ফিলিস্তিনি শ্রমিকদের সরিয়ে ১ লাখ ভারতীয় শ্রমিক নেওয়ার পরিকল্পনা ইসরাইলের

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

ইহুদিবাদী ইসরাইলি নির্মাণ সংস্থাগুলো তাদের সরকারকে বলেছে যে তারা ৯০ হাজার ফিলিস্তিনির পরিবর্তে ১ লাখ ভারতীয় শ্রমিক নিয়োগ করতে চায়। তাদের এ জন্য অনুমতি দেওয়া হোক।

গত ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরাইলে কর্মরত ৯০ হাজার ফিলিস্তিনি শ্রমিকের পারমিট বাতিল করা হয়েছে। এ কারণে ইসরাইলে নির্মাণ সংক্রান্ত যাবতীয় কাজে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। প্রসঙ্গত, ভারতীয় শ্রমিকরা উপসাগরীয় দেশগুলোতে আধুনিক শহর গড়ে তুলেছেন, এজন্য ইসরাইলি সংস্থাগুলো তাদের পরিশ্রমে আস্থা রেখেছে। কিন্তু চলমান পরিস্থিতিতে শ্রমিকদের পাঠানো হবে কী না তা স্পষ্ট হয়নি।

গণমাধ্যমে প্রকাশ- ইসরাইলি বিল্ডার্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হাইম ফিগলিন বলেছেন, ‘আমরা ভারতের সঙ্গে আলোচনা করছি। আমরা শ্রমিকদের অনুমোদনের জন্য ইসরাইল সরকারের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছি। ভারত থেকে আমাদের ৫০ হাজার/এক লাখ শ্রমিক দরকার। ভারতীয় শ্রমিকরা ইসরাইলে গেলে সেখানে বড় পরিসরে কর্মসংস্থান হবে। এ ছাড়া তাদের পাঠানো অর্থ অর্থনীতিতে অবদান রাখবে।

কিন্তু ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওই বিষয়ে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। ভারত শ্রমিকদের ইসরাইলে যেতে দেবে কিনা তা এখনও জানা যায়নি, তাও আবার এমন সময়ে যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চল থেকে ভারতীয়দের সরিয়ে নেওয়ার অপারেশন অজয় এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। ফিগলিন বলেছেন, ফিলিস্তিনিরা ইসরাইলের নির্মাণ শিল্পের প্রায় ২৫ শতাংশ। এর মধ্যে ১০ শতাংশই গাজা থেকে এসেছেন। বাকিরা পশ্চিম তীরের।

এদিকে, চলমান যুদ্ধের মধ্যে আচমকা শ্রমিকের চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও, ইসরাইল আগে থেকেই ভারতীয় শ্রমিকদের এনে ফিলিস্তিনি শ্রমিকদের সরাতে চেয়েছিল। জানা গেছে, চলতি বছরের মে মাসে ভারত ইসরাইলের সাথে একটি সমঝোতা করেছিল, যাতে ৪২ হাজার ভারতীয় শ্রমিককে ইসরাইলে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হবে। নার্সিংয়ের পাশাপাশি নির্মাণ ক্ষেত্রেও কাজ করবেন এসব মানুষ। মে মাসে ইসরাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলি কোহেনের ভারত সফরের সময় এই সমঝোতা হয়েছিল। তারপর প্রথমবারের মতো ইসরাইলের নির্মাণ খাত ভারতীয়দের জন্য উন্মুক্ত হয়। এই চুক্তি সইয়ের আগে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে প্রস্তুতি চলছিল।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারভারত ও ইসরাইলের মধ্যে শ্রমিকদের বা পরিসেবা ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের পাঠানোর চুক্তি শান্তিকালীন সময়ে করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে ইসরাইলের পক্ষ থেকে শ্রমিকের যে দাবি তা কর্মসংস্থানের চেয়ে ফিলিস্তিনি শ্রমিকদের শিক্ষা দেওয়ার জন্যই বেশি। বেশিরভাগ ফিলিস্তিনি শ্রমিক কাজে ফিরতে চাইলেও ইসরাইল তাদের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করায় তারা কাজ হারিয়েছেন।#

