দক্ষিণ লেবাননে বহু ইসরায়েলি সেনা হতাহত

দক্ষিণ লেবাননের রণাঙ্গনে যুদ্ধ জোরদার হওয়ার প্রেক্ষাপটে দখলদার ইহুদিবাদী ইসরায়েলি সেনাদের ওপর ড্রোন হামলার ঘটনা সংঘাতকে করে তুলেছে আরও উত্তেজনাপূর্ণ।

ডিএনবি নিউজ আন্ত: ডেস্ক-

ইহুদিবাদী সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে একটি ড্রোন বিস্ফোরণের ঘটনায় দক্ষিণ লেবাননে ৮ ইসরায়েলি সেনা আহত হয়েছে। সীমান্ত-এলাকায় সংঘর্ষ জোরদারের মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে। ইসরায়েলি সশস্ত্র বাহিনী তাদের এক সেনা নিহত ও তিন জনের আহত হওয়ার কথা স্বীকার করেছে।

এদিকে হিজবুল্লাহ’র সূত্রগুলো সম্প্রতি লেবাননের আবাসিক এলাকাগুলোয় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকার খবর দিয়েছে। এইসব হামলায় অন্তত ৩৪ লেবাননি শাহাদাত বরণ করেছেন।

যুদ্ধের ময়দানের সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইসরায়েলি সেনাদের ৯৮ নম্বর ডিভিশন সীমান্তবর্তী শহর বিনতে যোবাইল, মারুন আর রাস ও এইনাসাসহ বিভিন্ন এলাকায় অনুপ্রবেশ ও অগ্রযাত্রা জোরদার করেছে; এইসব এলাকায় গত কয়েক দিনে হিজবুল্লাহ’র প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সঙ্গে হানাদার ইসরায়েলি সেনাদের তীব্র সংঘর্ষ হয়েছে।

এরিমধ্যে ইসরায়েলি বাহিনী গতকাল (সোমবার) ঘোষণা করেছে যে তাদের বাহিনী বিনতে যোবাইল শহর ঘেরাও করে ফেলেছে, যদিও রণাঙ্গনে যুদ্ধ অব্যাহত রয়েছে বলে খবর আসছে।

হিজবুল্লাহ’র মহাসচিব এক ঘোষণায় সীমান্ত-সংলগ্ন শহরগুলো থেকে ইহুদিবাদী নাগরিকদের সরে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
সূত্র: পার্সটুডে




হরমুজ প্রণালী থেকে দুটি তেলবাহী ট্যাংকার ফিরে গেছে

ইকোনমিক গ্রুপ এবং ব্লুমবার্গ স্যাটেলাইট চিত্রের কথা উল্লেখ করে ফার্সনিউজ এজেন্সি জানিয়েছে আজ রবিবার হরমুজ প্রণালী দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশের চেষ্টাকারী দুটি খালি তেলবাহী ট্যাংকার ফিরে গেছে।

ডিএনবি নিউজ আন্ত: ডেস্ক-

সংস্থাটি দাবি করেছে যে, তবে মোম্বাসা বি নামের একটি তেলবাহী ট্যাংকার ইরানের অনুমোদিত একটি পথ (লার্ক দ্বীপ এবং কেশমের মধ্যবর্তী) দিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে।

ইরান বারবার বলেছে যে, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা তেহরানের অনুমতি, আইআরজিসি নৌবাহিনীর অনুমোদন এবং ইরানের পক্ষ থেকে নিরাপদ পথ নিশ্চিত করার ওপর নির্ভরশীল। এবং সাম্প্রতিক সময়ে প্রণালী থেকে জাহাজ ফিরে আসা কোনো নতুন বিষয় নয়। যখন ট্রাম্প ইরানের দশটি শর্ত মেনে নিয়ে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হন, তখন ইসরায়েল আলোচনা শুরুর একটি শর্ত, অর্থাৎ লেবাননে হামলা না করার শর্তটি লঙ্ঘন করার সাথে সাথেই ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয়; একই সময়ে, স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে ইরানি জাহাজ ছাড়া অন্য কোনো জাহাজ প্রণালীটি দিয়ে যাতায়াত করছিল না।

