১৫৭ নেত্রকোণা-১ আসনে জামানত হারালেন চার প্রার্থী

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫৭ নেত্রকোণা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনে ৪ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মোঃ আলকাছ উদ্দীন মীর, জাতীয় পার্টির আনোয়ার হোসেন খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোঃ আব্দুল মান্নান সোহাগ, জেএসডি’র ইঞ্জিনিয়ার মোঃ বেলাল হোসেন।

নির্বাচন কমিশনের পরিপত্র বা তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকায় প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনে দুর্গাপুর উপজেলার ৬১ ও কলমাকান্দা উপজেলার ৬৩টি ভোট কেন্দ্রে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৯ জনের মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩০ হাজার ২৪৯ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ২২ হাজার ৮৩৬ ও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন।

আসনটিতে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৯২১ টি। বাতিল ভোট ৬ হাজার ৪২৫টি। বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৫১ হাজার ৪৯৬ টি। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৫৭.৩। সে অনুযায়ী একজন প্রার্থীর জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৩১ হাজার ৪৩৭ ভোট। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৬জন প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি ও ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী তাঁদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন।

এই আসনে বাকি ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে মো. আলকাছ উদ্দিন মীর (কাস্তে প্রতিকে) ৪,৩৫৮, মো. আব্দুল মান্নান (হাতপাখা প্রতিকে) ২,২০১, মো. আনোয়ার হোসেন খান (লাঙ্গল প্রতিকে) ১,০০৭ এবং মো. বেলাল হোসেন (তারা প্রতিকে) ৩৩৪ ভোট পাওয়ায় ওই চার প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে বলে জানিয়েছেন দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার আফরোজা আফসানা।




রমজানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও বাজার স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

নতুন সরকারের যাত্রা শুরু হলো কঠোর বার্তা দিয়ে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রমজান উপলক্ষে সেহরি, ইফতার ও তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা স্পষ্ট করে দেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর সরকার গঠন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে দলটির মহাসচিব ও সংসদীয় দলের নেতা তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তার নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় রয়েছেন ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া তিনজন টেকনোক্র্যাটও অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন করে। প্রধানমন্ত্রিত্বের পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের দায়িত্বও নিজের কাছে রেখেছেন তারেক রহমান।

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত এই বৈঠক ছিল মূলত পরিচিতিমূলক। তবে সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়গুলো নিয়েই আলোচনা হয়েছে বেশি। বেলা ৩টার দিকে বৈঠক শুরু হয়। এর আগে বেলা ১২টা ৩৫ মিনিটে সরকারপ্রধান সচিবালয়ে পৌঁছান।

বৈঠক শেষে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ সাকি জানান, সরকার ১৮০ দিনের একটি রোডম্যাপ ঘোষণা করবে। তিনি বলেন, “এই সময়ের মধ্যে গৃহীত কর্মসূচি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে। রমজানে যেন স্বস্তিদায়ক পরিবেশ থাকে, বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে, সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।”

সাকি আরও বলেন, নির্বাচনি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সময় নষ্ট না করে মূল কাজে মনোযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। “অপ্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা কমিয়ে ইশতেহারের অঙ্গীকারগুলো দ্রুত বাস্তবায়নে এগোতে হবে,” বলেন তিনি। দুর্নীতির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন বলেও জানান অর্থ প্রতিমন্ত্রী। তার ভাষায়, “তিনি একটি ক্লিন গভর্নমেন্ট গড়ার কথা বলেছেন। কেউ যেন ক্ষমতা ব্যবহার করে দুর্নীতির সুযোগ না পায়, সে বিষয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন।”

শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর বলেন, রমজানকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সেহরি, ইফতার ও তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “জনগণ আমাদের কাছ থেকে সুশাসন ও জবাবদিহিতা চায়। প্রধানমন্ত্রী মনে করিয়ে দিয়েছেন, আমরা যেন স্বজনপ্রীতি ও প্রভাবমুক্ত থেকে কাজ করি।”

নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্য কার্ড চালু করা এবং ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের জন্য উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। নুরুল হক নুর জানান, মধ্যপ্রাচ্যে শ্রমবাজার সম্প্রসারণ নিয়েও তিনি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শও পাওয়া গেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “প্রাথমিক অগ্রাধিকারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ চেইন মনিটরিং এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।” তিনি জানান, ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনা পরে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জাহেদুর রহমান বলেন, রোজায় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং ঈদে নির্বিঘ্নে ঘরে ফেরা নিশ্চিত করার বিষয়েও নির্দেশ দিয়েছেন সরকারপ্রধান। একই সঙ্গে গণমাধ্যম কমিশন সংক্রান্ত প্রস্তাব নিয়েও কাজ এগিয়ে নেওয়ার কথা হয়েছে।

