অষ্টম শ্রেণির ছাত্রকে বলাৎকার, পালালো গণিত শিক্ষক প্রণয় সরকার

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

টাঙ্গাইলে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুল ক্যাম্পাস-২ এর অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার পর থেকে পালিয়েছেন গণিত বিষয়ের শিক্ষক প্রণয় সরকার।

সোমবার (৩ জুন) বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পরই ওই ছাত্রের অভিভাবকরা স্কুলে গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার দাবি করেন। পরে স্কুল কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় ছাড়পত্র নিয়ে চলে যান তারা।

অভিযুক্ত শিক্ষক প্রণয় সরকার জেলার ঘাটাইল উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের মমিনপুর গ্রামের আনন্দ মোহন সরকারের ছেলে।

ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, জেলার বাসাইল উপজেলার এক প্রবাসীর ছেলেকে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের আবাসিকে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। সম্প্রতি ওই আবাসিকের শিক্ষক প্রণয় সরকার রাতে শিক্ষার্থীকে তার রুমে নিয়ে বলাৎকার করেন। পরে ভবনে থাকা শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে ঘটনাটি যাতে প্রকাশ না পায় এবং প্রকাশ পেলে ওই শিক্ষার্থীকে স্কুল থেকে বের করে দেয়া হবে বলে ভয় দেখানো হয়। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষক প্রণয় সরকার তার মায়ের অসুস্থতা দেখিয়ে স্কুল থেকে ছুটি নিয়ে আর আসেননি।

রোববার (২ জুন) বিষয়টি পরিবারকে জানায় ওই শিক্ষার্থী। সোমবার সকালে শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা স্কুলে গিয়ে ঘটনার বিচার দাবি করেন। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় ভর্তি বাতিল করে ছাড়পত্র নেন অভিভাবকরা।

ভুক্তভোগীর চাচা অভিযোগ করে বলেন, ‘শিক্ষকই যখন শিক্ষার্থীর সঙ্গে খারাপ কাজ করে তাহলে নিরাপদ কোথায়? এর বিচার চাইলে কর্তৃপক্ষ তালবাহানা করে। মীমাংসার প্রস্তাব দেয়াসহ টাকা দিতে চেয়েছে। ওই শিক্ষকও পালিয়েছে। ছেলেটার সঙ্গে খুবই অন্যায় হয়েছে। সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। কারোর সঙ্গে তেমন কথা বলছে না। তার মনে ভয় কাজ করছে। আমরা আইনের আশ্রয় নেবো।’

সৃষ্টি একাডেমিক স্কুল ক্যাম্পাস-২ এর আবাসিকের প্রধান শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান হ্যাপি বলেন, বিষয়টি জানতে পেরেছি। কিন্তু ওই শিক্ষক ক্যাম্পাসে নেই। তার মায়ের অসুখ দেখিয়ে ছুটি নিয়ে আর স্কুলে আসেননি। ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত।




আর আলোচনা নয়, গাজায় শান্তি স্থাপনে যে শর্ত দিলো হামাস

 

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাস জানিয়েছে, গাজায় যুদ্ধবিরতি সংক্রান্ত আর কোনো আলোচনায় অংশ নিতে রাজি নয় তারা; তবে ইসরায়েল যদি গাজায় সামরিক অভিযান বন্ধ করে— তাহলে সব জিম্মিকে ছেড়ে দেওয়ার পাশাপাশি স্থায়ী শান্তি চুক্তির জন্য ‘সম্পূর্ণ প্রস্তুত’ রয়েছে গোষ্ঠীটি।

বৃহস্পতিবার একটি বিবৃতি দিয়েছে হামাসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সেখানে এ প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, ‘গাজায় আমাদের জনগণ, পরিবার-পরিজনদের ওপর গণহত্যা চলছে। যারা বেঁচে আছে, তারা প্রতিদিন আগ্রাসন-দুর্ভিক্ষ-দখলদারিত্বের শিকার হচ্ছে। হামাস এবং ফিলিস্তিনের অন্যান্য নেতৃস্থানীয় বিভিন্ন গোষ্ঠী মনে করে, এই পরিস্থিতিতে গাজায় যুদ্ধবিরতির আলোচনায় হামাসের অংশগ্রহণ সার্বিক অবস্থার কোনো পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম হবে না।’