সুত্র: পার্সটুডে




সন্ত্রাসী ইসরায়েলের ১৩৬ ট্যাংক ধ্বংস, ১০০০ সেনা নিহত

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

গত ২৭ অক্টোবর রবিবার সকাল থেকে গাজা উপত্যকায় বিভিন্ন অঞ্চলে দখলদার ইসরায়েল সেনারা স্থল অভিযান শুরু করে৷
হামাস সেনারা ও তুমুল প্রতিরোধ গড়ে তুলে৷ আকাশ পথে বিমান হামলা করে ঘর বাড়ি ধ্বসিয়ে দিয়ে গাজা উপত্যকায় প্রবেশ করে হামাসকে নির্মূল করতে তারা যতটা সহজ ভেবেছিল, আসলে অতটা সহজ নয়৷ হামাস যোদ্ধাদের শক্ত প্রতিরোধ এবং ফাঁদে পড়ে দখলদার সেনারা এখন বিপর্যস্ত৷

প্রতিদিনই প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির শিকার হচ্ছে৷ যদিও তারা হতাহতের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছে৷ ইসরায়েলের অফিসিয়াল হিসেবে স্থলঅভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত নিহত সেনার সংশ্যা ৩৪, ৭ ই অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত নিহত সেনার সংখ্যা ৩৫০, সাজোয়া যান ও ট্যাংক ধ্বংস হয়েছে ৩৬টি৷ কিন্ত গতকাল (৮/১১/২৩ বুধবার) আলজাজিরা ও স্টেপ নিউজ এজেন্সীর প্রতিবেদন উঠে এসেছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য৷

প্রতিবেদনটির তথ্যানুযায়ী স্থলঅভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ৮/১১/২৩ পর্যন্ত ১৩৬ টি সামরিক যান ধ্বংস করেছে হামাস সেনারা৷ ৭অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার দখলদার ইসরায়েলি সেনাকে হত্যা করেছে৷ সামরিক গবেষক ও বিশ্লেষকদের থ্যানুযায়ী প্রতিটি ট্যাংকে ৩/৪ করে সেনা থাকে, সাজোয়া যানে থাকে অন্তত ১০/১৫ জন করে৷ সে হিসেবে হতাহতের সংখ্যা হিসেব করলে আরো বেশি হয়৷

মারকাভা ব্যাটেল ট্যাংক ইসরাইলের স্টান্ডার্ড ব্যাটেল ট্যাংক।এবং এটাকে ইসরাইলের সমর সক্ষমতার বা দম্ভের প্রতীক হিসাবে গন্য করা হয় ।১৯৮০ সালে সার্ভিসে আসার পর থেকে প্রায় ২২ বছর এই ট্যাংক ছিলো অজেয়। কিন্ত হামাস যোদ্ধাদের রকেট ও মর্টার শেলের আঘাতে তা এমনভাবে ধ্বংস হচ্ছে যা রিতীমত দখলদারদের অবাক করে দিয়েছে৷ সামরিক বিশ্লেষকরা ও ভেবে পাচ্ছেনা যে এটা কী করে সম্ভব? তবে কি আল্লাহ হামাস মুজাহীদদেরকে সাহায্য করছেন? এমনই তথ্য ওঠে এসেছে বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ এবং সাংবাদিক ও খোদ ইহুদী কমাণ্ডারদের বক্তব্য থেকে৷ তাদের দাবী, যখনি ইসরায়েল সেনারা গাযায় প্রবেশ করতে যাচ্ছে তখনি কোথা থেকে হঠাৎ যোদ্ধারা বের হয়ে ট্যাংক গুড়িয়ে দিয়ে উধাও হয়ে যাচ্ছে৷ তারা শুধু তাদের ছায়া ই দেখতে পাচ্ছে৷

গতকাল আলজাজিরা তার ইউটিউব চ্যানেলে ইজ্জুদ্দী আল-কাসাম ব্রিগেডের সামরিক মুখপাত্র, “আবু উবাইদা”র একটি ১০মিঃ ভিডিও বার্তা শেয়ার করে৷ তিনি বলেন,
আলহামমদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমত এবং তাঁর সাহায্য আমাদের মুজাহিদরা দখলদারদের ১৩৬ টি যুদ্ধযান পুরোপুরি বা অনেকাংশে ধ্বংসে করেছে৷ প্রচুর সংখ্যক দখলদার সেনাকে হত্যা করেছে৷