বৈঠকে সরকারের প্রথম ১০০ দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধার, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও প্রশাসনিক সংস্কারকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি উঠে আসে আলোচনায়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে একটি প্রাথমিক প্রতিবেদনও উপস্থাপন করা হয়।

নতুন সরকারের প্রথম বৈঠকেই রমজানকে কেন্দ্র করে বিদ্যুৎ, বাজার ও সুশাসনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা স্পষ্ট হলো। এখন নজর বাস্তবায়নের দিকে।




ডা. শফিকুর রহমান ও নাহিদ ইসলামের পর এবার পীর সাহেব চরমোনাই এর সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন তারেক রহমান

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

এবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় পুরানা পল্টনের নোয়াখালী টাওয়ারে ইসলামি আন্দোলনের দলীয় কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎকার হওয়ার কথা রয়েছে।

বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

এর আগে রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রথমে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ও পরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের বাসায় যান তারেক রহমান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরকার গঠনের পথে বিএনপি। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি সকালে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ও বিকালে মন্ত্রিসভার সদস্য শপথ হওয়ার কথা রয়েছে।




এবারের মন্ত্রিসভায় কে হচ্ছেন নতুন ধর্মমন্ত্রী?

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

ভূমিধস বিজয় পেয়েছে বিএনপি। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান হচ্ছেন দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী। আগামী মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) যাত্রা করতে যাচ্ছে নতুন সরকার। মন্ত্রিসভায় কারা স্থান পাচ্ছেন সেটা নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। এর মধ্যে ইসলামপন্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রসঙ্গটি। কে আসছেন এই মন্ত্রণালয়ে সেটা নিয়ে রয়েছে কৌতূহল। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মতো তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারও কোনো আলেমকে এই পদে বসাচ্ছে কি না সেটা নিয়েও রয়েছে আলোচনা।

মন্ত্রিসভায় কে বা কারা স্থান পাবে সেটা নির্ধারণের সম্পূর্ণ এখতিয়ার তারেক রহমানের। যেহেতু বিএনপি একাই দুই তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে সেজন্য এককভাবে বিএনপি-প্রধানই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন সব।

ইতোমধ্যে হবু প্রধানমন্ত্রী দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা করেছেন। মন্ত্রিসভার প্রকৃতি কী হবে, কারা কারা স্থান পেতে পারেন, সেসব বিষয় অনেকটা চূড়ান্ত হওয়ার পথে। শেষ মুহূর্তে কিছু পরিবর্তন-পরিবর্ধন আসতে পারে।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে আসতে পারেন সে ব্যাপারে সর্বপ্রথম যে নামটি রয়েছে তিনি হলেন কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। দীর্ঘদিন বিদেশে নির্বাসন থেকে ফিরে কুমিল্লা-৩ আসন থেকে তিনি ষষ্ঠবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়টি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ। এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যিনি থাকেন তাকে নানা ইস্যুতে ইসলামপন্থীদের সঙ্গে সরকারের সমন্বয় করতে হয়। এই কাজে অনেকটা পারদর্শী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ। আলেম-উলামা ও দীনদার মানুষদের সঙ্গে তার বিশেষ সংযোগ রয়েছে। এ হিসেবে তিনি ধর্মমন্ত্রী হিসেবে আলোচনায় অনেকটা এগিয়ে আছেন। শেষ পর্যন্ত ধর্মমন্ত্রী অন্য কেউ হলেও তিনি মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন। এক্ষেত্রে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন।

কায়কোবাদ না হলেও বিএনপি দলীয় অন্য কেউও হতে পারেন ধর্মমন্ত্রী। আবার বিএনপির শরিক জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুকের আলোচনাও আছে কোনো কোনো মহলে। তবে বিএনপির মন্ত্রিসভায় কোনো আলেম না থাকার সম্ভাবনাই বেশি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।




তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় কারা আসছেন, আলোচনায় রয়েছে যাদের নাম

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে প্রায় ২০ বছর পর ক্ষমতায় ফিরছে বিএনপি। দলটির মূল কান্ডারি তারেক রহমান হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ইতোমধ্যে সাজাতে শুরু করেছেন তার মন্ত্রিসভা। দুই তিন দিনের মধ্যেই যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে নতুন সরকার। এবারের মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ ও তরুণ, নির্বাচিতদের পাশাপাশি টেকনোক্রেট কোটায়ও যুক্ত হচ্ছেন কেউ কেউ।

