ইরান যুদ্ধ চায় না / দয়া, সততা এবং ন্যায়বিচার হল ঐশী ধর্মের মূল শিক্ষা: পেজেশকিয়ান

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

 ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের নীতি হল যুদ্ধ এড়ানো এবং ঐক্য ও জনগণের সেবা করার উপর মনোনিবেশ করা- এ কথা উল্লেখ করে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ধর্মীয় শিক্ষার সারমর্ম হল দয়া, সততা ও মানবাধিকারকে সম্মান করা এবং উন্নতির পথে বাধা সৃষ্টির জন্যই অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হয়।

ইসলামী বিপ্লবের বিজয়ের ৪৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার রাতে বিভিন্ন ধর্মের নেতা এবং অনুসারীদের এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ঐশী ধর্মের অভিন্ন ভিত্তির কথা উল্লেখ করেছেন এবং সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, দয়া ছড়িয়ে দেওয়া এবং মানবাধিকার রক্ষায় নবীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছেন। পেজেশকিয়ান বলেছেন যে, ঐশী শিক্ষার উপর ভিত্তি করে, সকল নবীকে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সত্যের উপর ভিত্তি করে বিচার করার জন্য পাঠানো হয়েছিল। তিনি আরও বলেন: ঐশী ধর্মের যুক্তিতে, মানুষ একটি “একক জাতি” এবং নবীদের প্রধান আহ্বান ছিল আল্লাহর উপাসনা করা, পরকালে বিশ্বাস করা এবং একে অপরের অধিকারকে সম্মান করা।

এই নীতিগুলি থেকে নিজেকে দূরে রাখার ফলে অনেক মতপার্থক্যের সৃষ্টি হয়েছে এ কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন: যদি মানুষ ভ্রাতৃত্ব, দয়া এবং ক্ষমার মনোভাব নিয়ে আচরণ করে, তাহলে অনেক দ্বন্দ্বের অবসান ঘটবে, কারণ অতিরিক্ত লোভের কারণে এবং সত্যের পথ থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখায় মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে।

ইসলামী বিপ্লবের শুরু থেকেই দেশের সামনে বিরাজমান চ্যালেঞ্জের পর্যালোচনা করে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন: “ইরানী জাতির স্বাধীনতা অর্জনের প্রথম দিন থেকেই দেশের মানুষকে নানা ষড়যন্ত্র, সংঘাত এবং চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ মোকাবেলা করতে হয়েছে এবং এই ভূমির শ্রেষ্ঠ সন্তানরা ন্যায়বিচার ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার জন্য তাদের জীবন উৎসর্গ করেছেন।”

মক্কা বিজয়ে নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর বাণীর কথা উল্লেখ করে পেজশকিয়ান বলেছেন, প্রকৃত ধর্মীকতা কেবল ব্যক্তিগত ইবাদতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং দায়িত্ব, সততা এবং জনগণের অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা হল ধার্মিকতার প্রধান মানদণ্ড।

ইরানের মৌলিক নীতি হলো ঐক্য, সংহতি এবং জনগণের সেবা করা, এই কথা উল্লেখ করে ইরানের প্রেসিডেন্ট বলেন: “ইরানি জাতি একটি সমৃদ্ধ ও গর্বিত দেশ গড়ে তোলার জন্য হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করবে।”#

সূত্র: পার্সটুডে




নেত্রকোনা ১ আসন (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) কে মডেল আসন হিসেবে গড়ে তুলবো-ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

সবার আগে বাংলাদেশ, আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী, বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে জুলাই যোদ্ধাদের পরিবারে ঢাল হিসেবে কাজ করবে, শ্রমিক ও মেহনতি মানুষের কল্যানে কাজ করবে, আগামী নির্বাচন তারেক রহমানকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করার নির্বাচন। সেইসাথে মাদক, কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিংএর মুলোৎপাটন করে দুর্নীতিতে বিদায় জানাতে কাজ করবে বিএনপি, নেত্রকোনা ১ আসন (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) কে মডেল আসন হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করবে। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, দুর্গাপুর উপজেলা ও পৌরবিএনপির আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় এ কথা বলেন, নেত্রকোনা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, কেন্দ্রীয় বিএনপি‘র আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

