


আবারো বাংলাদেশিদের জন্য খুলে দেওয়া হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার
ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের পর বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য আবারও খুলে দেওয়া হয়েছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। প্রধানমন্ত্রীর সফরের দুই সপ্তাহ পার না হতেই এ সুখবর দিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই সুখবর দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য সোমবার (৬ জুলাই) থেকে দেশটির শ্রম বাজার খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, খুব দ্রুতই মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, মরিশাসের শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে।
তবে এবার মালয়েশিয়া নয়, বাংলাদেশই রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন করবে। তাই সিন্ডিকেট ও দুর্নীতি এড়াতে সরকার ও এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে আবারও জনশক্তি রফতানিতে ধাক্কা আসতে পারে। অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালে শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর ২০১৬ সালে আবার চালু হয়। পরে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়া আবারও বন্ধ করে মালয়েশিয়া।
এরপর আবার ২০২২ সালের আগস্ট থেকে আবার কর্মী যাওয়া শুরু হয়। তবে ২০২৪ সালের ১ জুন আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন শর্ত শিথিল নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে।
এদিকে ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৭ হাজার ৮৭৩ জন কর্মীকে পাঠানোর দায়িত্ব সরকারি সংস্থা বোয়েসেলকে দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পেরেছেন। বাকি কর্মীদের বিষয়েও দ্রুত পৃথক সিদ্ধান্ত নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।বাংলাদেশিদের জন্য খুলে দেওয়া হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের পর বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য আবারও খুলে দেওয়া হয়েছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। প্রধানমন্ত্রীর সফরের দুই সপ্তাহ পার না হতেই এ সুখবর দিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই সুখবর দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য সোমবার (৬ জুলাই) থেকে দেশটির শ্রমবাজার খুলে দেওয়া হয়েছে।
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, খুব দ্রুতই মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, মরিশাসের শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে।
তবে এবার মালয়েশিয়া নয়, বাংলাদেশই রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন করবে। তাই সিন্ডিকেট ও দুর্নীতি এড়াতে সরকার ও এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে আবারও জনশক্তি রফতানিতে ধাক্কা আসতে পারে।
মালয়েশিয়ার সরকার অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালে শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর ২০১৬ সালে আবার চালু করে। পরে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়া আবারও বন্ধ করে মালয়েশিয়া সরকার ।এরপর আবার ২০২২ সালের আগস্ট থেকে আবার কর্মী যাওয়া শুরু হয়। তবে ২০২৪ সালের ১ জুন আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন শর্ত শিথিল নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে।
এদিকে ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৭ হাজার ৮৭৩ জন কর্মীকে পাঠানোর দায়িত্ব সরকারি সংস্থা বোয়েসেলকে দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পেরেছেন। বাকি কর্মীদের বিষয়েও দ্রুত পৃথক সিদ্ধান্ত নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।বাংলাদেশিদের জন্য খুলে দেওয়া হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের পর বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য আবারও খুলে দেওয়া হয়েছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। প্রধানমন্ত্রীর সফরের দুই সপ্তাহ পার না হতেই এ সুখবর দিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই সুখবর দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য সোমবার (৬ জুলাই) থেকে দেশটির শ্রমবাজার খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, খুব দ্রুতই মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, মরিশাসের শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে।
তবে এবার মালয়েশিয়া নয়, বাংলাদেশই রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন করবে। তাই সিন্ডিকেট ও দুর্নীতি এড়াতে সরকার ও এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে আবারও জনশক্তি রফতানিতে ধাক্কা আসতে পারে। অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালে শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর ২০১৬ সালে আবার চালু হয়। পরে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়া আবারও বন্ধ করে মালয়েশিয়া।
এরপর আবার ২০২২ সালের আগস্ট থেকে আবার কর্মী যাওয়া শুরু হয়। তবে ২০২৪ সালের ১ জুন আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন শর্ত শিথিল নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে।
এদিকে ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৭ হাজার ৮৭৩ জন কর্মীকে পাঠানোর দায়িত্ব সরকারি সংস্থা বোয়েসেলকে দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পেরেছেন। বাকি কর্মীদের বিষয়েও দ্রুত পৃথক সিদ্ধান্ত নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

দুর্গাপুর-কলমাকান্দার বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ ডেপুটি স্পীকারের