সূত্রে জানা গেছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতির জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। স্পিকার হিসেবে ড. আব্দুল মঈন খান, মির্জা আব্বাসকে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, সালাহউদ্দিন আহমদকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং আ ন ম এহসানুল হক মিলন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকেও মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির বিষয়টি বিবেচনাধীন। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে স্থায়ী কমিটি এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের নাম বিবেচনা করা হচ্ছে।

নতুন মন্ত্রিসভায় নয়া মুখ হিসেবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে রুহুল কবির রিজভী (টেকনোক্র্যাট), জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ইসমাইল জবিউল্লাহ (টেকনোক্র্যাট), হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (টেকনোক্র্যাট) এবং স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানির নাম বিবেচনায় আছে।

চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও আইনজীবী ফজলুর রহমানও আলোচনায় রয়েছেন। ববি হাজ্জাজ, আন্দালিব রহমান পার্থ, নুরুল হক নূর, ড. রেজা কিবরিয়া ও মোস্তফা জামাল হায়দারের নাম আলোচনায় আছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ পর্যন্ত বেসরকারিভাবে ২৯৭টি আসনের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ২৯৭টি সংসদীয় আসনের মধ্যে বিএনপি ২০৯টিতে জয়ী হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নতুন মন্ত্রিসভা গঠন হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বিএনপি দুই দশক পর ফের সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে দলের নেতৃত্ব এখন তার ছেলে তারেক রহমানের কাঁধে। দলীয় প্রধান হিসেবে তিনিই হতে যাচ্ছেন নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী।




নেত্রকোনা ১ আসন (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) কে মডেল আসন হিসেবে গড়ে তুলবো-ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

সবার আগে বাংলাদেশ, আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী, বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে জুলাই যোদ্ধাদের পরিবারে ঢাল হিসেবে কাজ করবে, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের কল্যানে কাজ করবে, আগামী নির্বাচন তারেক রহমানকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করার নির্বাচন। সেইসাথে মাদক, কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিংএর মুলোৎপাটন করে দুর্নীতিতে বিদায় জানাতে কাজ করবে বিএনপি, নেত্রকোনা ১ আসন (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) কে মডেল আসন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবে। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, দুর্গাপুর উপজেলা ও পৌরবিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন, নেত্রকোনা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, কেন্দ্রীয় বিএনপি‘র আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে সুসং সরকারি মহাবিদ্যালয় মাঠে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা হাজার হাজার সাধারণ ভোটারগণ তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা, প্রত্যাশা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সহ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি নির্বাচিত হলে কি কি কাজ করবেন তা তুলে ধরেন।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, একটি দল সাধারণ মানুষের কাছে জান্নাতে যাওয়ার জন্য ভোট চাইছেন, এই ধরনের নাযায়েজ কথা শোনা থেকে সকলকে বিরত থাকতে হবে। আগামী নির্বাচন আমাদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জের নির্বাচন। এই জাতিধর্ম নির্বিশেষে সকলকে রক্ষা করার চ্যালেঞ্জ। তারেক রহমান ঘোষিত উন্নয়ন–ভিশন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সীমান্ত অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অবহেলা দূর করার চ্যালেঞ্জ। মুসলমান ভাইদের ঈমান রক্ষার চ্যালেঞ্জ। কাজেই আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট দেয়ার আহবান জানান তিনি।

বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, অত্র এলাকার তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে, কৃষকদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং সীমান্ত এলাকায় পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। আমি আপনাদের কাছে যে ওয়াদাগুলো দিচ্ছি, আমাকে নির্বাচিত করুন, আমি তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবো ইনশাআল্লাহ্।

অতীতে কোন সরকার শ্রমিকদের কল্যানে কাজ করেনি, বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, সেই ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করে বিভিন্ন সরকারি ভাতা ও কার্ড পেতে দলীয় নেতা বা জনপ্রতিনিধিকে তোষামোদ করতে হবে না। আমি ক্ষমতার রাজনীতি করতে আসিনি, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে এসেছি। যতদিন রাজনীতিতে থাকবো, ততদিন ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের সংগ্রাম চালিয়ে যাবো। আমি আল্লাহর নামে শপথ করে বলছি, নেত্রকোনা- ১ আসনকে একটি শ্রমিকবান্ধব, দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলবো।

নির্বাচনী জনসভায় বিপুল সংখ্যক সাধারণ ভোটার, বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, জমিয়তে ইসলাম ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, বীরমুক্তিযোদ্ধাগণ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। ব্যারিস্টার কায়সার কামালের বক্তব্য শুনে, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি করেন ভোটারগণ।




