দুর্গাপুরে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

নেত্রকোনার দুর্গাপুরের সুমন মিয়া (১৮) নামে এক কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের বিশ্বনাথপুর গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত সুমন ওই গ্রামের রফিক মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুমন মিয়া মানসিক প্রতিবন্ধী ছিল। সোমবার সন্ধ্যায় সুমনকে একা বাসায় রেখে তার বাবা রফিক মিয়া ধান ক্ষেতে পানি দেওয়ার জন্য বের হয়। ক্ষেতে পানি দেওয়া শেষে বাসায় ফিরে দেখেন তাঁর ছেলের নিথর দেহ ঘরের আড়ায় ঝুলছে। এ দৃশ্য দেখে সে ডাক চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এসে পুলিশকে খবর দেয়। পরে থানা পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে

দুর্গাপুর থানার ওসি মো. মাহমুদুল হাসান জানান, সুমনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নেত্রকোনা মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে ।




গাজায় ইসরায়েলি হামলায় দুই গণমাধ্যম কর্মী নিহত

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :
গাজা উপত্যকায় পৃথক ইসরায়েলি হামলায় দুই গণমাধ্যম কর্মী নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে একজন আলজাজিরার সাংবাদিক। প্রত্যক্ষদর্শী ও প্রতিনিধিদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

সোমবার উত্তর গাজায় আলজাজিরার সাংবাদিক হোসাম শাবাত নিহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা সংবাদমাধ্যমটিকে জানিয়েছেন, বেইত লাহিয়ার পূর্ব অংশে তার গাড়ি লক্ষ্যবস্তু করে আঘাত হানে ইসরায়েলি সেনারা।

মধ্য গাজার দেইর এল-বালাহ থেকে আলজাজিরার আরেক সাংবাদিক তারেক আবু আযজুম বলেন, ২৩ বছর বয়সী শাবাত এর আগেও আরেকটি ইসরায়েলি হামলায় আহত হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি গাজায় সংবাদ প্রতিবেদন চালিয়ে যাওয়ার উপর জোর দেন। তিনি কোনোভাবে ফিল্ড থেকে সরতে রাজি হননি। ফলে আহতাবস্থাতেই সংবাদ সংগ্রহ চালিয়ে যাচ্ছিলেন।

আবু আযজুম বলেন, কোনো পূর্ব সতর্কীকরণ ছাড়াই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী তার গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালায়।

ইসরায়েলি হামলায় আলজাজিরারসহ ২ সাংবাদিক নিহত
এবার আলজাজিরার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিল ফিলিস্তিন
এর আগে একই দিন দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর হামলায় প্যালেস্টাইন টুডে-তে কর্মরত সাংবাদিক মোহাম্মদ মনসুরও নিহত হয়েছেন।

আবু আযজুম বলেন, মনসুর তার বাড়িতে স্ত্রী এবং ছেলের সাথে ছিলেন। সেখানে হামলা করে তাকে হত্যা করা হয়। এ আক্রমণটিও কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই করা হয়েছিল।

গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, এই দুই সাংবাদিকের হত্যার ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত গণমাধ্যম কর্মীর সংখ্যা ২০৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, ইসরায়েলি দখলদারত্ব কর্তৃক ফিলিস্তিনি সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু এবং হত্যা অব্যাহত রয়েছে। এ হত্যার তীব্র নিন্দা জানাতে প্রেস অ্যাডভোকেসি গোষ্ঠীগুলোকে আহ্বান জানিয়েছে গাজার মিডিয়া অফিস।

গাজার মিডিয়া অফিস আরও বলেছে, ইসরায়েল এবং তার প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র সাংবাদিক হত্যায় প্রধান দায়ী। সেইসাথে যুক্তরাজ্য, জার্মানি এবং ফ্রান্সের মতো গণহত্যায় অংশগ্রহণকারী দেশগুলোও এই জঘন্য অপরাধের দায় এড়াতে পারে না। তারাও সাংবাদিক হত্যায় সম্পূর্ণরূপে দায়ী।

কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে) শাবাত ও মনসুর হত্যার নিন্দা জানিয়েছে। তাদের ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে কি না তা নিয়ে স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