আমাদের মুজাহিদরা বিরত্বের সাথে গাজার উত্তর-পশ্চিম এবং দক্ষিণে সমস্ত স্থল আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই এবং মোকাবিলা করতে থাকবে। ফাঁদে ফেলে তারা জিরো পয়েন্ট দুরত্ব থেকে ট্যাংক ধ্বংস করছে৷ মর্টার শেল ও রকেটের আঘাতে বিল্ডিং ও দেয়ালের পাশে লুকিয়ে থাকা সৈন্যদেরকে হত্যা করছে৷ আমাদের মুজাহিদরা শত্রুদের সম্মুখ ও পিছন দিক থেকে আক্রমণ করে বিপর্যস্ত করে তুলছে৷

তিনি আরো বলেন, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের ৩৩ দিন পরেও আল-কাসাম মুজাহিদরা এখনও মোকাবিলা করতে সক্ষম৷ আমাদের মুজাহীদরা দখলদারদের আগ্রাসন প্রতিহত করার জন্য ময়দানে প্রদর্শন বীরত্ব প্রদর্শন করেছে তা প্রত্যেক আরব মুসলিম এবং পৃথিবীর সকল স্বাধীন মুসলিমদের জন্য গর্ব৷

তিনি প্রতিরোধের জন্য বিশ্বমুসলিমদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমরা পশ্চিম তীর, গাজা এবং জেরুজালেমে এবং সমস্ত ফ্রন্ট এবং অঙ্গনে দখলদারদের প্রতি আমাদের ক্রোধ প্রতিরোধের আসন্ন নতুন কিছু ঘটার ঘোষণা করছি।”

সরকারী হিসাব মতে ৭ অক্টোবর থেকে নিয়ে এ পর্যন্ত ১৫৩৮ জনেরও বেশি ইসরায়েলি নিহত হয়েছে এবং ৫৪৩১জন আহত হয়েছে। বন্দি হয়েছে ২৪২ জনেরও বেশি৷ এই বন্দিদের বিনিময়ে হামাস যোদ্ধারা দখলদারদের কাছে বন্দী থাকা শিশু ও মহিলা সহ ৬০০০ফিলিস্তিনি বন্দীদের বিনিময় করতে চায়।

যুদ্ধের ৩৩তম দিনেও ইসরায়েলি সেনাবাহিনী গাজায় গণহত্যা এবং ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ চালাচ্ছে, যাতে যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৪২৩৭ জন শিশু এবং ২৭১৯ জন মহিলা সহ ১০৩২৮ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছে এবং প্রায় ২৬০০০আহত হয়েছে।
এদিকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ১৬৩ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছে এবং ২২১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা




ইসরাইলকে থামাতে ব্যর্থ হলে আমেরিকাকে কঠোর আঘাত করা হবে: ইরান

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল আশতিয়ানির হুঁশিয়ারি

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমেরিকাকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে বলেছেন, মার্কিন সরকার যদি অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বিরুদ্ধে ইসরাইলের বর্বর যুদ্ধ মেশিন বন্ধ করতে ব্যর্থ হয় তাহলে ওয়াশিংটনকে চড়া মূল্য দিতে হবে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মাদ রেজা আশতিয়ানি গতকাল (রোববার) তেহরানে এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

তিনি বলেন, “মার্কিনীদের প্রতি আমাদের উপদেশ হচ্ছে, অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ করে একটি অস্ত্রবিরতি প্রতিষ্ঠা করা হোক। তা না হলে আমেরিকার বিরুদ্ধে কঠোর আঘাত হানা হবে।” তিনি বলেন, “আমরা সব সময় ইহুদিবাদী সরকারের প্রতি সমর্থন করা থেকে বিরত থাকার জন্য আমেরিকাকে পরামর্শ দিয়ে এসেছি।”

ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বেশ কিছু কৌশলগত ভুল করেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটন ইরানকে যে বার্তা পাঠিয়েছে তা মার্কিন সরকারের ভয় ও হতাশা থেকে উৎসারিত। জেনারেল আশতিয়ানি বলেন, মার্কিনীরা এখন ইসরাইলিদের সঙ্গে [গাজা উপত্যকার] জলাভূমিতে হাবুডুবু খাচ্ছে এবং সেখান থেকে বেরিয়ে আসার জন্য তড়পাচ্ছে।

ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধারা গত ৭ অক্টোবর ইসরাইলের অভ্যন্তরে আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করার পর ইহুদিবাদী ইসরাইল তার বর্বর যুদ্ধ মেশিন চালু করে। সেদিন থেকে এ পর্যন্ত দখলদার সেনাদের পাশবিক হামলায় ৪,৮০০ শিশু ও ২,৫৫০ নারীসহ ৯,৭৭০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজার ২৩ লাখ অধিবাসীর জ্বালানী, বিদ্যুৎ, খাদ্য ও খাবার পানির সরবরাহ লাইন বন্ধ করে দিয়েছে তেল আবিব। ইসরাইল গাজার বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর ইরাক ও সিরিয়ায় অবস্থিত মার্কিন সেনা ঘাঁটিগুলোর ওপর প্রতিরোধ যোদ্ধারা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছেন।

এদিকে, গত ১ নভেম্বর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী গাজা উপত্যকার ওপর বর্বরতা বন্ধ করতে ইসরাইলকে বাধ্য করার জন্য তেল আবিবের কাছে তেল ও অন্যান্য পণ্য রপ্তানি বন্ধ করে দিতে মুসলিম দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।#

সূত্র: পার্সটুডে




হামাস প্রধানের সঙ্গে বৈঠকের পর যা বললেন আয়াতুল্লাহ খামেনি

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

ইরানে ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল খামেনি গাজার জনগণের জন্য ইসলামি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি ইসলামি সরকারগুলোর ব্যাপক ও বাস্তব সমর্থনের আহ্বান জানিয়েছেন।

তেহরানে আয়াতুল্লাহ খামেনির সঙ্গে এক বৈঠকে ফিলিস্তিনি হামাস প্রতিরোধ আন্দোলনের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান ইসমাইল হানিয়া গাজার সর্বশেষ ঘটনাবলী, ইহুদিবাদী সরকারের অপরাধ এবং পশ্চিম তীরের সর্বশেষ ঘটনাবলী নিয়ে একটি প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন।

সর্বোচ্চ নেতা তার পক্ষ থেকে গাজার অবিচল জনগণকে তাদের ধৈর্য ও প্রতিরোধের জন্য ধন্যবাদ জানান। যুক্তরাষ্ট্র ও কিছু পশ্চিমা দেশের প্রত্যক্ষ সমর্থনে ইহুদিবাদী সরকারের সংঘটিত অপরাধের তীব্র নিন্দা জানান। আয়াতুল্লাহ খামেনি ইহুদিবাদী দখলদারদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ বাহিনীকে সমর্থন করার ইরানের স্থায়ী নীতির ওপর জোর দেন।

সুত্র: পার্স টুডে




ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চলছে বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের সমাবেশ

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

মৎস্য ভবন মোড় থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ঘিরে চারদিকের রাস্তায় সারি সারি বাস পার্কিং করা। বাস থেকে নেমে স্লোগান উঠছে ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার।’ তারপর মিছিল নিয়ে বাসের লোকজন প্রবেশ করছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। এছাড়া যারা ঢাকার আশপাশ থেকে পায়ে হেঁটে এসেছেন তারা সরাসরি মিছিল নিয়ে প্রবেশ করছেন উদ্যানে। মূলত এরা সবাই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কর্মী।

শুক্রবার (৩ নভেম্বর) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সমাবেশের আয়োজন করেছে। সংসদ ভেঙে দিয়ে জাতীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন, সংখ্যানুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতির প্রবর্তন এবং বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিলের দাবিতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

উদ্যান ঘুরে দেখা গিয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা নেতারা মঞ্চে বক্তব্য দিচ্ছেন। আর সকাল থেকে যেসব কর্মী দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বা ঢাকা শহর থেকে এই সমাবেশ সফল করতে এসেছেন তারা মনোযোগ দিয়ে সেই বক্তব্য শুনছেন।

এছাড়া আরও দেখা গেছে, নেতাকর্মীরা বিভিন্ন গাছ তলায় শুয়ে বসে বিশ্রাম করছেন। অনেকে উদ্যানের উত্তর দক্ষিণ অংশে অর্থাৎ ছবির হাট টিএসসি গেট অংশের ঘোরাফেরা করছে। কেউ কেউ সেলফি তোলাও ব্যস্ত।