সোমবার (০৯ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে সুসং সরকারি মহাবিদ্যালয় মাঠে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা হাজার হাজার সাধারণ ভোটারগণ তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা, প্রত্যাশা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সহ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি নির্বাচিত হলে কি কি কাজ করবেন তা তুলে ধরেন।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, একটি দল সাধারণ মানুষের কাছে জান্নাতে যাওয়ার জন্য ভোট চাইছেন, এই ধরনের নাযায়েজ কথা শোনা থেকে সকলকে বিরত থাকতে হবে। আগামী নির্বাচন আমাদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জের নির্বাচন। এই জাতিধর্ম নির্বিশেষে সকলকে রক্ষা করার চ্যালেঞ্জ। তারেক রহমান ঘোষিত উন্নয়ন–ভিশন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সীমান্ত অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অবহেলা দূর করার চ্যালেঞ্জ। মুসলমান ভাইদের ঈমান রক্ষার চ্যালেঞ্জ। কাজেই আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট দেয়ার আহবান জানান তিনি।

বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, অত্র এলাকার তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে, কৃষকদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং সীমান্ত এলাকায় পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। আমি আপনাদের কাছে যে ওয়াদাগুলো দিচ্ছি, আমাকে নির্বাচিত করুন, আমি তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবো ইনশাআল্লাহ্।

অতীতে কোন সরকার শ্রমিকদের কল্যানে কাজ করেনি, বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, সেই ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করে বিভিন্ন সরকারি ভাতা ও কার্ড পেতে দলীয় নেতা বা জনপ্রতিনিধিকে তোষামোদ করতে হবে না। আমি ক্ষমতার রাজনীতি করতে আসিনি, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে এসেছি। যতদিন রাজনীতিতে থাকবো, ততদিন ইনসাফভিত্তিক সমাজ গঠনের সংগ্রাম চালিয়ে যাবো। আমি আল্লাহর নামে শপথ করে বলছি, নেত্রকোনা- ১ আসনকে একটি শ্রমিকবান্ধব, দুর্নীতিমুক্ত, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলবো।

নির্বাচনী জনসভায় বিপুল সংখ্যক সাধারণ ভোটার, বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, জমিয়তে ইসলাম ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, বীরমুক্তিযোদ্ধাগণ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। ব্যারিস্টার কায়সার কামালের বক্তব্য শুনে, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে ধানের শীষ প্রতিকে ভোট দিবেন বলে প্রতিশ্রুতি করেন ভোটারগণ।




কারা অধিদপ্তরকে ১৩ হাজার ধর্মীয় বই উপহার দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়

ডিএনবি ‍নিউজ ডেস্ক:

কারা অধিদপ্তরকে ১৩ হাজার ধর্মীয় বই উপহার দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসব বই হস্তান্তর করা হয়।

ধর্ম উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, দেশের ৬৮টি কারাগারে থাকা প্রায় ৭০ হাজার কয়েদি ও হাজতির নৈতিক উন্নয়ন ও মানসিক পরিবর্তন, কয়েদিদের অপরাধ থেকে দূরে রাখতে ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নামাজের ব্যবস্থা এবং ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে ধর্মীয় ও নৈতিকতাভিত্তিক বই, জায়নামাজ এবং অন্যান্য সামগ্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর হাতে ১৩ হাজার কপি বই হস্তান্তর করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।

এসময় স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন, এনডিসি, পিএসসি ও স্বরাষ্ট্র ও ধর্ম উপদেষ্টার দুই একান্ত সচিব উপস্থিত ছিলেন।