এরপর খবর আসে যে, ইরানের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়ার জন্য জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালীর মুখে জড়ো হচ্ছে। স্যাটেলাইট চিত্র থেকে বোঝা যায় যে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী ৭০ শতাংশেরও বেশি ট্যাংকার হয় ইরানি অথবা ইরানের সাথে তাদের যোগসূত্র রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল-মার্কিন জোটের আক্রমণের পর হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতি আর আগের মতো হবে না এবং হরমুজ প্রণালীতে থাকা ইরানি সামরিক বাহিনীই নির্ধারণ করবে কোন জাহাজ কোন পণ্য নিয়ে যেতে পারবে। ব্লুমবার্গের প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রধান বেকা ওয়াসারের মতে, হরমুজের ব্যাপারে এই আদেশ ইরানের শর্ত সাপেক্ষে এবং শিগগিরই এর কোনো পরিবর্তন হবে না।#

সূত্র: পার্সটুডে




আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত থাকবে: হিজবুল্লাহ

ডিএনবি নিউজ আন্ত: ডেস্ক-

তাসনিম সংবাদ সংস্থার আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিজবুল্লাহ এক বিবৃতিতে জানায়: আজ ভোরে তারা যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, তা লেবানন ও তার জনগণের প্রতিরক্ষার জন্য এবং শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের জবাবে করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিরোধ বাহিনী যুদ্ধবিরতি মেনে চললেও শত্রুপক্ষ তা মানেনি। তাই ইসলামি প্রতিরোধ যোদ্ধারা “আল-মানারা” বসতিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে লক্ষ্যবস্তু বানায়।

হিজবুল্লাহ আরও জোর দিয়ে বলেছে: আমাদের দেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে ইসরায়েল-আমেরিকার আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এই প্রতিক্রিয়া চলতে থাকবে।

ইসরায়েলি গণমাধ্যম বৃহস্পতিবার ভোরে জানায়, লেবানন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর দখলকৃত উত্তর ফিলিস্তিনের বিভিন্ন বসতিতে সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে।

তাদের তথ্য অনুযায়ী, “কিরিয়াত শিমোনা”, “আল-মানারা” এবং “মারগালিওত” বসতিতে সাইরেন শোনা গেছে। এছাড়া হিব্রু সূত্রের দাবি, অন্তত একটি হিজবুল্লাহ ক্ষেপণাস্ত্র আল-মানারা বসতিতে আঘাত হেনেছে।

ইসরায়েলের চ্যানেল ১৫ আরও জানায়: “৯ ঘণ্টা শান্ত থাকার পর আবারও হিজবুল্লাহর রকেট হামলা শুরু হয়েছে, উত্তরে পরিস্থিতি শান্ত হচ্ছে না।”#

সূত্র: পার্সটুডে




ভারতের পশ্চিমবঙ্গে তালিকা থেকে বাদ ৯০ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪৫জন ভোটার, সিংহভাগই মুসলিম

ডিএনবি নিউজ আন্ত: ডেস্ক-

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন দুয়ারে হাজির। এর আগে ভোটার তালিকা সংশোধন (এসআইআর) ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তেজনা তুঙ্গে উঠেছে। গত সোমবার (৬ এপ্রিল) গভীর রাতে ভারতের নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত জেলা-ভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে মোট ৯০ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪৫ জনের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। তাদের সিংহভাগই মুসলিম বলে উঠে এসেছে একটি সমাজ-গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষণে।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ার আওতায় মোট ৬০ লাখ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটারকে ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় রাখা হয়েছিল। তাদের মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ের পর ৩২ লাখ ৬৮ হাজার ১১৯ জনের নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, অন্যদিকে ২৭ লাখ ১৬ হাজার ৩৯৩ জনের নাম চূড়ান্তভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত প্রথম চূড়ান্ত তালিকাতেই ৬৩ লাখ ৬৬ হাজার ৯৫২ জনের নাম বাদ পড়েছিল। ফলে সব মিলিয়ে বাদ পড়া নামের সংখ্যা ৯০ লাখের গণ্ডি পেরিয়ে গেল। যদিও তৃণমূল সভানেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ যাবে।

