কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী আমির হামজার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আমির হামজার বিরুদ্ধে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ঝিনাইদহ সদর আমলী আদালতে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে। জানা গেছে, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করায় এ মামলা করা হয়েছে।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে আব্দুল আলীম নামের এক আইনজীবী মামলাটি দায়ের করেন। এ সময় আদালতের বিচারক মখলেসুর রহমান পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার বাদী ও আইনজীবী আব্দুল আলিম বলেন, সম্প্রতি আমির হামজা বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তার সন্তান আরাফাত রহমান কোকোকে নিয়ে অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছে। যা জিয়া পরিবারের সম্মান ক্ষুন্ন করেছে। বিএনপি সহ আমাদের সবার মানহানি হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ ও সঠিক বিচার দাবিতে তার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। আমরা চাই আইনগতভাবেই আমির হামজার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।




প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যার পর মিষ্টি বিতরণ নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায়

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় ছয় মামলার আসামি মিজানুর রহমান ওরফে রনি (৩৫) কে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার পর নিহতকে ডাকাত আখ্যা দিয়ে একদল যুবক বাজারে মিষ্টি বিতরণ করেছে, যা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাত ১০টার দিকে উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কালিরহাট বাজারসংলগ্ন কাজী বাড়ির সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মিজানুর রহমান কবিরহাট পৌরসভার জৈনদপুর এলাকার মো. শহীদের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন।  পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি, দুটি চুরি, একটি অস্ত্র মামলা ও সরকারি কর্মচারীর ওপর হামলাসহ অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে। শনিবার রাত ৮টার দিকে কালিরহাট বাজারে ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির একটি নির্বাচনী বৈঠক চলছিল। এ সময় মিজান সেখানে উপস্থিত হয়ে নিজেকে দলের ত্যাগী কর্মি দাবি করেন এবং বৈঠকে উপস্থিত নেতাকর্মিদের সঙ্গে গালাগাল ও বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তাকে ধাওয়া দিলে তিনি সেখান থেকে চলে যান।
পরে কালিবাজারের উত্তরে কাজী বাড়ির সামনে তাকে আটক করে কয়েকজন ব্যক্তি লাঠি ও লোহার পাইপ দিয়ে মুখ ও মাথায় এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুত্বর জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ সড়কে ফেলে রাখা হয়।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, নিহত মিজানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রস্তুত করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা একটি লাঠি ও একটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পকেট থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও টিপ চুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হারুনুর রশীদ হারুন বলেন, আমরা আমাদের অফিসে বসে নির্বাচনী কথাবার্তা বলছিলাম। সেখানে মিজান এলে কথাকাটাকাটি হয়। পরে সেখান থেকে সে চলে যায়। পরে শুনি কে বা কাহারা তাকে হত্যা করে মরদেহ রাস্তার ফেলে যায়। মিষ্টি বিতরণের বিষয়টি আমার জানা নেই।

কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.নিজাম উদ্দিন ভূঁঞা বলেন, গণপিটুনিতে ডাকাত নিহত হওয়ার খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। ঘটনাস্থলে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। নিহতের পকেট থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও টিপ ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের পরিবার এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করেনি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রোববার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে।




আবুল সরকারের শাস্তির দাবিতে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

বাউল আবুল সরকারের মহান আল্লাহ, কুরআন ও ইসলাম নিয়ে চরম কটূক্তির প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুলসংখ্যক তৌহিদি জনতা অংশগ্রহণ করেন।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) বাদ জুমা রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর পল্টন জোনের উদ্যোগে এই সমাবেশ ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হেফাজতের কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বলেন, আবুল সরকার যে ধৃষ্টতা দেখিয়েছে, তা কোনো মুসলমান কখনো মেনে নিতে পারে না। এটি শুধু ধর্ম অবমাননা নয়, বরং মুসলমানদের ঈমানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য আঘাত। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল জোনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মুফতি জুবায়ের রশিদের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী ও মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মাস‌উদ খানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