কারা অধিদপ্তরকে ১৩ হাজার ধর্মীয় বই উপহার দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়

ডিএনবি ‍নিউজ ডেস্ক:

কারা অধিদপ্তরকে ১৩ হাজার ধর্মীয় বই উপহার দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসব বই হস্তান্তর করা হয়।

ধর্ম উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, দেশের ৬৮টি কারাগারে থাকা প্রায় ৭০ হাজার কয়েদি ও হাজতির নৈতিক উন্নয়ন ও মানসিক পরিবর্তন, কয়েদিদের অপরাধ থেকে দূরে রাখতে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নামাজের ব্যবস্থা এবং ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে ধর্মীয় ও নৈতিকতাভিত্তিক বই, জায়নামাজ এবং অন্যান্য সামগ্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর হাতে ১৩ হাজার কপি বই হস্তান্তর করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

এসময় স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন, এনডিসি, পিএসসি ও স্বরাষ্ট্র ও ধর্ম উপদেষ্টার দুই একান্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন।




নেত্রকোনা ১ আসনে  রিক্সা মার্কার প্রার্থী  গোলাম রাব্বানীকে বিজয় নিশ্চিত করতে আহবান, দুর্গাপুরে আল্লামা মামুনুল হক

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, দেশ বর্তমানে দুইটি ভাগে বিভক্ত, একদিকে এগারোটি দল আর অন্য দিকে একটি দল। গুন্ডা-মান্তান দিয়ে ভোটকেন্দ্র দখল করে ব্যালট পেপার ছিনতাই করার দিন শেষ হয়ে গেছে। কেউ যদি ব্যালটের রায় পরিবর্তনের চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় সুসং সরকারি মহাবিদ্যালয় মাঠে এগারো দলীয় এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নেত্রকোনা জেলা শাখার সভাপতি আল্লামা জিয়া উদ্দীন সাহেব (দা: বা:) এর সভাপতিত্বে, অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, এনসিপি‘র কেন্দ্রীয় নেতা প্রিতম সোহাগ, ফয়সাল মাহমুদ, ছাত্র শিবির জাবি শাখার সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন, জামায়েতে ইসলামী জেলা শাখার আমীর অধ্যাপক মাও: সাদেক আহমাদ হারিছ, কলমাকান্দা উপজেলা শাখার আমীর অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাসিম, দুর্গাপুর উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক, ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী গোলাম রব্বানী সহ অন্যন্য নেতাকর্মী ও আলেম মাশায়েকগণ বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘‘১১ দলীয় ঐক্যজোট গঠিত হয়েছে একক নেতার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য নয়, কোন একটি দলের স্বার্থ উদ্ধার করার জন্য নয়, দলের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নয়, গঠিত হয়েছে বাংলার মানুষের ভাগ্য গড়বার জন্য, ১১ দল নিজের দলের প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন করছে না, নির্বাচন করছে ইনছাফের বাংলাদেশ গড়ার জন্য। কোন চাঁদাবাজ, ‘‘টেন্ডারবাজের কাছে ভোটকেন্দ্র ছেড়ে দেয়া যাবে না। দেশের সম্পদ বিদেশে পাচারের জন্য যারা নির্বাচন করছে তাদের ভোট দিবেন না। নির্বাচনের দিন সকলেই সকাল সকাল ভোট কেন্দ্রে যাবেন এবং আমাদের সমমনা মানুষের ভোট কাস্টিং করাবেন।

বক্তারা আরো বলেন, জুলাইয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই ১১ দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, বিদেশী আধিপত্যবাদী শক্তি যুগের পর যুগ বছরের পর বছর বাংলার মানুষের মাথার ওপর তাদের দোসর এবং সেবা দাসদেরকে বসিয়ে বাংলাদেশ থেকে তারা রক্ত চুষে খেয়েছে, ধনসম্পদ লুটেপুটে খেয়েছে, এক দোসরের দিন শেষ হলে নতুন করে আরেক দোসরকে বসানোর পায়তারা চালিয়েছে। এবার বাংলার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, আর কোন দোসরের চেহারা দেশাবাসী দেখতে চায় না, আলেমদের নিয়ে যা খুশি তা বলা শুরু করেছে। আমরা কোন মন্তব্য না করে ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। নেত্রকোনা ১ আসনে  রিক্সা মার্কার প্রার্থী  গোলাম রাব্বানীকে বিজয় নিশ্চিত এবং ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে আহবান জানানো হয়।