সমাবেশ সূত্রে জানা গেছে, জুমা নামাজের পর মূল সমাবেশের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। সেখানে বক্তব্য রাখবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম।

এর আগে গত ১ নভেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) তাদের ২০ শর্তে সমাবেশ করতে অনুমতি দেয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০ শর্ত যথাযথভাবে পালন সাপেক্ষে ৩ নভেম্বর সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে সমাবেশ করার অনুমতি দেওয়া হলো।




আলজাজিরা সাংবাদিকের পরিবারের ১৯ সদস্যকে হত্যা করল ইসরায়েল

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ভয়াবহ এই এক হামলাতেই পরিবারের ১৯ সদস্যকে হারিয়েছেন কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রকৌশলী।

নিহতদের মধ্যে ওই আল জাজিরা কর্মীর বাবা ও দুই বোনও রয়েছেন। এছাড়া জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি ওই বিমান হামলায় অর্ধশতাধিক লোক নিহত হয়েছেন বলে অবরুদ্ধ এই অঞ্চলের একজন মেডিকেল কর্মকর্তা এবং ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

বুধবার (১ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজায় আল জাজিরা ব্যুরোর সম্প্রচার প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবু আল-কুমসান জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তার বাবা এবং দুই বোনসহ পরিবারের ১৯ জন সদস্যকে হারিয়েছেন।

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি বাহিনীর এই হামলাকে ‘গণহত্যা’ এবং ‘ক্ষমার অযোগ্য কাজ’ বলে নিন্দা জানিয়েছে আল জাজিরা।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘জঘন্য এবং নির্বিচারে ইসরায়েলি বোমা হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে আল জাজিরা। এতে আমাদের নিবেদিত এসএনজি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আবু আল-কুমসানের পরিবারের ১৯ সদস্য নিহত হয়েছেন।’

এতে আরও বলা হয়েছে, ‘জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে ক্ষমার অযোগ্য ইসরায়েলি এই হামলায় মোহাম্মদের বাবা, দুই বোন, আট ভাগ্নে এবং ভাতিজি, তার ভাই, তার ভাইয়ের স্ত্রী এবং তাদের চার সন্তান, তার ভগ্নিপতি এবং এক চাচা নিহত হয়েছেন।’

গাজার ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালের পরিচালক ডা. আতেফ আল-কাহলুত আল জাজিরাকে বলেছেন, ইসরায়েলি এই হামলায় ৫০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, হাসপাতাল এখনও নিহতের মোট সংখ্যা জানাতে পারেনি কারণ এটি এখনও নিহতদের সংখ্যা গণনা করছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে ৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘উত্তর (গাজা) উপত্যকার জাবালিয়া শিবিরের একটি বিশাল এলাকাকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলি হামলায় ৫০ জনেরও বেশি নিহত এবং প্রায় ১৫০ জন আহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও বহু মানুষ আটকে আছেন।’

এদিকে জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসরায়েলের এক সামরিক কর্মকর্তা। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র রিচার্ড হেচট সিএনএনকে বলেছেন, ‘সেই এলাকায় হামাসের একজন সিনিয়র কমান্ডার ছিলেন। আমরা এটি অনুসন্ধান করছি এবং সেখানে কী ঘটেছে তা জানার সাথে সাথে আমরা আরও তথ্য নিয়ে হাজির হবো।’

জাবালিয়ায় হামলার পর ধারণ করা বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দাদের হামলার জেরে সৃষ্ট বড় বড় গর্তের চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় এবং উদ্ধারকারীদের ধসে পড়া ভবনের নিচে বেঁচে থাকা লোকদের খুঁজে বের করার জন্য দৌড়ঝাঁপ করতেও দেখা যায়।

কয়েকদিন আগে ইসরায়েলি বিমান হামলায় আল জাজিরা আরবির গাজা সংবাদদাতা ওয়ায়েল দাহদুহের স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে এবং নাতি নিহত হয়েছিলেন। সেই ঘটনার কয়েকদিনের মাথায় এই হামলা হলো এবং আল জাজিরা কর্মীর পরিবারে বিপুল সংখ্যক প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটল।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর থেকেই গাজায় বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূখণ্ডটিতে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ইতোমধ্যেই সাড়ে ৮ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