‘তবে আজ ( ৩০ মে ) আমরা আমাদের মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়ে দিয়েছি যে যদি দখলদার বাহিনী গাজায় আগ্রাসন বন্ধ করে, তাহলে গাজা ইস্যুতে একটি সম্পূর্ণ ( শান্তি )চুক্তির জন্য আমরা প্রস্তুত। এই চুক্তিতে ( সব জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া সংক্রান্ত ) একটি বিস্তৃত সমঝোতাও অন্তর্ভুক্ত হবে।’

এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে থেকে গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত শহর রাফায় অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। লাখ লাখ বেসামরিক ফিলিস্তিনি শহরটিতে অবস্থান করছেন। গাজার বিভিন্ন এলাকায় গত প্রায় ৮ মাস ধরে ইসরায়েলি বাহিনীর চলমান অভিযানের ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে রাফায় এসে আশ্রয় নিয়েছেন এই ফিলিস্তিনিরা।

সম্প্রতি জাতিসংঘের অন্যতম অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে) রাফায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান বন্ধের আদেশ দিয়ে রায় দিয়েছে; কিন্তু সেই রায় উপেক্ষা করে সেখানে সেনাঅভিযান অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। কিছুদিন আগে রাফায় ইসরায়েলি বাহিনীর বোমায় ৪০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে, যাদের সবাই সাধারণ বেসামরিক।

ওই ঘটনার পর থেকে বিশ্বজুড়ে যখন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা চলছে, সে সময়ই এই বিবৃতি দিলো হামাস।

গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলি ভূখণ্ডে ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে অন্তত ১ হাজার ২০০ জনকে হত্যার পাশাপাশি ২৪২ জনকে জিম্মি হিসেবে ধরে গাজায় নিয়ে এসেছিল হামাস যোদ্ধারা। অতর্কিত সেই হামলার জবাবে সেই দিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েল, যা এখনও চলছে। গত প্রায় আটমাস ধরে চলমান এই ভয়াবহ অভিযানে এ পর্যন্ত ৩৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে, পুরো উপত্যকা পরিণত হয়েছে ধ্বংস্তূপে।

গত ২৫ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থায়ী হওয়া এক অস্থায়ী বিরতির সময় নিজেদের কব্জায় থাকা জিম্মিদের মধ্যে থেকে ১০৮ জনকে মুক্তি দিয়েছিল হামাস। তারপর আর কোনো জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়নি। এর মধ্যে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে কয়েকজন জিম্মি নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

সূত্র : রয়টার্স




দুর্গাপুরে মুখে কসটেপ পেঁচিয়ে অন্তঃসত্তা স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ৩ মাসের অন্তঃসত্তা এক গৃহবধূকে ঘরের ভিতর আটকে রেখে মুখে কসটেপ পেঁচিয়ে কয়েলের আগুন দিয়ে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছ্যাঁকা ও মারধর করার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। বর্তমানে ভুক্তভোগী ওই নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

ভুক্তভোগী গৃহবধূর নাম মিনা আক্তার (২৩)। সে দুর্গাপুর উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের ভাদুয়া গ্রামের মৃত চাঁন মিয়া ফরাজীর মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামীর নাম ইব্রাহীম মিয়া (২৮)। পার্শ্ববর্তী ধোবাউড়া উপজেলার বহরভিটা গ্রামের রহমত আলীর ছেলে সে।

মিনা আক্তারের স্বজনরা জানান, মাদরাসা পড়ুয়া শিক্ষার্থী ছিল মিনা। ভাদুয়া গ্রামের জামে মসজিদে ইমামতি করতেন ইব্রাহীম মিয়া। মসজিদের কাছাকাছি মিনার বাড়ি ছিল। প্রায় সময়ই নানা অযুহাতে তাদের বাড়িতে আসতো। এক পযার্য়ে মিনার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেন ইব্রাহীম। প্রেমের সম্পর্ক এলাকায় জানাজানি হলে উভয় পক্ষের সম্মতিতে দেড় বছর পূর্বে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা।