আরো বক্তব্য রাখেন, মাওলানা আবদুর রব ইউসুফী, মাওলানা মুহিউদ্দীন রব্বানী, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী, মুফতি ফখরুল ইসলাম,মুফতি জাবের কাসেমী, মাওলানা মুহাম্মদ ফয়সাল, মাওলানা ফজলুর রহমান, মাওলানা হোসাইন আকন্দ, মুফতি খলিলুর রহমান, মাওলানা জুবায়ের আহমদ, মাওলানা আব্দুর রহমান, মাওলানা দেলাওয়ার আজমী, মুফতি আসাদুল্লাহ জাকির প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, যারা এই অপরাধীকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছে, কিংবা তৌহিদী জনতার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দিয়েছে, তাদেরকেও মনে রাখতে হবে—এই দেশের ঈমানদার জনতা নিঃশব্দে বসে থাকবে না। যদি অবিলম্বে মামলা প্রত্যাহার ও আবুল সরকারের বিচার না হয়, তাহলে তৌহিদী জনতা রাজপথে নামবে এবং প্রয়োজনে দেশ অচল করে দেওয়া হবে।

বক্তারা সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ধর্মদ্রোহীদের রক্ষা করা মানেই ইসলামবিদ্বেষীদের মদদ দেওয়া। মুসলমানরা তা কখনো মেনে নেবে না। ইনশাআল্লাহ, এই জাতি উপযুক্ত জবাব দিতে জানে।




প্লট দুর্নীতির ৩ মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

ঢাকার পূর্বাচলের নতুন শহর প্রকল্পে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির পৃথক তিন মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭ বছর করে মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। শেখ হাসিনার পাশাপাশি তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে একটি মামলায় এবং মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে আরেক মামলায় পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৩০ কাঠা সরকারি জমি বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে দুদকের পৃথক তিন মামলায় বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।

এর আগে ২৩ নভেম্বর রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে একই আদালত আজ রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন।

 

ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠার সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত ১৪ জানুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আট জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন দুদকের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন। তদন্ত শেষে গত ১০ মার্চ ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া।

অপরদিকে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠার সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে ১৪ জানুয়ারি সজীব ওয়াজেদ জয় ও শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলাটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান। তদন্ত শেষে গত ১০ মার্চ আরো দু’জনসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান। এ মামলায় আদালতে ২৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

রাজধানীর পূর্বাচলে ১০ কাঠার প্লট জালিয়াতির অভিযোগে গত ১২ জানুয়ারি দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া বাদী হয়ে শেখ হাসিনা ও পুতুলসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে গত ১০ মার্চ শেখ হাসিনা ও পুতুলসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া।

গত ৩১ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এই তিন মামলায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

এর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফাঁসির আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ডাদেশ এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন।

গত ১৭ নভেম্বর দুপুরে বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এই রায় ঘোষণা করেন।




দুর্গাপুরে নাশকতা চেষ্টার অভিযোগে আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মী গ্রেফতার

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে নাশকতার চেষ্টার অভিযোগে আওয়ামী লীগের ৬ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে গতকাল বুধবার বিকেলে ও দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ, পৌর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি খোকন মিয়া, ইউনিয়নের ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া, আওয়ামী লীগ কর্মী লাভলু মিয়া, শামীম মিয়া ও শাহ আলম।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান জানান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কর্মসূচিকে ঘিরে নাশকতা সৃষ্টির পরিকল্পনা করছিলো তারা। এরমধ্যে ৬ জনকে গ্রেফতার করে মামলা দায়েরের মাধ্যমে আদালতে সোর্পদ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ঘটেছে। তবে এখন পর্যন্ত দুর্গাপুরে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। চারদিকে আমাদের পুলিশি নজরদারি রয়েছে। আশা করছি দুর্গাপুরে কোনপ্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না।




আ. লীগের লকডাউন প্রতিবাদে দুর্গাপুরে বিএনপির বিক্ষোভ ও সমাবেশ

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবেলা, বিভিন্নস্থানে অগ্নিসংযোগ ও আগামী ‎কালের ডাকা কথিত লকডাউনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে দুর্গাপুর পৌর বিএনপি। বুধবার (১২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহনে এ বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে দলীয় কার্যালয়ে পৌর বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান ফরিদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হারেজ গণির সঞ্চালনায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি‘র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল, যুগ্ন-সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আসাদ, উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক এস এম কাইয়ুম, পৌর যুবদলের আহ্বাযক আবু সিদ্দিক রুক্কু, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইউসুফ খান ও পৌর ও যুবদলের সদস্য সচিব সম্রাট গণি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মির্জা নজরুল সদস্য সচিব হিমেল ছাত্রদল নেতা আলমগীর হোসেন, নুরুজ্জামান জনি সহ বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীগণ।