সিপিজের প্রধান নির্বাহী জোডি গিন্সবার্গ বলেছেন, একজন সাংবাদিক, একজন বেসামরিক নাগরিককে ইচ্ছাকৃতভাবে এবং লক্ষ্যবস্তু করে হত্যা করা যুদ্ধাপরাধ। সংস্থাটি এমন বেশ কয়েকটি মামলা তদন্ত করছে। সে হিসেবে ইসরায়েল ইচ্ছাকৃতভাবে সাংবাদিককে লক্ষ্যবস্তু করেছে বলে মনে হচ্ছে। এটি যুদ্ধাপরাধের সমান হবে। সাংবাদিক এবং বেসামরিক নাগরিকদের কখনই লক্ষ্যবস্তু করা উচিত নয়।




দুর্গাপুরে আ‘লীগের সাবেক সভাপতি ইলিয়াছ হাওলাদার গ্রেপ্তার

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি :

নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মো. ইলিয়াছ হাওলাদার (৬০) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার ভোর রাতে পৌর শহরের ডাকুমারা এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি দুর্গাপুর থানায় দায়ের করা মামলার আসামি বলে জানায় পুলিশ। পরবির্ততে শনিবার (২২ মার্চ) দুপুরে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান জানান, রাজনৈতিক মামলায় ইলিয়াছ হাওলাদার কে তার বাসা থেকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।




গাজায় গণহত্যা ও দেশে সহিংসতা বৃদ্ধির প্রতিবাদে দুর্গাপুরে বিক্ষোভ

ডিএরনিব নিউজ ডেস্ক :

সারাদেশে ধর্ষণ-নিপীড়নের বৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যার প্রতিবাদে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন দুর্গাপুর উপজেলা সংসদ। শনিবার (২২ মার্চ) দুপুরে প্রেসক্লাব মোড়ে ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিক্ষোভ মিছিল পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কমরেড মণি সিংহ স্মৃতি জাদুঘরের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিলপুর্ব আলোচনা সভায়, ছাত্র ইউনিয়ন দুর্গাপুর উপজেলা সংসদের সভাপতি জহির রায়হানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সাবিনা ইয়াসমিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সিপিবি উপজেলা কমিটির সভাপতি আলকাছ উদ্দিন মীর, সাধারণ সম্পাদক রুপন কুমার সরকার, জেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলম, উপজেলা উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি শামসুল আলম খান, উপজেলা যুব ইউনিয়নের সভাপতি নজরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্র ইউনিয়নের সহ-সভাপতি কবিরুল ইসলাম, রমজান আলী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সারাদেশে ধর্ষণ-নিপীড়ন ও আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্ব মানবাধিকার নিয়ে অনেকেই কথা বলে, কিন্তু যখনই ফিলিস্তিনের উপর হামলা হয়, তখন সবাই নিশ্চুপ থাকে। যুদ্ধ বিরোধী চুক্তি লঙ্ঘন করে ইসরায়েল যে গণহত্যা চালাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়কে সোচ্চার হতে হবে। ফিলিস্তিনিদের রক্ষা এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ করার আহ্বান জানানো হয়।




দুর্গাপুরে এক রাতেই তিন ট্রান্সফরমার চুরি

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে এক রাতে একটি রাইস মিলের তিনটি ট্রান্সফরমার চুরি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে দুর্গাপুর উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের জাগিরপাড়া গ্রামে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

এই ট্রান্সফরমারগুলো চুরি হওয়ার ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন রাইস মিল ব্যবসায়ী নাইম আহমেদ। নাইম আহমেদ জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১১ টার দিকে রাইচ মিল বন্ধ করে বাড়িতে চলে যাই। এরপর দিন শুক্রবার সকাল ৬ টার দিকে খবর পেয়ে এসে দেখি ট্রান্সফরমার চুরি হয়ে গেছে।

পল্লী বিদ্যুৎ অফিস সূত্র জানায়, প্রায়ই ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটছে। চলতি মাসের ১৫ মার্চ উপজেলার কালিকাপুর এলাকা থেকে একটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়। এরপর ১৯ মার্চ শ্রীপুর এলাকা থেকে আরেকটি ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনা ঘটেছে। এদিকে গত বৃহস্পতিবারও জাগিরপাড়া এলাকা থেকে তিনটি ট্রান্সফরমার চুরি হয়। এ নিয়ে গত বছরের জানুয়ারি মাস থেকে চলতি বছরের মার্চ মাসের আজ পর্যন্ত এই ১৫ মাসে উপজেলায় ৪১টি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে।

এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুতের দুর্গাপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম হাফিজুর রহমান বলেন, এ নিয়ে আমাদের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।




দুর্গাপুরে এক ব্যবসায়িকে ছুড়িকাঘাত, প্রায় ৬ লক্ষাধিক টাকা ছিনতাই

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নের বিপিনগঞ্জ বাজারের শওকত টেলিকমের স্বত্তাধীকারি মোবাইল ব্যাংকিং ও মুদিমাল ব্যবসায়ি শওকত মিয়া (৩২) কে ছুড়িকাঘাত করেছে ছিনাতাইকারীরা। বুধবার রাত ৯.২০ মিনিটের দিকে সাদামাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শওকত মিয়া জগৎকুড়া এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য তাইজ উদ্দিনের ছেলে।

ব্যাবসায়ি শওকত মিয়া জানায়, প্রতিদিনের মতো তারাবি নামাজ শেষে দোকান বন্ধ করে সাইকেলযোগে বাড়ি যাচ্ছিলাম। এ সময় সাদামাটি এলাকায় পৌছলে মুখবাঁধা অবস্থায় দুইজন ছিনতাইকারি ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে সাথে থাকা দোকানের টাকা ও মোবাইল ব্যাংকিং এর ১৭টি মোবাইল ফোন নেয়ার জন্য চেস্টা চালায়। ধস্তাদস্তির এক পর্যায়ে বাম হাতে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কোপ দেয় এবং সাথে থাকা ব্যাগ ও মোবাইল গুলো ছিনিয়ে নেয়। আমার ডাকা চিৎকারে আশাপাশের লোকজন ছুটে এলে রাস্তায় ওপর কয়েকটি মোবাইল ফোন ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তিতে রক্তাক্ত অবস্থায় আমাকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর হাসপাতালে ভর্তি করে। ছিনতাইকারীদের মুখে মুখোশ থাকায় কাউকে চিনতে পারিনি। ব্যাগে দোকানের প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা ছিলো। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ফোনে থাকা টাকা গুলো নিয়ে প্রায় ৬ লক্ষ টাকার মতো হবে।

শওকত মিয়ার মামা বাবুল মিয়া বলেন, শওকতের ডাক চিৎকারে আমরা বেরিয়ে আসলেও কাউকে ধরতে পারিনি। গুরুতর আহত অবস্থায় শওকত কে হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি। ওই এলাকায় প্রায়ই এমন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। জনগনের নিরাপত্তায় ওই এলাকায় অস্থায়ী পুলিশক্যাম্প স্থাপন করার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি।

এ নিয়ে দুর্গাপুর থানার ওসি মাহমুদুল হাসান বলেন, খবর পাওয়া মাত্রই সাথে সাথেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। ছিনতাইকারীদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




দুর্গাপুরে সরকারি রাস্তা দখল করে বসতঘর নির্মাণের অভিযোগ

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের ফেচিয়া এলাকায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) রাস্তা দখল করে স্থানীয় বাসিন্দা মো. আব্দুল কাদিরের বিরুদ্ধে বসতঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় গত ৩০ জানুয়ারি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপজেলা প্রকৌশলী বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন একই এলাকার আওলাদ আহাম্মেদ নামের এক ব্যক্তি। পরে রবিবার (৩ ফেব্রুয়ারী) সকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছেও লিখিত অভিযোগ দেন তিনি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের অন্তর্গত চন্ডিগড় উচ্চ বিদ্যালয় হতে ফেচিয়া গুদারাঘাট পর্যন্ত রাস্তা যার আইডি নং – ৩৭২১৮৪০০৩ ফেচিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন পশ্চিম পাশে মানুষের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে বসতঘর নির্মাণ শুরু করেছেন। ওই রাস্তা দিয়ে এলাকার সকল মানুষ বিদ্যালয়, মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও কৃষি পণ্য বাজারজাত করার এক মাত্র রাস্তা। এমন অবস্থায় ওই রাস্তার উপর বসতঘর নির্মাণ করলে মানুষের চলাচলের অসুবিধা হবে। এছাড়াও ঘটনাটিতে আইন শৃঙ্খলা অবনতি হতে পারে বলেও লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেন অভিযোগকারী আওলাদ আহাম্মেদ।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আব্দুল কাদির মুঠোফোনে বলেন, আমি আমার জায়গায় বসত বাড়ি করতেছি, অফিস থেকে কাগজপত্র আমাদেরকে দিয়ে গেছে সরকারি খাজনা ছাড়া সরকারের আর কোনো দাবী নাই। আপনারা এখানে এসে দেখে যান, আমি আমার জায়গায় বসত বাড়ি করছি।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগে উল্লেখিত আইডি নং অনুযায়ী রাস্তাটি আমাদের। তবে সরেজমিনে গিয়ে ঘটনাটি দেখে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. নাভিদ রেজওয়ানুল কবীর বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলীকে বলেছি সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।