ভুক্তভোগী মিনা আক্তার জানান, বিয়ের পর তাঁকে নিয়ে কুমিল্লা চলে যান ইব্রাহীম। সেখানে গিয়ে ৬ দিনের মাথায় মিনাকে তাঁর বাবার বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা এনে দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। বাপের বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে অপারগতার এক পর্যায়ে নরসিংদীতে গার্মেন্টে চাকরি নেন মিনা। হঠাৎ মিনার গর্ভে সন্তান আসায় ওই চাকরি ছেড়ে দেন। চাকরি ছেড়ে দেওয়ায় যেন কাল হয়ে দাঁড়ালো মিনার। এরপর থেকে শুরু হয় অমানবিক নির্যাতন। গত ১০ মে শুক্রবার সকাল থেকেই ঘরে আটকে রেখে মিনার দুই হাত ও পা বেঁধে, মুখে কসটেপ পেঁছিয়ে মারধর ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কয়েলের আগুন দিয়ে ছ্যাঁকা দেয় ইব্রাহিম। পরবর্তীতে ১৭ মে শুক্রবার ইব্রাহিমের অগোচরে এক প্রতিবেশীর সহযোগিতায় নরসিংধী থেকে পালিয়ে গুরুতর অবস্থায় ভাদুয়া বাবার বাড়িতে চলে আসেন। এরপর গতকাল বুধবার তাঁর পরিবারের লোকজন তাকে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করে।

মিনা আরো বলেন, আমার গর্ভে সন্তান আসায় কাজ ছেড়ে দেই আমি। এর পর থেকেই আমার উপর চরম নির্যাতন শুরু হয়। আমাকে প্রানে মেরে ফেলার কথাও বলেছে সে। এই কথা প্রান বাঁচাতে আমি পালিয়ে আসি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্বামী ইব্রাহিম মিয়ার সঙ্গে কথা বলতে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোছাম্মৎ জেবুন্নেসা জানান, ওই নারী দুইদিন যাবত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতনের ক্ষত আছে। সে তিন মাসের অন্ত:সত্বা।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম চন্দ্র দেব জানান, ঘটনাটি বিষয়ে এখনো কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগ পেলে অবশ্যই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




মসজিদে ইসরায়েলের হামলা, শিশুসহ নিহত ১৬

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

গাজার একটি মসজিদে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে কমপক্ষে ১০ জন শিশুসহ ১৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। হামলায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে। ইসরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে এসব শিশুসহ অনেক নারীও ওই মসজিদে আশ্রয় নিয়েছিলেন। নিহতদের মধ্যে অন্তত ১০ শিশু রয়েছে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। বলা হয়েছে, গাজায় রাতভর হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এরই একপর্যায়ে উত্তর গাজা শহরের ফাতিমা আল-জাহরা মসজিদে হামলা চালায় ইসরায়েল। হামলার পরপরই তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের সংখ্যা ১০ জন বলে জানানো হলেও পরে তা বেড়ে ১৬ জনে পৌঁছায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নিহতদের অধিকাংশই ছিলেন বাস্তুচ্যুত নারী ও শিশু। ইসরায়েলি হামলা থেকে বাঁচতে তারা মসজিদে আশ্রয় নিয়েছিলেন। এদিকে মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরের একটি বাড়িতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বোমা হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন বলে ওয়াফা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে।




সাংসদ আনোয়ারুলের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

সংসদ সদস্য এবং ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল আজিম আনারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (২২ মে) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উল্লেখ্য, বুধবার সকালে কলকাতার অভিজাত এলাকা নিউটাউনের সঞ্জিভা গার্ডেন্স থেকে আনোয়ারুল আজিম আনারের মরদেহ উদ্ধার করে কলকাতা পুলিশ।

এর আগে গত ১১ মে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। সেখানে কলকাতার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে অবস্থান নেন। ১৩ মে স্থানীয় সময় (কলকাতা) বেলা পৌনে ২টার দিকে ডাক্তার দেখানোর জন্য গোপাল বিশ্বাসের বাড়ি থেকে বের হন আনোয়ারুল আজিম। সন্ধ্যায় ফিরবেন জানালেও এরপর আর ফেরেননি।