বক্তারা বলেন, “ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দেশজুড়ে সন্ত্রাস ও নাশকতার রাজনীতি শুরু করেছে। চোরাগুপ্ত ভাবে থাকা ছাত্রলীগ-যুবলীগ দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করছে। আগামীকালের কথিত লকডাউন সাধারণ জনগণ কোনোভাবেই সফল হতে দেবে না। দেশের বিভিন্ন এলাকায় দেয়া অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।




দুর্গাপুরের ঝানজাইল বাজারে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি:

‘‘মাদক কে – না বলুন’’ এই প্রতিপাদ্যে কেন্দ্রীয় বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নির্দেশে নেত্রকোণার দুর্গাপুরে মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবী ও চোরাকারবারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবীতে এক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (০৯ নভেম্বর) বিকেলে ঝানজাইল বাজারে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে এ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ হয়।

মানববন্ধনে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মীর্জা নজরুল এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব হিমেল সরকার এর সঞ্চালনায় ইউনিয়ন বিএনপি ও তাঁর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা বক্তব্যে রাখেন।

ঘন্টাব্যাপি মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাদক একটি ভয়ঙ্কর সামাজিক ব্যাধি। এটি তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এখনই যদি রুখে দাঁড়ানো না যায়, তাহলে অন্ধকারে নিমজ্জিত হবে অত্র এলাকার ভবিষ্যৎ প্রজন্ম। আমাদের সকলকে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সকল মিলে মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের হাতে তুলে দিতে হবে। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে ঝাঞ্জাইল বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে।




দুর্গাপুরের সীমান্তে বিদেশী মদসহ যুবক আটক

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক : নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী উপজেলা দুর্গাপুর হতে ২৪ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিদেশী মদের বোতলসহ একজনকে আটক করেছে বর্ডার বার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। জব্দকৃত মাদকের মধ্যে রয়েছে, ১৫ বোতল আইস ভদকা ও ৯ বোতল এসি ব্ল্যাক ব্র্যান্ডের ভারতীয় মদ।

আটককৃত যুবক হলেন- দুর্গাপুর উপজেলার মিনকী ফান্দা গ্রামের মৃত মো. আবুল কাশেমের ছেলে মো. রুহুল আমীন (২১)।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দুুপুর সোয়া ২টার দিকে প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের (৩১ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্ণেল এ এস এম কামরুজ্জামান (পিবিজিএম)।

এরআগে একই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মো. রুহুল আমীনকে ২৪ বোতল ভারতীয় মদের বোতলসহ আটক করে বিজিবি’র সদস্যরা।

৩১ বিজিবি’র অধিনায়ক জানান, নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নেত্রকোনা ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বারমারী বিওপি’র (বর্ডার অবজারবেশন পোষ্ট) চার সদস্যের একটি বিশেষ টহল দল মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে।

এ অভিযানে ওই বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ১১৬২ এমপি হতে আনুমানিক আটশো গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দুর্গাপুর ইউনিয়নের চন্দ্রকোনা নামক এলাকা থেকে বিদেশী মদের বোতলসহ এক যুবককে আটক করতে সক্ষম হয় বিজিবি’র টহল দলটি।

জব্দকৃত ২৪ বোতল বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ভারতীয় মদের বোতলসহ আটককৃত আসামিকে দুর্গাপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন বলে জানান বিজিবি’র এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।




নেত্রকোনার দুর্গাপুরে আদিবাসী এক যুবককে ছুরিকাঘাত

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী ২নং দুর্গাপুর ইউনিয়নের বাদামবাড়ী গ্রামের রুবেল মানখিন (২৮) কে ছরিকাঘাত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে ওই এলাকার মাদক সম্রা্ট সুলাইমান এ ছুড়িকাঘাত করেছে বলে জানান স্থানীয়রা। রুবেল ওই এলাকার রাখাল চিচাম এর ছেলে।