জেলা অনুযায়ী পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, মুর্শিদাবাদেই সবচেয়ে বেশি ৪ লাখ ৫৫ হাজার ১৩৭ জনের নাম বাদ পড়েছে। তার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা (৩ লাখ ২৫ হাজার ৬৬৬) এবং মালদহ (২ লাখ ৩৯ হাজার ৩৭৫)। এই তিন জেলাতেই ছাঁটাইয়ের মাত্রা তুলনামূলক বেশি।

তবে এখনও প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়নি বলেই জানিয়েছে কমিশন। বিবেচনাধীন তালিকার ৫৯ লাখ ৮৪ হাজার ৫১২ জনের তথ্য প্রকাশিত হলেও, প্রায় ২২ হাজারের বেশি ক্ষেত্রে ই-স্বাক্ষর বাকি রয়েছে। সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে চূড়ান্ত সংখ্যায় কিছু পরিবর্তন হতে পারে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।

এদিকে পশ্চিমবঙ্গের সমাজ গবেষণা সংস্থা ‘সবর ইনস্টিটিউট’এর বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের ফলে যাদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের সিংহভাগই মুসলমান। বিশেষ করে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর আসন নন্দীগ্রামে যে ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে, তাদের ৯৫.৫ শতাংশই মুসলিম।

২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের তথ্য বলছে নন্দীগ্রামে আড়াই লক্ষের বেশি ভোটারের মধ্যে প্রায় ২৬ শতাংশ মুসলিম। প্রথমে ২৮ ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত খসড়া তালিকায় নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের ১০ হাজারেরও বেশি ভোটারের নাম বিবেচনাধীন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। পরে অতিরিক্ত তালিকা মিলিয়ে নন্দীগ্রামের ভোটার তালিকা থেকে মোট ২,৮২৬ জনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৭০০ জন মুসলিম এবং ১২৬জন অমুসলিম। অর্থাৎ বাদ যাওয়া নামের ৯৫.৫ শতাংশ মুসলমান, জানিয়েছে ‘সবর ইনস্টিটিউট’।

গবেষণা সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘এর ফলে এসআইআর প্রক্রিয়া এবং তার প্রভাব সম্পর্কে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বাদ পড়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪৮.৯ শতাংশ নারী এবং ৫১.১ শতাংশ পুরুষ, যা থেকে বোঝা যায় যে এই সমস্যা লিঙ্গ নির্বিশেষে একটা নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে প্রভাবিত করে।’

এছাড়াও মুসলমান অধ্যুষিত অন্যান্য জেলাতেও বহু সংখ্যক মুসলমান ভোটারের নাম বাদ গেছে তালিকা থেকে। বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে আছেন বাংলার নবাব মীর জাফরের পরিবারের উত্তরসূরীদের অন্তত দেড়শো জন। আবার মালদা জেলার মুসলমান অধ্যুষিত সুজাপুর আর মোথাবাড়িতে গত সপ্তাহে যে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছিল, সেই দুটি অঞ্চলের প্রায় দুই লাখ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে তালিকা থেকে।

এদিকে এসআইআর-এ ৯০ লাখ নাম বাদ দেওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও মোদি সরকারের প্রতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল সভানেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার অভিযোগ, টার্গেট করে বেছে বেছে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তার বক্তব্য, দেখে দেখে মতুয়া, রাজবংশী, সংখ্যালঘু- একটা সম্প্রদায়ের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা, কলকাতা২৪




সর্বাঙ্গ ব্যথা, ওষুধ দেবো কোথায়, হাসপাতালে এসে দেখি, হাসপাতালেরও সর্বাঙ্গে ব্যথা: ডেপুটি স্পিকার

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:-

ডেপুটি স্পিকার ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, আমরা এই দেশেরেই মানুষ, এতএব আমরা একটু সদয়ভাবে যদি নিজেকে চিন্তা করি, সেবার মানসিকতা নিয়ে যদি এগোতে পারি তাহলে ভালো হবে।