দুর্গাপুরে ইউএনওর হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো বাল্যবিবাহ

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি : নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় ১৭ বছর এক মাস বয়সী কিশোরীকে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে পরিবার। খবর পেয়ে ওই বাল্যবিবাহ বন্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। সোমবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার চন্ডিগড় ইউনিয়নের ফেঁচিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাভিদ রেজওয়ানুল কবীর।

জানা গেছে, বিয়ের সব আয়োজনই ছিল সেখানে। কনের বাড়িতে বরযাত্রীও চলে এসেছিল। অপেক্ষা শুধু কাজি আসার। তবে এরই মধ্যে বাল্য বিবাহের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাভিদ রেজওয়ানুল কবীর। পরে তিনি বাল্য বিবাহের সত্যতা পেয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেন এবং ওই কিশোরীর প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা দেন পরিবারকে।

এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাভিদ রেজওয়ানুল কবীর জানান, ন্যাশনাল হেল্পলাইন থেকে বাল্যবিবাহের বিষয়টির তথ্য পেয়ে তাৎক্ষনিক ওই এলাকায় গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেই। প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে আইনি নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। এরপরও যদি বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে তাহলে জেল বা যেকোনো আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, বাল্যবিবাহ রোধে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। কোথাও বাল্য বিবাহের ঘটনা ঘটলে প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান করেন তিনি।




রংপুরে বাসা থেকে আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

রংপুরে বাসা থেকে মোস্তাকিম ইসলাম (৩২) নামে এক আইনজীবীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৮ নভেম্বর) রাত আড়াইটার দিকে মুলাটোল এলাকার ব্যাংক কলোনির নিজ বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

Google news
মোস্তাকিম বদরগঞ্জ উপজেলার ট্যাক্সের হাট এলাকার খাদেমুল ইসলামের ছেলে। তিনি ৮ বছর ধরে রংপুর জজ কোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) আব্দুর রশিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

প্রতিবেশী হারুন অর রশিদ জানান, মোস্তাকিম ইসলামের গ্রামের বাড়ি বদরগঞ্জের ট্যাক্সের হাট এলাকায়। সেখানে বাবা ও এক ভাই থাকেন। গত ৪ দিন আগে মোস্তাকিমের স্ত্রী রিমু আক্তার বাবার বাড়ি বেড়াতে যান।

মোস্তাকিমের ছোট ভাই সোহান জানান, শুক্রবার তার বড় ভাইকে ভাত খাওয়ার জন্য ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে রুমের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে নিচে পড়ে থাকতে দেখেন। এসময় বিছানার ওপর সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো ছিল। পরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আব্দুর রশীদ বলেন, খবর পেয়ে শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার লাশ ঝুলন্ত নয়, পড়ে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।




৪০ হাজার টাকা নিয়ে শিশুকে দিলেন দত্তক, এক মাস পর থানায় অভিযোগ করে ফেরত!