রুবেল মানখিন সাংবাদিকদের জানায়, গত রবিবার (২৬ অক্টোবর) সুলাইমান সীমান্তের ওপার থেকে আনা ৫শত বোতল ফেনসিডিল বাংলাদেশে পাচারের সময় ফান্দা এলাকা থেকে বিজিবি ২৬৯ বোতল ফেনসিডিল আটক করে। প্রায় প্রতি রাতেই বিভিন্ন লোক দিয়ে, রাতের আঁধারে সুলাইমান মাদকের চালান পাঠায় দেশের বিভিন্ন এলাকায়। সে মনে করেছে আমি বিজিবির কাছে এই তথ্য দিয়েছি। যে কারনে আজকে দুপুরে ধারালো চাকু দিয়ে আমাকে মেরে ফেলার জন্য আঘাত করে। পরে আমার চিৎকারে আশপাশের মানুষ চলে আসলে সুলেমান পালিয়ে যায়, পরে আমাকে অন্যরা হাসপাতালে নিয়ে আসে। আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই।

ওই এলাকার বিএনপি নেতা বাবুল মিয়া বলেন, সারাদেশে যেখানে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে, এতে মাদক সম্রাট সুলেমান কিভাবে মাদকের এতো বড় বড় চালান দেয়। ফান্দা এলাকার যুব সমাজকে নস্ট করার জন্য এই সুলেমানই দায়ী। তার ভয়ে কেউ কথা বলতে পারে না। যেকারনে আজকে রুবেল মানখিন কে আঘাত করা হয়েছে। আমি সুলেমান কে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি।




মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, মৃত্যুদণ্ডের ফয়সালা আদালতের

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

মাদারীপুরে আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী দীপ্তি (১৫) ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ইজিবাইকচালক মো. সাজ্জাদ হোসেন খানকে মৃত্যুদণ্ডের ফয়সালা দিয়েছেন আদালত।

একই সঙ্গে আসামিকে ১০ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে মাদারীপুর আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরীফ এ এম রেজা জাকের এ রায় ঘোষণা করেন।

এ সময় মামলার সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট শরীফ সাইফুল কবির উপস্থিত ছিলেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাজ্জাদ মাদারীপুর সদর উপজেলার পূর্ব খাগদী এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে। আসামি এর আগে ১৯৯২ সালে শিশু হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজা খেটে ২০১১ সালে মুক্তি পান।

মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১৩ জুলাই মাদারীপুর শহরের পূর্ব খাগদী এলাকার একটি পরিত্যক্ত পুকুর থেকে অজ্ঞাত এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন নিহতের বাবা মজিবর ফকির মরদেহ শনাক্ত করেন এবং তার মেয়ে দীপ্তির মরদেহ বলে জানান।

পরে মজিবর ফকির বাদী হয়ে মাদারীপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনাটি নিয়ে তদন্তে নামে র‌্যাব-৮’র সদস্যরা। তাদের তদন্তে বেরিয়ে আসে, ইজিবাইকচালক সাজ্জাদ হোসেন খান দীপ্তিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে।

নিহত দীপ্তি মাদারীপুর সদর উপজেলার চরনচনা গ্রামের মজিবর ফকিরের মেয়ে। তিনি বলাইরচর শামসুন্নাহার বালিকা মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

র‌্যাবের তদন্তে জানা যায়, সাজ্জাদ হোসেন পূর্বে শিশু হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ছিলেন এবং ২০১১ সালে মুক্তি পান। ২০১৯ সালের ১১ জুলাই বৃষ্টির দিনে জেলা শহরের ইটেরপুল থেকে চরমুগরিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে দীপ্তি তার ইজিবাইকে ওঠেন। এ সময় অন্যকোনো যাত্রী না থাকার সুযোগে দীপ্তিকে জোর করে পূর্ব খাগদি এলাকায় নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ ও হত্যা করেন। পরে মরদেহ বিদ্যুতের তার দিয়ে বেঁধে কয়েকটি ইটসহ পুকুরে ফেলে দেন। দুই দিন পর লাশটি ভেসে উঠলে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও দ্রুত বিচারের দাবিতে ফেটে পড়ে স্থানীয়রা।

দীপ্তির বাবা মজিবর ফকির রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, আমার মেয়ের হত্যাকারী আজ আইনের কাছে জবাবদিহি করেছে। আমরা এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার পেয়েছি।

মামলার পিপি শরীফ সাইফুল কবীর বলেন, মামলায় একমাত্র আসামি সাজ্জাদ হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। দীর্ঘ ছয় বছর বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। এটি ছিল অত্যন্ত নৃশংস একটি হত্যা ও ধর্ষণ মামলা। আমরা রায়ে সন্তুষ্ট।