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে শনিবার (০৪ এপ্রিল) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। এ-সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাফিকুজ্জামান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা আফসানা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. তানজিরুল ইসলাম রায়হান,  ওসি কামরুল হাসান প্রমুখ।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আরও বলেন, রাষ্ট্রের সাংবিধানিক কিছু বাধ্যবাধকতা আছে, তার মধ্যে স্বাস্থ্য সেবাটা একটা পরে। এই স্বাস্থ্যের অবস্থা এতো ভয়াবহ, এটা আসলে খুবই দুঃখজনক। আমরা দুঃখজনক বলে যদি বসে থাকি তাহলে হয়তো হবে না। আমি কথাই বলি সর্বাঙ্গ ব্যথা, ওষুধ দেবো কোথায়। হাসপাতালে এসে দেখি, হাসপাতালেরও সর্বাঙ্গে ব্যথা।

তিনি বলেন বলেন, এই এলাকার এমপি হিসেবে দেড় মাস হয়েছে আমি দায়িত্ব নিয়েছি। আমি চেষ্টা করব সর্বোচ্চটা দিয়ে যেন স্বাস্থ্য সেবাটা নিশ্চিত করতে পারি। পাশাপাশি এর মধ্যেই আমরা চেষ্টা করবো যারাই আছেন এই হাসপাতালে, কমবেশি অভিযোগ আছে। দেখেছি এর আগেও দুর্নীতি দমন কমিশনের একটা অভিযান হয়েছে হাসপাতালের জন্য, এটা বদনামের বিষয়। যিনি এখন দায়িত্বে আছেন, এছাড়াও যারা দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা আছেন আমরা যদি তার মাপকাঠিতে আরেকটু এগিয়ে যাই, তাহলে হয়তো এই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না।

চিকিৎসা সেবার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি আউটডোরে প্রবেশ করে দেখলাম রোগীদের কিছু কমন ঔষধ দেওয়া হচ্ছে। যে ক’জনকে দেখছি, সবার হাতেই একই ঔষধ। এ বিষয়ে সতর্ক হতে হবে।

চিকিৎসকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, রোগীদেরকে আপনারা মা-বোন ভাই ও সন্তান হিসেবে বিবেচনা করেন, তাহলে ভালো হয়। যারা যতদিন দায়িত্বে থাকবেন, তাদের জন্য শ্রেষ্ঠ সময় হয় এই প্রত্যাশা রাখছি।




চলমান যুদ্ধে ইসরায়েল ছেড়ে পালাচ্ছে দখলদার ইহুদিরা!

ডিএনবি নিউজ আন্ত: ডেস্ক-

ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখল করে ১৯৪৮ সালে গড়ে তোলা ইসরায়েল নামে দখলদার ইহুদি রাষ্ট্রটির জন্মের পর একাধিকবার মুসলিমদের সঙ্গে যুদ্ধ-সংঘাতে জড়িয়েছে। জয়-পরাজয় যা-ই হোক না কেন, ভূমি ছাড়ার দৃশ্য বা নিজেদের মধ্যে অনৈক্য কখনও দেখেনি তেলআবিব। কিন্তু, ২০২৩ সালে হামাসের দীর্ঘদিনের পুঞ্জিভূত ক্ষোভের বিস্ফোরণ ইহুদিদের ভিত কাঁপিয়ে দেয়। ধ্বংস হওয়ার ভয় ঢুকেছে তাদের অন্তরে।

এরপর টানা দু’বছর ধরে ফিলিস্তিনিদের ওপর চালানো ইসরায়েলি নৃশংস গণহত্যাও ‘ব্যাক ফায়ার’ করেছে। ইরানের হামলায় টিকতে না পেরে অবৈধ এ ভূখণ্ড ছাড়তে ইহুদিদের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়। ঢল নামে সীমান্ত এলাকা ও বিমানবন্দরগুলোতে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে ইরানে যৌথ আগ্রাসন শুরু করে ইসরায়েল। এতে বেশ ক্ষুব্ধ খোদ ইসরায়েলিরাই।