নিহতদের মধ্যে সাড়ে ৩ হাজারেরও বেশি শিশু, ২ হাজারের বেশি নারী এবং প্রায় পাঁচশো বয়স্ক মানুষ রয়েছেন। এছাড়া ইসরায়েলের এই বিমান হামলা থেকে বাদ যাচ্ছে না গাজার কোনও অবকাঠামো।

তারা মসজিদ, গির্জা, স্কুল, হাসপাতাল, শরণার্থী শিবিরসহ বেসামরিক মানুষের বাড়ি-ঘর সব জায়গায় হামলা চালিয়ে আসছে। একইসঙ্গে গত ৮ অক্টোবর থেকে গাজায় সর্বাত্মক অবরোধও আরোপ করে রেখেছে ইসরায়েল।




যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েল সফরে বাইডেন

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

ইসরায়েল ‍ও হামাসের যুদ্ধের মধ্যেই ইসরায়েল সফরে যেতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তবে তার এই সফর এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সোমবার (১৬ অক্টোবর) একটি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি)।

মার্কিন কর্মকর্তরা দেশের প্রেসিডেন্টের সম্ভাব্য বিদেশ সফর নিয়ে প্রকাশ্যে কড়া বার্তা বলতে পারেন না। এ জন্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে এপির সঙ্গে কথা বলেছেন ওই মার্কিন কর্মকর্তা।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর থেকেই দেশটির পাশে শক্তভাবে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এরই মধ্যে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন প্রদর্শনের অংশ হিসেবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন তেলআবিব সফর করেছেন। সফরকালে তিনি ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

এবার এই যুদ্ধের মধ্যেই যদি মার্কিন প্রেসিডেন্ট তেলআবিব সফর করেন তাহলে তা হবে ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অনড় অবস্থানের আরেক শক্ত বার্তা। তবে বাইডেনের এই সফর ভালোভাবে না-ও নিতে পারে ইরান ও অন্যান্য আরব দেশগুলো। তারা যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে উসকানি হিসেবে দেখতে পারে।

এনএ/

এ ছাড়া এমন একসময়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইসরায়েল সফরের তথ্য সামনে আসছে যখন ইসরায়েলি সেনারা অবরুদ্ধ গাজায় বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরই মধ্যে এ হামলার জন্য গাজা সীমান্তে বহু সেনা জড়ো করেছে ইসরায়েল।




গাজার হাসপাতাল খালি করার ঘোষণা : ইসরাইল নতুন অপরাধ করেছে হামাস

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:
ফিলিস্তিনের হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার পর থেকে অবরুদ্ধ গাজায় নির্বিচার বিমান হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ হামলা থেকে কিছুই বাদ যাচ্ছে না। আবাসিক ভবন থেকে শুরু করে অ্যাম্বুলেন্স, হাসপাতাল, এমনকি গণমাধ্যমের কার্যালয়তেও হামলা চালাচ্ছে।

এখন আবার নতুন করে দখলদার সেনাবাহিনীর ঘোষণা দিয়েছে- উত্তর গাজা উপত্যকার আল আওদা সরকারি হাসপাতালসহ বেশ কয়েকটি হাসপাতাল সম্পূর্ণ খালি করার অনুরোধ জানিয়েছে।

অন্যদিকে, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জর্ডানের ফিল্ড হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মীদের স্ট্রিপ ছেড়ে না যাওয়ার এবং তাদের প্রধান ভূমি ত্যাগ না করার ঘোষণা দিয়েছে।

পরিবর্তে, হামাস বলেছে দখলদার সেনাবাহিনীর হাসপাতালগুলি খালি করার ঘোষণা আরেকটি নতুন অপরাধ। হাসপাতাল মৌলিক ও জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবার অন্তর্ভূক্ত এটি। এসেবা রোধ করা চরম অপরাধের শামিল।

ইসরায়েলকে হাসপাতালগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করার অপরাধমূলক পরিকল্পনা থেকে বন্ধ করতে হামাস আন্তর্জাতিক সংস্থাসহ জাতিসঙ্গকে জরুরিভাবে হস্তক্ষেপ করার আহব্বান জানিয়েছে। সূত্র : আল জাজিরা।




বেফাকের ১১তম জাতীয় কাউন্সিল শুরু

dnb news :