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালিত
ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :
তামাক সেবন থেকে বিরত থাকার উদ্দেশ্যে এবং তামাক ব্যবহারের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব ও মানবস্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাবের বিষয়ে ‘‘আকর্ষণের মুখোশ উন্মোচন : নিকোটিন ও তামাক আসক্তি মোকাবেলা” এই প্রতিপাদ্যে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। রবিবার (৩১ আগষ্ট) সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এদিবস পালিত হয়।
এ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে একাডেমিক সুপারভাইজার মুহাম্মদ নাসির উদ্দীনের সঞ্চলনায়, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা (ভার) ডাক্তার তানজিরুল ইসলাম রায়হান, প্রেসক্লাব সভাপতি তোবারক হোসেন খোকন, প্রভাষক সমর সেন, অফিসার ইনচার্জ দুর্গাপুর থানা খন্দকার শাকের আহমেদ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে তামাক ব্যবহার এখনো একটি বড় জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে প্রায় ৩ দশমিক ৭৮ কোটি মানুষ কোনো না কোনোভাবে তামাক ব্যবহার করে। তামাকজনিত বিভিন্ন রোগে প্রতিবছর প্রায় ২ লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে, যা দেশের স্বাস্থ্যখাতের জন্য বড় উদ্বেগের বিষয়। ২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী, তামাক ব্যবহার ও উৎপাদনের কারণে স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮৭ হাজার কোটি টাকা। এ ক্ষতির পরিমাণ তামাকখাত থেকে অর্জিত রাজস্ব আয়ের দ্বিগুণেরও বেশি।
তামাকজনিত রোগের চিকিৎসা ব্যয় এবং কর্মক্ষমতা হ্রাসের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। বিশ্বব্যাপী ১২৫টিরও বেশি দেশে তামাক চাষ হলেও আবাদযোগ্য জমির সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও তামাক চাষে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ১৩তম। বিশ্বের মোট তামাক উৎপাদনের প্রায় ১ দশমিক ৩ শতাংশ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়। তরুণ প্রজন্মকে নিকোটিন ও তামাক আসক্তির ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে ই-সিগারেট, ভেপিংসহ নতুন ধরনের তামাকপণ্যের বিরুদ্ধে জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের উর্দ্ধতন দপ্তর থেকে কার্যকর নীতি ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারলে রক্ষা পাবে যুবসমাজ।

জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকারের পক্ষ থেকে দুর্গাপুরে মানবিক সহায়তা
ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি‘র অনুকুলে বরাদ্দকৃত জরুরী মানবিক সহায়তা কর্মসুচীর আওতায় পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারের মাঝে বিশেষ মানবিক সহায়তা হিসেবে ১০ লাখ টাকা ও ৪০ টন চাল বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (২৪ মে) বিকেলে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বিভিন্ন মসজিদের ইমাম, মোয়াজ্জিন এবং অসহায় ও দুঃস্থ পরিবারসহ ২শত পরিবারের হাতে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি’র দিক-নির্দেশনায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের আওতায় এই মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে স্থানীয় সাংবাদিক, বিভিন্ন মসজিদের ঈমাম ও সুশীল শ্রেনী-পেশার মানুষদের মাধ্যমে তালিকা প্রস্তত করে বন্টন করা হয় এই সহায়তা।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, মানবিক সহায়তা হিসেবে ২০০জন বিভিন্ন পর্যায়ের উপকারভোগীকে এই সহায়তার আওতায় আনা হয়েছে। এতে প্রত্যেক পরিবারে নগদ পাঁচ হাজার টাকা এবং ভিজিএফ সহায়তার আওতায় ৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৪ মে. টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। বিভিন্ন মসজিদের ৬০জন ইমাম-মোয়াজ্জিন কে প্রত্যেককে নগদ পাঁচ হাজার টাকা করে ঈদ উপহার হিসেবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
এসময়, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ সাদাত, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলাম, বিশিষ্ট সমাজসেবক অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ খান, বড় মসজিদের খতিব মুফতি আব্দুর রউফ, উপজেলা বিএনপি‘র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন মাস্টার, প্রেসক্লাব সভাপতি তোবারক হোসেন খোকন, সাধারণ সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ্, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইউসুফ খান, স্থানীয় প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীগণ, দুর্গাপুর প্রেসক্লাবের অন্যান্য সাংবাদিকগণ, উপকারভোগী পরিবারের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন

দুর্গাপুরে কৃষকের ধান ক্রয়ে ওজনে কম, চার ব্যাবসায়ীকে জরিমানা
ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:
নেত্রকোনার দুর্গাপুরে প্রান্তিক কৃষকদের ধান ক্রয়ে ওজনে কম দেয়ায় চার ধান ব্যাবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার (২০ মে) দুপুরে পৌরশহরের ধানমহাল এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন সহকারি কমিশনার (ভুমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রান্তিক কৃষদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করছেন বাজারের ব্যাবায়ীরা। দীর্ঘদিন ধরে নানা অজুহাতে ধানের ওজনে ৪০ কেজিতে ১মন না ধরে ৪২ কেজিতে ১মন নিয়ে ধানের দাম পরিশোধ করছেন ব্যাবসায়ীরা। প্রান্তিক কৃষকদের এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ধানের বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। পরে বাজারের চারজন ধান ব্যাবসায়ী শ্রীদাম প্রসাদ, ঝুটন সাহা, দেবল দে ও প্রবীর সাহা প্রত্যেক কে বিশ হাজার টাকা করে মোট আশি হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে অন্যব্যাবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাজারের ধান ব্যাবসায়ীরা কৃষকদের ধান ক্রয়ে ওজনে কম দিচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ধানের বাজারে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। সেইসাথে অন্যদেরকেও সর্তক করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি’ নিয়ে বিশেষ সভা
ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ দপ্তরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল ৯টা ২ মিনিটে সচিবালয়ে আসেন এবং তার কিছু দাপ্তরিক কাজ সারেন।
এরপর স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে স্মারক ডাক টিকিট উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ দপ্তরে তিনি ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয়’ নিয়ে সভায় সভাপতিত্ব করেন।

দুর্দশাগ্রস্ত শরিয়াহ ভিত্তিক ৫ ব্যাংকের বোর্ড ভেঙে দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক
দুর্দশাগ্রস্ত ৫ শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংক একীভূত করে একটি বৃহৎ ইসলামি ব্যাংক গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লক্ষে ব্যাংকগুলোর বোর্ড ভেঙে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বুধবার ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের চিঠি দিয়ে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বোর্ড ভেঙে দেওয়া ব্যাংকগুলো হলো- এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, ইউনিয়ন ও গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক।
পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ ৫ ব্যাংকের মধ্যে ৪টি মালিকানায় ছিল এস আলম। একটির মালিকানায় ছিল নজরুল ইসলাম মজুমদার।
ওই সময়ে ব্যাংকগুলো থেকে নামে-বেনামে হাজার হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়া হয়। ফলে ব্যাংকগুলোর আর্থিক অবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।
এতে গ্রাহকের জমানো অর্থ ফেরত দিতে পারছে না। এমন পরিস্থিতিতে এসব ব্যাংকে একীভূত করার উদ্যোগ নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে সরকারও সম্মতি দিয়েছে।