যুদ্ধের চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মার্কিন-ইসরায়েলি ভয়াবহ হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে ইরানের। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ সরকার ও সামরিক বাহিনীর উচ্চপদস্থ অনেক নেতার মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে ইরানে নিহতের সংখ্যা দুই হাজার ছুঁই ছুঁই। এ ছাড়া সামরিক ও বেসামরিক হাজার হাজার অবকাঠামো বিধ্বস্ত হয়েছে, কিন্তু হাল ছাড়েনি ইরানিরা।

ধীরে ধীরে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একাট্টা হয়ে উঠছে সাধারণ নাগরিকরা। সর্বশেষ গত ৩ এপ্রিল ইরানে মার্কিন বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে উপজাতি নারীদেরও বন্দুক হাতে মার্কিন পাইলটকে খুঁজতে দেখা যায়। এই দৃশ্য ইরানিদের যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একাট্টা ও প্রতিবাদী হওয়ার স্পষ্ট প্রমাণ।

অপর দিকে ইসরায়েলের চিত্র পুরোপুরি উল্টো। ইরানের রেজিম চেঞ্জ বা শাসন ব্যবস্থা পরিবর্তনের জন্য আগ্রাসন শুরু করলেও সরকারবিরোধী আন্দোলন হচ্ছে ইসরায়েলে। দফায় দফায় প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর পদত্যাগ, যুদ্ধবন্ধসহ বিভিন্ন দাবিতে রাস্তায় নামছে ইসরায়েলিরা। সর্বশেষ শনিবার (৪ এপ্রিল) যুদ্ধবিরোধী ব্যানার বহন করে এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে তেল আবিবে শত শত ইসরায়েলি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে। ইরানের সঙ্গে সংঘাতের কারণে গণজমায়েতের ওপর বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা একটি কেন্দ্রীয় চত্বরে জড়ো হন। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল: ‘বোমা নয়—আলোচনা করুন! অন্তহীন যুদ্ধ বন্ধ করুন!’

ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি তৃণমূল গোষ্ঠী ‘স্ট্যান্ডিং টুগেদার’ এর সহ-পরিচালক অ্যালন-লি গ্রিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা এখানে ইরান, লেবানন ও গাজায় চলমান যুদ্ধ বন্ধের পাশাপাশি পশ্চিম তীরে গণহত্যা বা পরিকল্পিত আক্রমণ বন্ধের দাবি জানাতে এসেছি।’

গ্রিন বলেন, ‘ইসরায়েলে সবসময়ই যুদ্ধ লেগে থাকে। তাই যদি আমাদের বিক্ষোভ করতে দেওয়া না হয়, তবে আমাদের কখনোই কথা বলতে দেওয়া হবে না।’

এর আগে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেটের এক প্রতিবেদনে জানা যায়, যুদ্ধ অবসানের দাবিতে গত ২৮ মার্চও ইসরাইলজুড়ে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী সমাবেশ করেছে। তেল আবিব, হাইফা ও জেরুজালেমে এ প্রতিবাদী কর্মসূচি পালিত হয়।

বিক্ষোভকারীরা জানান, চলমান ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি সত্ত্বেও তারা ‘জীবনের জন্য’ এই বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন এবং যুদ্ধকালীন সরকারি নীতির তীব্র বিরোধিতা করছেন।

ইরানে মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে ইসরায়েলিদের। ক্রমেই বাড়ছে মূল্যস্ফীতি। জ্বালানির মূল্য, খাবারের দাম, পরিবহন খরচ-সবই বেড়েছে। সঙ্গে বিঘ্ন ঘটছে বাণিজ্যে।

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে বাঁচতে ইসরায়েলিদের দিন-রাতের অধিকাংশ সময় থাকতে হচ্ছে বাঙ্কারে, যা তাদের উৎপাদন কমিয়ে ভোগ বাড়িয়ে দিয়েছে।