দুর্গাপুরে শাশুড়ির অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি –
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে শাশুড়ির অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বিষপান করে সাথী আক্তার (৩৫) নামের এক গৃহবধূ আত্মহত্যার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (২০ মে) বিকেলে দুর্গাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় সাথীর । এর আগে ওইদিন দুপুরে স্বামীর বসতবাড়ি দুর্গাপুর পৌর শহরের দক্ষিণ ভবানীপুর এলাকায় বিষপানের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শাশুড়ীর নাম জরিনা খাতুন।
নিহত সাথী আক্তার দক্ষিণ ভবানীপুর এলাকার হোসেন আলীর স্ত্রী। সাথী বেগমের দুই ছেলে ও দুই মেয়ে সন্তান রয়েছে।
জানা গেছে,জমিসংক্রান্ত ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত গৃহবধূ সাথী আক্তারকে অত্যাচার করে আসছিল শাশুড়ী জরিনা খাতুন। বিভিন্ন সময় মারধরও করতো। এসব সহ্য করতে না পেরে থানায় অভিযোগ করে সাথী। এরপর অত্যাচার আরো বেড়ে যায়। আজ সোমবার (২০ মে) দুপুরে শাশুড়ী ও দেবর গালমন্দ করলে একপর্যায়ে বিষ পান করে সাথী। পরে তাঁর স্বামী ও সন্তানরা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করে।
নিহত সাথীর মেয়ে সেলিনা আক্তার বলেন,আমার দাদির অত্যাচার যন্ত্রণা সহ্য না করতে পেরেই আজকে বিষ খাইছে আমার মা।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. তানজিরুল ইসলাম রায়হান বলেন,হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসা শুরু করার পরপরই মারা যান ওই নারী।
দুর্গাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ ছলিমউদ্দিন বলেন,লাশের সুরতহাল করা হচ্ছে এ বিষয়ে পরবর্তী আইনী কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।




আরো এক সেনার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করল ইসরাইল

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে  ভয়াবহ যুদ্ধের মধ্যে ইহুদিবাদী ইসরাইলের আরো এক সেনা নিহত হয়েছে। দখলদার বাহিনীর বরাত দিয়ে ইসরাইলি গণমাধ্যম এই খবর দিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, গতকাল (শুক্রবার) উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের কাছে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সাথে প্রচণ্ড বন্দুকযুদ্ধের সময় সার্জেন্ট বেন আভিশে নামে এক সেনা নিহত হয়। দখলদার বাহিনী বলেছে, গত অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধের মধ্যে সম্ভবত গতকালই সবচেয়ে ভয়াবহ লড়াই হয়েছে।

ইসরাইলি গণমাধ্যমে সার্জেন্ট বেন আভিশের নিহত হওয়ার খবর প্রকাশের আগেই হামাস জানিয়েছিল, তাদের হামলায় জাবালিয়া শহরের পূর্বাঞ্চলে এক ইসরাইলি সেনা নিহত হয়েছে।

গাজা উপত্যকার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ লড়াইয়ের কথা উল্লেখ করে হামাসের সামরিক শাখা আল-কাসসাম ব্রিগেড জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধারা জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের পূর্বে শত্রু লাইনের পিছনে ঢুকে পড়েছিল এবং এই এলাকায় একটি ট্যাঙ্ক এবং একটি সৈন্যবাহী গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালায়। এতে অনেক সেনা হতাহত হয়েছে।

দখলদার বাহিনী স্বীকার করেছে যে, প্রতিরোধকামী যোদ্ধাদের সাথে ভয়াবহ লড়াইয়ে গত দুই দিনে তাদের পাঁচ সেনা নিহত এবং ৪০ জনের বেশি আহত হয়েছে। গত অক্টোবর থেকে যুদ্ধ শুরুর পর এ পর্যন্ত ইসরাইলের স্বীকারোক্তি মতে ৬২৬ জন সেনা নিহত এবং ১৭২৩ জন আহত হয়েছে। তবে ফিলিস্তিনের যোদ্ধারা বলছে, তাদের হামলায় এর চেয়ে অনেক বেশি সেনা নিহত হয়েছে। এছাড়া, সম্প্রতি লেবাননের ‌ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়েদ হাসান নাসরুল্লাহ জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ইসরাইলের দেড় হাজার সেনা নিহত হয়েছে।