অধিক লাভের আশায় সমিতিতে টাকা জমা দিয়ে ফেরত না পেয়ে ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে
এইচ.এম সাইদুল ইসলাম :
বেশি মুনাফার আশায়, জীবনের সঞ্চয়কৃত সব টাকা তুলে দিয়েছিলেন সমিতিতে। কেউবা গার্মেন্টসে কাজ করে ঘাম ঝরানো আয়, কেউবা ব্যবসার আবার কারো পেনশনের টাকা তুলে জমা দিয়েছেন সমিতিতে। কিন্তু মুনাফা তো দুরের কথা আসল টাকার জন্যই হন্যে হয়ে ঘুরছেন অনেকেই। টাকার শোকে কেউবা প্রাণ হারিয়েছেন আবার কেউবা ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে। আবার কেউ বা আশ্রয় নিয়েছেন আদালতের।
নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার ৭ং গাঁওকান্দিয়া ইউনিয়নের জাগিরপাড়া এলাকায় এক সময়ের আলোচিত ‘‘প্যাসিফিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড’’ কে ঘিরেই ঘটেছে এই চাঞ্চল্যকর প্রতারণার কাহিনী। ২০১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সমিতি নানা কৌশলে মানুষের আস্থা অর্জন করে। প্রতি লাখ টাকায় মাসে চার হাজার টাকা লাভ দেয়ার প্রতিশ্রুতিতে গ্রাম-গঞ্জের বহু মানুষের সঞ্চিত অর্থ সমিতির কথা বলে জমা নিয়েছেন তারা। টাকা জমা নেয়ার পর তিন চার মাস লাভ দিলেও পরবর্তিতে নানা অজুহাতে বন্ধ করে দেন গ্রাহকদের মুনাফার অর্থ।
এমনই এক গার্মেন্টস কর্মী কান্নাজড়িত কন্ঠে সাংবাদিকদের জানান, ১৫ বছর গার্মেন্টসে কাজ করে উপার্জিত প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা এই সমিতিতে জমা রেখেছি। প্রতি লাখ টাকায় মাসে ৪ হাজার টাকা দিবে বলে চুক্তি হয়। পরবর্তিতে দু’মাস লাভের টাকা পেলেও এরপর বন্ধ করে দেয় টাকা দেয়া। এখন আমি গুরুতর অসুস্থ্য, টাকা উদ্ধার করতে প্রায় চার বছর ধরে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোন সুরাহা পাচ্ছিনা।
স্থানীয় গাঁওকান্দিয়া বাজারের এক ব্যবসায়ী তাইজুল ইসলামও পড়েছেন একই ফাঁদে। তিনি জমা দিয়েছিলেন ২০ লাখ টাকা। এখন টাকা ফেরত না পেয়ে দিশেহারা হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন । ঋণ করে সমিতিতে টাকা জমা দিয়েছিলাম। এখন সেই ঋণ মেটাতে ধানের জমি বিক্রি করে এখন দিশেহারা। টাকা উদ্ধারে আদালতে মামলা করে মহান আল্লাহ’র উপর ভরসা করে বসে আছেন তিনি।
এই প্রতারণা কেবল আর্থিক ক্ষতিই আনেনি, কেড়ে নিয়েছে মানুষের জীবনও। গাঁওকান্দিয়া গ্রামের অধিবেষ সরকার নামে এক ব্যক্তি এই সমিতিতে জমা রেখেছিলেন ১৯ লাখ টাকা। প্রতারণার শিকারে মানসিক কষ্টে অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসার অভাবে আগে মারা যান তার স্ত্রী। পরে চলতি মাসের ৬ তারিখে মারা যান তিনিও।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্যাসিফিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতিটি জাগিরপাড়ায় একটি ঘরে ২০১৯ সালে চালু করে। কিন্তু এখন সেখানে সেই অফিস নেই, নেই কোনো কার্যক্রম। আছে কেবল প্রতারণার শিকার মানুষের হাহাকার। এই সমিতি পরিচালনায় ছিলেন ওই এলাকার আব্দুল জলিল (সভাপতি), আব্দুল জলিল আকাশ (সহ-সভাপতি), আব্দুর রশিদ (সাধারণ সম্পাদক), আবুল কাশেম (যুগ্ম সম্পাদক), ইদ্রিস আলী (কোষাধ্যক্ষ), মাহফুজুল ইসলাম (বোর্ড সদস্য)।
বিষয়টি নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও খোঁজ পাওয়া যায়নি ওই সমিতির সভাপতি আব্দুল জলিলের সাথে। তার ব্যবহৃত দুইটি মোবাইল ফোনেও একাধিকবার কল দিলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা বিজন কান্তি ধর বলেন, সমিতিটি আমাদের কার্যালয় থেকে রেজিস্ট্রেশন নিয়েছে ঠিকই, তবে পরবর্তীতে আমাদের সাথে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা করেনি। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহের বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ আমরা পাইনি। অভিযোগ পেলে অবশ্যই তদন্ত করে দেখবো।”
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. নাভিদ রেজওয়ানুল কবীর বলেন, ঘটনাটি জানা ছিলো না আজকেই শুনলাম। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।
লোভে পড়ে মানুষ জীবনের সঞ্চয় তুলে দিয়েছিল একটি ‘‘প্যাসিফিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড’ এ। আজ সেই লোভই তাদের সর্বনাশ ডেকে এনেছে। এখন প্রয়োজন দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ ও আইনি সহায়তা । যাতে প্রতারিত মানুষরা অন্তত কিছুটা স্বস্তি ফিরে পান, আর ভবিষ্যতে কেউ যেন এমন ফাঁদে পা না দেন।

দুর্গাপুরে গাছ পড়ে ব্যপক ক্ষতি, প্রাণে বাঁচলো পরিবার
দুর্গাপুর (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি :
নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরশহরে ঝড়ে গাছ পড়ে বসত ঘর ভেঙ্গে ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেশ কয়েকটি পরিবারের। এর মধ্যে পৌরবিএনপির মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বিদ্যুৎ সরকারের বাড়ি-ঘর দুমরে মুচরে যায়। এ ঘটনা ঘটেছে নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরশহরের ৫নং ওয়ার্ডের দক্ষিনপাড়া ও আশপাশের এলাকায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, রোববার (২৭ এপ্রিল) রাতে হঠাৎ শুরু হয় ঝড় ও শিলাবৃষ্টি। ওই ঝড়ে বাড়ির পাশে থাকা বিশাল আম গাছ পড়ে যায় বিদ্যুৎ সরকারের বসত ঘরের ওপর। এতে ঘরের আসবাবপত্র বিনষ্ট সহ ঘরের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এছাড়া শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতি হয়েছে বাড়ির আশ-পাশের বোরো ফসলের। ঘরটি দুমরে মুচরে গেলেও ছেলে-মেয়ে সহ প্রাণে বেঁচে যায় বিদ্যুৎ সরকারের পরিবার। এছাড়া ওই এলাকার বেশ কিছু ঘর-বাড়ি ভেঙ্গে যায়।
বিদ্যুৎ সরকার বলেন, রবিবার রাতে হঠাৎ ঝড় শুরু হয়। পরে বসত ঘরের পাশে থাকা গাছ পড়ে যায় আমার বসত ঘরের ওপর। এতে দুমরে মুচরে যায় পুরো ঘর ও আসবাবপত্র। শিলাবৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে যায় খেতের ফসল। ঘর-বাড়ি ভেঙ্গে গেলেও প্রানে বেঁচে গেছে আমার পুরো পরিবার।