যেকোনো একটি শহরে ছোট্ট একটি ড্রোন বা একটি রকেট আঘাত হানলে সর্বোচ্চ ক্ষতি হতে পারে একটি ফ্ল্যাটের বা কোনো একটি দোকানের। কিন্তু, আকাশে সেই বস্তুর আগমন শনাক্ত হওয়ার পর যে সাইরেন বাজে তাতে একটি শহরের সব বাসিন্দাকে পালাতে হয়। এক মাসের বেশি সময় ধরে এ লুকোচুরি খেলা খেলতে গিয়ে তাদের জীবন নাজেহাল হয়ে পড়েছে।

অপরদিকে কমছে আয়। উৎপাদন ব্যাহত হওয়া ও কাজ করতে না পারায় কমে যাচ্ছে ইসরায়েলিদের আয়। এর বিপরীতে বাড়ছে জীবনযাত্রার ব্যয়। এ ছাড়া যুদ্ধ চালাতে গিয়ে প্রতি সপ্তাহে ইসরায়েলের ৩০০ কোটি ডলারের বেশি খরচ হচ্ছে, যা তাদের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ভয়াবহ সংকট তৈরি করছে। এতে কমে যাচ্ছে মুদ্রার মানও।

এসব কারণে যুদ্ধের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠছে ইসরায়েলিরা। ঘরের মধ্যে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় মৃত্যুর চেয়ে তারা রাস্তায় প্রতিবাদ করে জীবন দিতে চায়, তাই ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় নেমে যাচ্ছে। এ ছাড়া তাদের উল্লেখযোগ্য অংশ ভবিষ্যত নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছে, ডুবে যাচ্ছে হতাশার সাগরে।




চোখের সামনে তলিয়ে গেল চরমোনাই মাহফিলে আসা মানিক ৪ লঞ্চটি,কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

বরিশালের চরমোনাইয়ে মাহফিলে আসা একটি লঞ্চ ঘাটে বাঁধা অবস্থায় সবার সামনেই তলিয়ে গেছে। তবে লঞ্চটিতে তখন কোনো যাত্রী ছিলেন না। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এই লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটে।

ডুবে যাওয়া এমভী মানিক ৪ লঞ্চটি গতকাল মঙ্গলবার রাতে চরমোনাই মাহফিলে যাত্রী নিয়ে মুন্সিগঞ্জ থেকে চরমোনাই’র উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। লঞ্চটি ভোর রাতে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে ঘাটে অবস্থান করছিল। ভাটার কারণে পানি কমে গেলে লঞ্চের পেছনের দিকটা আটকে গিয়ে লঞ্চটি ডুবে যায়। তবে এসময় কোনো যাত্রী বা লঞ্চ সংশ্লিষ্ট কেউ ভেতরে না থাকায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

লঞ্চ সংশ্লিষ্ট ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে লঞ্চটি মজবুত করে বেঁধে না রাখায় পানি কমে যাওয়ার সাথে সাথে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। লঞ্চের ভেতরে রাখা মুসল্লিদের বেশকিছু মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিবৃতি দিয়েছেন, চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ।

প্রসঙ্গত, দুপুরে উদ্বোধনী বয়ানের মধ্যদিয়ে তিন দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল শুরু হয়েছে।




উত্তর-ফিলিস্তিন ও গাজার উপকণ্ঠে ইসরায়েলি অবস্থান এবং চার মার্কিন ঘাঁটিতে বিধ্বংসী ইরানি হামলা

ডিএনবি নিউজ আন্ত: ডেস্ক-

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি মার্কিন ও ইসরায়েলি অবস্থানগুলোতে ‘সত্য-প্রতিশ্রুতি-৪’ শীর্ষক প্রতিশোধমূলক অভিযানের ৮০ তম পর্বের হামলাগুলো চালিয়েছে।

এ পর্বে উত্তর ইসরায়েলে কয়েকটি কৌশলগত সামরিক স্থাপনা ও লক্ষ্যবস্তু এবং পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সন্ত্রাসী মার্কিন সেনাদের কয়েকটি ঘাঁটিতে বিধ্বংসী আঘাত হানে ইরানের এক ঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন।

এই অভিযানে উত্তর ইসরায়েলে সাফাদ শহরে ইসরায়েলি সেনাদের অপারেশনাল কমান্ড-কেন্দ্র ও সেনাদের সীমান্ত এলাকায় মোতায়েনের সমন্বয়-কেন্দ্রগুলো ইরানি হামলার শিকার হয়।