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

সাত মাস বয়সের শিশু সন্তানকে দত্তক দিয়েছেন বাবা-মা। বিনিময়ে নিয়েছেন ৪০ হাজার টাকা। কিন্তু এক মাস পার হতেই সেই সন্তানকে ফিরে পেতে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তারা। অভিযোগ পেয়ে থানা পুলিশ ওই শিশুটিকে উদ্ধার করে।
এমনি ঘটনা ঘটেছে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের কেট্টা গ্রামে । দত্তক দেওয়া দম্পতির দাবী সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করেছেন তারা টাকার বিষয়েও জানতেন না, তাদের ব্যাগে টাকা ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিল ষড়যন্ত্র করে।

জানা গেছে ,দুর্গাপুর উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের কেট্টা গ্রামের রকিবুল হাসান রাব্বি ও সসলিমা আক্তার দম্পতির এক পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু অভাবের তাড়নায় সেই সন্তানকে লালন পালন করতে না পেরে নিরুপায় হয়ে সেই শিশু সন্তান কে দত্তক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। পরবর্তীতে একই উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের জাগিরপাড়া গ্রামের আমিনুল ইসলাম ও মালেকা খাতুন নিঃসন্তান দম্পতি চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর স্ট্যাম্পের মাধ্যমে চল্লিশ হাজার টাকার বিনিময়ে শিশুটিকে দত্তক নেন। কিন্তু ১ মাস ৭ দিন পার হতেই গতকাল বুধবার (০৬ নভেম্বর) থানায় অভিযোগ দায়ের করেন রকিবুল হাসান রাব্বি ও সসলিমা আক্তার দম্পতি। অভিযোগ পেয়ে থানা পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। আজ বৃহস্পতিবার (০৭ নভেম্বর) দুপুরে দুই পক্ষের আলোচনার মধ্য দিয়ে দত্তক দেওয়া প্রথম বাবা-মায়ের কাছেই শিশুটিকে ফেরত দেয় পুলিশ।

নিজের বাচ্চাকে ফেরত পেয়ে রকিবুল হাসান রাব্বি বলেন, ভুল করেছি এখন বাচ্চা পাইছি। ৪০ হাজার না, ৩৫ হাজার টাকা ব্যাগে ঢুুকিয়ে দিছিলো ,ফেরত চাইলে তো দিতেই হবে।
দত্তক নেওয়া নিঃসন্তান আমিনুল ইসলাম বলেন, ১৪ বছর ধরে আমার বাচ্চা নাই তাই একটা ছেলে বাচ্চা দত্তক নিছিলাম এবং তাদের ৪০ হাজার টাকা দিয়েছিলাম কিন্তু গতকাল পুলিশ গিয়ে বাচ্চাসহ আমাকে থানায় নিয়ে আসে এবং বাচ্চা তাদের দিয়ে দেয়। আমার টাকাও ফেরত দেয়নি । আমার স্ত্রী অসুস্থ এখন তাকেই বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

নিঃসন্তান দম্পতির স্বজন আব্দুল আজিজ বলেন, পুলিশ বাচ্চা তাদের দিতে বলেছে আমরা দিয়ে দিছি। আমাদের কাছ থেকে নেওয়া টাকা তারা ফেরত দেয়নি। তিনি আরও বলেন, ভাতিজা আমিনুল ইসলাম ও বউ মালেকা খাতনের বিয়ের পর একটি বাচ্চা হয় কিন্তু আড়াই বছর বয়সে পানিতে ডুবে মারা যায়। পরবর্তী সময়ে আর বাচ্চা হয়নি প্রায় ১৪ বছর। এমন অবস্থায় মালেকা বাচ্চার জন্য কান্নাকাটি করে। অবশেষে একটা বাচ্চা লালান পালন করতে পারে না তাই পালক (দত্তক) দিবে খোঁজ পাওয়া গেলে পরে চারজনে সাক্ষী ও জন্মদাতা বাচ্চার বাবা-মায়ের স্ট্যাম্পে সই স্বাক্ষরে বাচ্চা নিয়ে আসি।

এ ব্যাপারে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, বাবা-মা ৪০ হাজার টাকার বিনিময়ে তাদের বাচ্চাকে একজনকে দত্তক দিয়েছিল কিন্তু এখন বাচ্চা ছাড়া থাকতে পারে না আবার যারাও নিয়েছে তারাও বাচ্চাকে দেখতে দেয়না, যেনো দেখতে না পারে বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে রাখতো । পরে গতকাল রাতে কান্নাকাটি করে থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করে। পরে পুলিশ পাঠিয়ে বাচ্চাকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। পরে আজকে উভয়পক্ষকে নিয়ে বসেছিলাম ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের সামনেই আসল বাবা-মায়ের কাছে বাচ্চাটিকে দেওয়া হয়েছে। টাকার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,ওরা নিজেরা নিজেরা আত্মীয় হয়।