আজ শনিবার (৭ অক্টোবর) সকালে রাজধানী ঢাকার যাত্রাবাড়ী মাদরাসায় শুরু হলো কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড বেফাকের ১১তম জাতীয় কাউন্সিল। ইতিমধ্যে সারাদেশের মজলিসে উমুমির সাড়ে চার হাজার সদস্য উপস্থিত হয়েছেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করছেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল্লামা মাহমুদুল হাসান। পরিচালনায় আছেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাহফুজুল হক।

আল্লামা মাহমুদুল হাসানের উদ্বোধনী বয়ানের মাধ্যমে কাউন্সিল শুরু হয়েছে। উদ্বোধনপূর্ব বক্তব্য রেখেছেন কাউন্সিল বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মাওলানা সাজিদুর রহমান। সভায় বেফাকের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল্লামা মাহমুদুল হাসানের লিখিত বক্তব্য পাঠ করে শুনাচ্ছেন মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভি।

কাউন্সিলে উপস্থিত হয়েছেন, মধুপুরের পীর মাওলানা আব্দুল হামিদ, ঢালকানগর মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা জাফর আহমদ, মুফতি মনসুরুল হক, মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন রাজু, মুফতি ফয়জুল্লাহ, মাওলানা বাহাউদ্দিন জাকারিয়া, মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা মনীরুজ্জামানসহ দেশের শীর্ষ আলেম ও মাদরাসার মুহতামিমগণ প্রমুখ।

জানা গেছে- সবার কাছে সরাসরি আমন্ত্রণপত্র, ভয়েস রেকর্ড ও মোবাইল এসএমএস পাঠানো হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল্লামা মাহমুদুল হাসান ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাহফুজুল হকের বরাতে এই দাওয়াত করা হয়েছে। দায়িত্বশীলরা মনে করছেন-উৎসবমুখর পরিবেশে, মুরব্বিদের প্রতি শ্রদ্ধা ভক্তি বজায় রেখেই জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে।

সারাদেশ থেকেই বৈরি আবহাওয়া সত্বেও ব্যাপক উপস্থিতি চোখে পড়েছে। অনেকেই মাঝ রাতে বা ভোরে এসে পৌঁছেছেন। তাদের জন্য ইস্তেকবাল ও আপ্যায়নের সুব্যবস্থা ছিলো। যথেষ্ঠ সৃঙ্খলার সঙ্গে সভার কাজ চলছে। মেহমানদের জন্য সব রকম আয়োজন রয়েছে।




বিশেষ অবদানের জন্য স্বর্ণপদক পেলেন মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী

dnb news:

শিক্ষা, সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য স্বর্ণপদকে ভূষিত হলেন মাওলানা উবায়দুর রহমান খান নদভী। তিনি বাংলাদেশ কওমি শিক্ষা বোর্ডের (বেফাক) এর প্রধান পরিচালক। লেখালেখি, সাংবাদিকতা ও গবেষণায় তার বিশেষ অবদান রয়েছে।

চট্রগ্রামের বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদ বাংলাদেশ এই পুরস্কার দিয়েছে।

বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রামে অবস্থিত কেন্দ্রীয় বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে স্বর্ণপদকে ভূষিত করা হয়। এ ছাড়াও সমাজ সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য আরও তিনজনকে দেওয়া হয় এ সম্মাননা।

মাওলানা নদভী ছাড়াও স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত বাকি তিন ব্যক্তি হলেন, আরবি সাহিত্য চর্চায় বিশেষ অবদানের জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আরবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস, বরেণ্য শিল্পোদ্যোক্তা হিসেবে জাতীয় অর্থনীতিতে বিশেষ অবদানের জন্য এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলম এবং মানবতাবাদী চিকিৎসক হিসেবে সকল শ্রেণির রোগীর কল্যাণ ও সমাজ সেবায় বিশেষ অবদানের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির সহসভাপতি ডা. তৈয়ব সিকদার।

সভাপতিত্ব করেন বায়তুশ শরফের পীর ও সংগঠনের সভাপতি শায়খ আল্লামা মুহাম্মদ আবদুল হাই নদভী। এতে উপস্থিত ছিলেন বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার শিক্ষক শিক্ষার্থী, সংগঠনের সদস্যসহ গুণীজনরা।