এই বিপুল সংখ্যক সেনা হতাহত হওয়ার ঘটনায় ইসরাইল ব্যাপকভাবে সমালোচনার মুখে পড়েছে। প্রতিদিন সেখানে যুদ্ধ বন্ধের দাবিতে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল হচ্ছে।#

পার্সটুডে




রাঙ্গামাটিতে দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার সদর ইউনিয়নের বারবুনিয়া এলাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি ওরফে জেএসএস ও ইউনাইটেড পিপল ডেমোক্রেসি ফ্রন্ট ইউপিডিএফের মধ্যে বন্দুকযুদ্ধে দুইজন নিহত হয়েছেন।

শনিবার সকালে উপজেলার কাট্টলীর ধনপুতি বাজারে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন বিদ্যাধন তিলক (৪৯) ও ধন্যমনি চাকমা (৩২)। লংগদু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনুর রশিদ সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।




দুর্গাপুরে গলায় রশি প্যাঁচানো ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি –
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার একটি গাছে গলায় রশি প্যাঁচানো ঝুলন্ত অবস্থায় ইলাল খান (৪০) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রাম থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ইলাল খান শ্রীপুর গ্রামের মৃত আবুল হাসান খানের ছেলে। সে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,দুই বছর যাবত মানসিকভাবে অসুস্থ ইলাল খান। ভিক্ষাবৃত্তি করে চলতো সে । মাঝে মাঝে প্রতিবেশীদের ইলাল বলতো সে অক্ষম চলতে পারে না বউ ছেলেদের খাওয়াতে পারে না তাঁর জীবন রেখে লাভ কী। গত রাত ২ টায় ইলালকে এলাকায় ঘুরাঘুরি করতে দেখে এলাকাবাসী। আজ বৃহস্পতিবার ভোর ৫ টায় ইলালের নিথর দেহ বাড়ির পাশের একটি গাছে ঝুলছে দেখে তাঁর পরিবার। এ দৃশ্য দেখে পরিবারের লোকজনের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা এসে পুলিশকে খবর দেই। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।
এ প্রসঙ্গে দুর্গাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবু শরীফ বলেন,দীর্ঘদিন যাবত মানসিকভাবে অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি। এ কারণে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করি। এ ঘটনায় আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

 




ইন্টারনেটের সংযোগ দিতে গিয়ে কয়েক ডজন ফিলিস্তিনি শহীদ

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইন্টারনেটের সংযোগ দেয়ার চেষ্টাকালে ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিমান হামলায় কয়েক ডজন ফিলিস্তিনি হতাহত হয়েছেন। উত্তর গাজার জাল’আ স্ট্রিটে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

গতকাল (বুধবার) ফিলিস্তিনের ওয়াফা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, অন্তত তিনটি মৃতদেহ আহলি আরব হাসপাতালে এসেছে। এছাড়া, আরো তিন ব্যক্তি শহীদ এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। ইহুদিবাদী সেনারা উত্তর গাজায় একটি বেসামরিক গাড়িকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালালে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

ইরানের প্রেস টিভির সাংবাদিক বলছেন, জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরের পশ্চিমে ফালুগা এলাকায় একটি ড্রোন থেকে বেসামরিক গাড়ি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয় এবং তাতে তিনজন শহীদ হন। এছাড়া উত্তর গাজার বেইত লাহিয়া এলাকার একটি আবাসিক ভবনে ইহুদিবাদীদের বোমাবর্ষণে জেইন পরিবারের কয়েকজন সদস্য হতাহত হয়েছেন।

গত ৭ অক্টোবর থেকে ইহুদিবাদী ইসরাইল গাজার ওপর বর্বর আগ্রাসন শুরু করেছে এবং এ পর্যন্ত তাদের হামলায় ৩৫ হাজার ২০০ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন যার বেশিরভাগই নারী ও শিশু।#

পার্সটুডে