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে থাকলে সে তথ্যও জানাতে হবে।

বিএফআইইউর চিঠিতে অ্যাকাউন্টের তথ্য চাওয়ার কারণ উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ বক্তব্যও দিতে চাননি।
সাধারণত কারও বিরুদ্ধে অর্থপাচার, মানি লন্ডারিংসহ কোনো অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেলে ব্যাংক তার হিসাব তলব করে বিএফআইইউ। আবার অনেক সময় আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী অথবা অন্য সরকারি সংস্থার চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতেও তথ্য চাওয়া হয়।

বিএফআইউর চিঠিতে তার জন্ম তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে ১৯৭২ সালের ৩ জানুয়ারি। তার পিতা প্রয়াত সৈয়দ মো. ফজলুল করিম এবং মা মোসাম্মৎ আলমতাজ বেগম। তার পিতা ফজুলুল করিম ছিলেন মূলত চরমোনাই পীর।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১৩ নভেম্বর যাত্রাবাড়ীর গেন্ডারিয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্মাণাধীণ ভাস্কর্যের বিরোধিতা করে ফয়জুল করিমের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিতর্ক দেখা দেয়। তার বক্তব্য নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়ার পর তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলা হয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে।




জামিনে ছাড়া পেলেন মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরের সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব দীর্ঘ সাড়ে ১৭ মাস কারাভোগের পর জামিনে ছাড়া পেয়েছেন।

আজ রোববার মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবের ছেলে মাহমুদ আল হাবিব বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এর আগে ২০২১ সালের এপ্রিল ১৭ তারিখ বিকেলে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে রাজধানীর বারিধারা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনায় মামলা ছাড়াও বর্তমানে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়।

ডিবির যুগ্ম-কমিশনার মাহবুব আলম জানান, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে সহিংসতার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামি ছিলেন তিনি।

একই সময়ে ২০১৩ সালের মামলায় হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী মহাসচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা জালাল উদ্দিন, হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল হক ইসলামাবাদী, ঢাকা মহানগরীর সহ-সভাপতি মাওলানা জুবায়ের আহমেদ, সহ-প্রচার সম্পাদক মুফতি শরিফউল্লাহসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছিলো। তাদের মধ্যে কয়েকজন জামিনে মুক্তি পেলেও জামিন পাননি অনেকে।




আজ বিশ্বজয়ী হাফেজ তাকরীমকে সংবর্ধনা দেবে ধর্ম মন্ত্রণালয়

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

বিশ্বজয়ী হাফেজ সালেহ আহমাদ তাকরীমকে আজ সংবর্ধনা দেবে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউণ্ডেশন। সকাল সাড়ে ১০টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পূর্ব সাহানে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ২১ সেপ্টেম্বর রাতে সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় অনুষ্ঠিত ‘৪২তম বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতায় ১১১টি দেশের ১৫৩ জন হাফেজের মধ্যে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন বাংলাদেশের হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম।




আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় ১১১ দেশের মধ্যে ৩য় বাংলাদেশের তাকরিম

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক: আবারো আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় দেশের নাম উজ্জ্বল করলো হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম।

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় অনুষ্ঠিত ‘৪২তম বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা’য় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে সে।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাতে মক্কার পবিত্র হারাম শরিফে একটি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে চূড়ান্ত বিজয়ীদের মধ্যে তৃতীয় বিজয়ী হিসেবে তাকরিমের নামও ঘোষণা করা হয়। এ সময় তার হাতে এক লাখ রিয়াল (প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা) পুরস্কার, সনদ ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেয়া হয়।
সালেহ আহমদ তাকরিম গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুরতাজা হাসান ফয়েজী মাসুম প্রতিষ্ঠিত মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামী ঢাকা’র ছাত্র।

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজের প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তার উপদেষ্টা ও মক্কা নগরীর গভর্নর খালেদ আল ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ এবং দেশটির ইসলাম ও দাওয়াহ বিষয়ক মন্ত্রী ড. আবদুল লতিফ বিন আবদুল আজিজ আলে শেখসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ।

কুরআন হিফজের বড় এই প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১১১টি দেশের ১৫৩ জন হাফেজ অংশ নেয়। তাদের মধ্যে তাকরিম এই গৌরব অর্জন করল।
সালেহ আহমাদ তাকরিম টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার ভাদ্রা গ্রামের হাফেজ আব্দুর রহমানের ছেলে।

এর আগে গত মে মাসে লিবিয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় সপ্তম স্থান অর্জনের পাশাপাশি সর্বকনিষ্ঠ প্রতিযোগী হিসেবে বিশেষ সম্মাননাও অর্জন করে তাকরিম।