প্রধান অতিথি আল্লামা মামুনুল হক বলেন, ‘স্বাধীন বাংলার মানুষের ন্যায় ও ইনসাফের স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। গত ৫৪ বছর ধরে শাসনের নামে এ দেশের মানুষের ওপর শোষণ চালানো হয়েছে এবং মানুষের বিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লব বাস্তবায়ন করতে, শহিদদের রক্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং শরীফ ওসমান হাদির মতো যোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য গণভোটে ‘‘হ্যাঁ’’ বাক্সে সিল দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। সভা শেষে মোনাজাতের মাধ্যমে জনসভা সমাপ্ত করা হয়।




জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) রণক্ষেত্র, সংঘর্ষে দুই পক্ষের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ আহত ৩০

আন্তবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই পক্ষ। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ধোপখোলায় আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আহতদের পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, আজ  বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ধূপখোলায় আন্তবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে অংশ নেয় ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ। খেলার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর ট্রাইবেকার চলাকালীন দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে সংঘাতে রূপ নেয়। পরে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই বিভাগের শিক্ষার্থীরা।




আমার প্রতি আস্থা রেখে ভোট দিন, প্রতিটি ওয়াদাই পালন করবো দুর্গাপুরে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, আলেম উলামাদের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করবে। স্থানীয়ভাবে মাদরাসার শিক্ষকদের কাজে লাগানো হবে। সেইসাথে মাদক, কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিংএর মুলোৎপাটন করা হবে, আমি দুর্নীতি করবো না, কাউকে দুর্নীতি করতেও দেবো না। একমাত্র বিএনপি‘র কাছেই আলেম উলামাগণ সম্পুর্ন নিরাপদ। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, উলামা মাশায়েখ সম্মেলনে এই কথা বলেছেন, নেত্রকোনা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, কেন্দ্রীয় বিএনপি‘র আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে স্থানীয় শহীদ মিনার চত্বরে, উপজেলা বিএনপি ও উপজেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এর আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শত শত আলেম উলামা ও সাধারণ ভোটারগণ তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা, প্রত্যাশা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সহ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি নির্বাচিত হলে কি কি কাজ করবেন সেই প্রশ্ন তুলে ধরেন।

উলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে জমিয়তের জেলা শাখার সভাপতি  মাওলানা মুফতি তাহের কাসেমী সাহেব এর সভাপতিত্বে এনায়েত উল্লাহ্ খানের সঞ্চালনায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ ইমাম হাসান আবুচান, পৌর বিএনপি সভাপতি আতাউর রহমান ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক হারেজ গণি, মুফতি আবুল কাশেম সাদী, হযরত মাওলানা মফিজুর রহমান, হাফেজ আবুল কাশেম,  মাওলানা রুহুল আমীন নগরী, মাওলানা এ কে এম জহিরুল হক, মাওলানা আব্দুস সালাম প্রমুখ। এছাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম উপজেলা ও পৌর শাখার নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা সবাই বাংলাদেশী। আলেম উলামাগন আমাদের জনগোষ্ঠীর একটা পার্ট। বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে আলেম উলামাদের নিয়ে জনকল্যানমুলক কাজ করবে। এলাকা থেকে মাদক, কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিং চিরতরে নির্মুল করার পদক্ষেপ নিবে। ইউনিয়ন ভিত্তিক মসজিদ-মাদরাসা গুলোতে দ্বীনি শিক্ষায় নিয়োজিত করে আলেম উলামাদের জন্য কাজ করা হবে। বিজ্ঞান ভিত্তিক কৃষিকাজের প্রকল্প হাতে নিয়ে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের কাজে লাগানো হবে।

তিনি আরো বলেন, মাদকের কারণে শুধু দুর্গাপুর নয়, কলমাকান্দা উপজেলারও অনেক পরিবার আজ ক্ষতিগ্রস্ত। আমি যেদিন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি, সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছি, আপনারা যদি আমাকে এলাকায় কাজ করার সুযোগ দেন আর আমি যদি এমপি নির্বাচিত হই, তাহলে মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকবে। এছাড়া দুর্গাপুরে অনার্স কোর্স চালু, ও খেলাধুলার পরিবেশ তৈরী করার বিষয়ে সহায়তা করবেন বলে তিনি ওয়াদা করেন। আমার প্রতি আস্থা রেখে ভোট দিন, আমার দেয়া প্রতিটি ওয়াদাই পালন করবো ইনশাআল্লাহ্। আর যদি ওয়াদা গুলো পুরণ করতে না পারি তাহলে আর কোনদিন আসবো না ভোট চাইতে।