পূর্ব-ঘোষণার আলোকে পরিচালিত এই অভিযানে উত্তর ফিলিস্তিনে শিশু-ঘাতক ইসরায়েলি সন্ত্রাসী সেনাদের সমাবেশ-কেন্দ্র ও গাজার চারদিকে নির্মিত ইসরায়েলি আক্রমণ-বেল্ট ও প্রতিরক্ষা-ব্যুহ ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার টার্গেট হয়। এ ছাড়াও তেলআবিব, কিরিয়াত শামুনা, বেনি বারাক অঞ্চলের ইসরায়েলি কিছু লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়। ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী ইসরায়েলকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিল, অধিকৃত ফিলিস্তিনে, গাজা ও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকলে ইরান প্রতিশোধমূলক হামলা চালাবে।

আইআরজিসি আরও জানিয়েছে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আলী আসসালেম, আরিফজান, আল-আজরাক ও শেইখ ঈসা নামের মার্কিন সন্ত্রাসী তৎপরতার সেনা-ঘাঁটিগুলোতে  নিখুঁত লক্ষ্যভেদী এক ঝাঁক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ধ্বংসাত্মক আঘাত হেনেছে।

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী এর আগে বার বার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ইরান তার ভূমি ও সার্বভৌমত্বের ওপর যেই দেশের যেই স্থান থেকেই হামলা করা হোক না কেন আগের চেয়েও বেশি কঠোর ও বিধ্বংসী মাত্রায় জবাব দেবে।

# সূত্র:  পার্সটুডে




যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হিসাব-নিকাশ ব্যর্থ হয়েছে: আইআরজিসি মুখপাত্র আলি মোহাম্মদ নায়িনি

ডিএনবি নিউজ আন্ত: ডেস্ক:

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র মুখপাত্র আলি মোহাম্মদ নায়িনি বলেছেন, শত্রুরা মনে করেছিল সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে আঘাত করলে দেশের প্রতিরক্ষা কাঠামো ভেঙে পড়বে।

পার্সটুডে জানিয়েছে, আইআরজিসি’র মুখপাত্র আরও বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে গিয়ে শত্রুরা তিনটি বড় ভুল হিসাব করেছিল।

প্রথমত, তারা ভেবেছিল ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করা হলে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই সবকিছু ভেঙে পড়বে।

দ্বিতীয়ত, তারা ধারণা করেছিল এই যুদ্ধ তিন দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।

তৃতীয়ত, আমেরিকা ভেবেছিল- ইরানের বিরুদ্ধে একটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক জোট গঠিত হবে। এর একটি হিসাবও মিলে নি।

‍সূত্র:  পার্সটুডে




কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান

ডিএনবি নিউজ আন্ত: ডেস্ক-

কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। হামলায় বিমানবন্দরের একটি জ্বালানি ট্যাংককে লক্ষ্য করা হয়েছে।

রোববার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এ তথ্য জানায় দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংকে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।

কুয়েতের পাশাপাশি সৌদি আরবেও একের পর এক ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান। সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ সময় রোববার সকালে জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এক ঘণ্টায় রাজধানী রিয়াদের পূর্ব দিকে সাতটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

এই তথ্যের প্রায় এক ঘণ্টা আগে সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, তাদের আকাশসীমায় পৌঁছানোর পর ইরানের আটটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ইরানের রাজধানী তেহরানে তেল মজুত রাখার কয়েকটি কমপ্লেক্সে ভয়াবহ বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে।

ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) এই খবর নিশ্চিত করেছে। বিস্ফোরণের পর শহরের আকাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা গেছে।

আইডিএফের বক্তব্য অনুযায়ী, এটি জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংকগুলোর ওপর চালানো একটি ‘উল্লেখযোগ্য হামলা’। তারা দাবি করেছে, ইরানের শাসকগোষ্ঠী এসব ট্যাংক সরাসরি ও নিয়মিতভাবে সামরিক অবকাঠামোর কাজে ব্যবহার করে।