তারও আগে তেহরানের আন্দিশাহ (আল-ফিকির) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ৩৮তম আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় তাকরিম বিশ্বে প্রথম স্থান অর্জন করে বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা বিশ্ব দরবারে সমুন্নত করে।

 

-এম আর




মহানবি সা. কে কটূক্তি করায় পুলিশ কনস্টেবল গ্রেপ্তার

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক: ঢাকার নবাবগঞ্জে ইসলাম ধর্ম ও মহানবিকে সা. নিয়ে কটূক্তি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে কমেন্ট করার অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল প্রীতম মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মোবাশশিরা হাবীব খান।

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতভর ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোবাশশিরা হাবীব খানের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালিয়ে শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মোবাশশিরা হাবীব খান বলেন, বিষয়টি আলোচিত হওয়ায় ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামানের নির্দেশে প্রীতমকে গ্রেপ্তারে কাজ শুরু করে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর তাকে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে আসামীকে আদালতে পাঠিয়েছে।

তিনি জানান, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অপরাধে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য প্রীতম মণ্ডলকে সাময়িকভাবে বরাখাস্ত করা হয়েছে।

অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য প্রীতম নবাবগঞ্জ উপজেলার শোল্লা গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় অনেকটা উত্তপ্ত হয় সাধারণ মানুষ। নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের পদক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। নবাবগঞ্জ থানায় অভিযুক্ত প্রীতম মণ্ডল ও আলোক সরকার কার্তিক নামে আরেকজনের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে মামলা করা দায়ের করা হয়েছে।

এদিকে ইসলাম ও মহানবি সা. কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে শুক্রবার নবাবগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও বিক্ষোভের ডাক দেয় সাধারণ মুসুল্লিরা। অপরদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য অনুরোধ করে শুক্রবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের ফেসবুকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

-এম আর




বিনা পারিশ্রমিকে মসজিদ পরিষ্কার করেন চাঁপাচৌ ইসলামিক সাংস্কৃতিক পরিষদ স্বেচ্ছাসেবক গোষ্ঠী

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

শুক্রবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এলাকার আশপাশের বিভিন্ন মসজিদ ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করেন কুমিল্লার একদল শিক্ষার্থী। বিনা পারিশ্রমিকে এ পর্যন্ত ৩৪টি মসজিদ পরিষ্কার করেছেন তারা।

২০২১ সাল থেকে এ কাজ করছেন জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার গুণবতী ইউনিয়নের চাঁপাচৌ গ্রামের বিভিন্ন বয়সের এসব তরুণরা। সর্বশেষ শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চাঁপাচৌ পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ পরিষ্কার করেছেন তারা।

স্থানীয় চাঁপাচৌ গ্রামের বাসিন্দা জাহেদ ভূঁইয়া সুজন সর্বপ্রথম এ কাজের উদ্যোগ নেন। পরে একটি সংগঠন খোলা হয়। সংগঠনের ব্যানারে বর্তমানে এ কাজ করেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

জাহেদ ভূঁইয়া সুজন বলেন, আমরা সওয়াবের জন্যে এ কাজ করি। এজন্য কোনো পারিশ্রমিক নেই না। বরং নিজের পকেটের টাকা খরচ হয়। মসজিদ পরিষ্কার করার জন্যে আমাদের একটি সংগঠনও খোলা আছে। সংগঠনের নাম চাঁপাচৌ ইসলামিক সাংস্কৃতিক পরিষদ স্বেচ্ছাসেবক গোষ্ঠী।

হাফেজ মো. সাকিব হোসেন হৃদয় বলেন, শুক্রবার আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। এ দিনই আমরা কাজটি করি। এখন পর্যন্ত আমরা ৩৪টি মসজিদ পরিষ্কার করেছি।

তিনি বলেন, মসজিদ পরিষ্কার করা অনেক সওয়াবের কাজ। হাদিসে এসেছে, হজরত সাঈদ খুদরি (রা.) হতে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি মসজিদ থেকে ময়লা আবর্জনা কিংবা কষ্ট হয় এমন বস্তু দূর করবে তার জন্য আল্লাহ তায়ালা জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করে দেবেন।’

সাকিব বলেন, আমরা সেই উদ্দেশ্য নিয়েই কাজ করছি। দুনিয়াবি কোনো উদ্দেশ্য আমাদের নেই। এখানে সবাই স্বেচ্ছায় কাজ করে এবং আখেরাতের উদ্দেশ্যে কাজ করেন।

স্বেচ্ছাসেবক দলের অন্য সদস্যরা হলেন- রবিউল আউয়াল শুভ, আলাউদ্দিন, বাপ্পি, নাঈম, হৃদয়, শাওন, কাওসার ও পিয়াস।