নেত্রকোনা ১ আসনে  রিক্সা মার্কার প্রার্থী  গোলাম রাব্বানীকে বিজয় নিশ্চিত করতে আহবান, দুর্গাপুরে আল্লামা মামুনুল হক

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, দেশ বর্তমানে দুইটি ভাগে বিভক্ত, একদিকে এগারোটি দল আর অন্য দিকে একটি দল। গুন্ডা-মান্তান দিয়ে ভোটকেন্দ্র দখল করে ব্যালট পেপার ছিনতাই করার দিন শেষ হয়ে গেছে। কেউ যদি ব্যালটের রায় পরিবর্তনের চেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলায় সুসং সরকারি মহাবিদ্যালয় মাঠে এগারো দলীয় এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নেত্রকোনা জেলা শাখার সভাপতি আল্লামা জিয়া উদ্দীন সাহেব (দা: বা:) এর সভাপতিত্বে, অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, এনসিপি‘র কেন্দ্রীয় নেতা প্রিতম সোহাগ, ফয়সাল মাহমুদ, ছাত্র শিবির জাবি শাখার সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন, জামায়েতে ইসলামী জেলা শাখার আমীর অধ্যাপক মাও: সাদেক আহমাদ হারিছ, কলমাকান্দা উপজেলা শাখার আমীর অধ্যাপক মাওলানা আবুল হাসিম, দুর্গাপুর উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা মো. আব্দুর রাজ্জাক, ১১ দলীয় ঐক্য জোটের প্রার্থী গোলাম রব্বানী সহ অন্যন্য নেতাকর্মী ও আলেম মাশায়েকগণ বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘‘১১ দলীয় ঐক্যজোট গঠিত হয়েছে একক নেতার নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য নয়, কোন একটি দলের স্বার্থ উদ্ধার করার জন্য নয়, দলের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য নয়, গঠিত হয়েছে বাংলার মানুষের ভাগ্য গড়বার জন্য, ১১ দল নিজের দলের প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন করছে না, নির্বাচন করছে ইনছাফের বাংলাদেশ গড়ার জন্য। কোন চাঁদাবাজ, ‘‘টেন্ডারবাজের কাছে ভোটকেন্দ্র ছেড়ে দেয়া যাবে না। দেশের সম্পদ বিদেশে পাচারের জন্য যারা নির্বাচন করছে তাদের ভোট দিবেন না। নির্বাচনের দিন সকলেই সকাল সকাল ভোট কেন্দ্রে যাবেন এবং আমাদের সমমনা মানুষের ভোট কাস্টিং করাবেন।

বক্তারা আরো বলেন, জুলাইয়ের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই ১১ দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, বিদেশী আধিপত্যবাদী শক্তি যুগের পর যুগ বছরের পর বছর বাংলার মানুষের মাথার ওপর তাদের দোসর এবং সেবা দাসদেরকে বসিয়ে বাংলাদেশ থেকে তারা রক্ত চুষে খেয়েছে, ধনসম্পদ লুটেপুটে খেয়েছে, এক দোসরের দিন শেষ হলে নতুন করে আরেক দোসরকে বসানোর পায়তারা চালিয়েছে। এবার বাংলার মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, আর কোন দোসরের চেহারা দেশাবাসী দেখতে চায় না, আলেমদের নিয়ে যা খুশি তা বলা শুরু করেছে। আমরা কোন মন্তব্য না করে ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছি। নেত্রকোনা ১ আসনে  রিক্সা মার্কার প্রার্থী  গোলাম রাব্বানীকে বিজয় নিশ্চিত এবং ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে আহবান জানানো হয়।

প্রধান অতিথি আল্লামা মামুনুল হক বলেন, ‘স্বাধীন বাংলার মানুষের ন্যায় ও ইনসাফের স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। গত ৫৪ বছর ধরে শাসনের নামে এ দেশের মানুষের ওপর শোষণ চালানো হয়েছে এবং মানুষের বিশ্বাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লব বাস্তবায়ন করতে, শহিদদের রক্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এবং শরীফ ওসমান হাদির মতো যোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য গণভোটে ‘‘হ্যাঁ’’ বাক্সে সিল দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। সভা শেষে মোনাজাতের মাধ্যমে জনসভা সমাপ্ত করা হয়।




জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) রণক্ষেত্র, সংঘর্ষে দুই পক্ষের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ আহত ৩০

আন্তবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই পক্ষ। এতে শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ধোপখোলায় আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আহতদের পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, আজ  বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ ধূপখোলায় আন্তবিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচে অংশ নেয় ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ। খেলার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর ট্রাইবেকার চলাকালীন দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে সংঘাতে রূপ নেয়। পরে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই বিভাগের শিক্ষার্থীরা।




আমার প্রতি আস্থা রেখে ভোট দিন, প্রতিটি ওয়াদাই পালন করবো দুর্গাপুরে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, আলেম উলামাদের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করবে। স্থানীয়ভাবে মাদরাসার শিক্ষকদের কাজে লাগানো হবে। সেইসাথে মাদক, কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিংএর মুলোৎপাটন করা হবে, আমি দুর্নীতি করবো না, কাউকে দুর্নীতি করতেও দেবো না। একমাত্র বিএনপি‘র কাছেই আলেম উলামাগণ সম্পুর্ন নিরাপদ। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, উলামা মাশায়েখ সম্মেলনে এই কথা বলেছেন, নেত্রকোনা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, কেন্দ্রীয় বিএনপি‘র আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে স্থানীয় শহীদ মিনার চত্বরে, উপজেলা বিএনপি ও উপজেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এর আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শত শত আলেম উলামা ও সাধারণ ভোটারগণ তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা, প্রত্যাশা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সহ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি নির্বাচিত হলে কি কি কাজ করবেন সেই প্রশ্ন তুলে ধরেন।

উলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে জমিয়তের জেলা শাখার সভাপতি  মাওলানা মুফতি তাহের কাসেমী সাহেব এর সভাপতিত্বে এনায়েত উল্লাহ্ খানের সঞ্চালনায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ ইমাম হাসান আবুচান, পৌর বিএনপি সভাপতি আতাউর রহমান ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক হারেজ গণি, মুফতি আবুল কাশেম সাদী, হযরত মাওলানা মফিজুর রহমান, হাফেজ আবুল কাশেম,  মাওলানা রুহুল আমীন নগরী, মাওলানা এ কে এম জহিরুল হক, মাওলানা আব্দুস সালাম প্রমুখ। এছাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম উপজেলা ও পৌর শাখার নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা সবাই বাংলাদেশী। আলেম উলামাগন আমাদের জনগোষ্ঠীর একটা পার্ট। বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে আলেম উলামাদের নিয়ে জনকল্যানমুলক কাজ করবে। এলাকা থেকে মাদক, কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিং চিরতরে নির্মুল করার পদক্ষেপ নিবে। ইউনিয়ন ভিত্তিক মসজিদ-মাদরাসা গুলোতে দ্বীনি শিক্ষায় নিয়োজিত করে আলেম উলামাদের জন্য কাজ করা হবে। বিজ্ঞান ভিত্তিক কৃষিকাজের প্রকল্প হাতে নিয়ে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের কাজে লাগানো হবে।

তিনি আরো বলেন, মাদকের কারণে শুধু দুর্গাপুর নয়, কলমাকান্দা উপজেলারও অনেক পরিবার আজ ক্ষতিগ্রস্ত। আমি যেদিন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি, সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছি, আপনারা যদি আমাকে এলাকায় কাজ করার সুযোগ দেন আর আমি যদি এমপি নির্বাচিত হই, তাহলে মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকবে। এছাড়া দুর্গাপুরে অনার্স কোর্স চালু, ও খেলাধুলার পরিবেশ তৈরী করার বিষয়ে সহায়তা করবেন বলে তিনি ওয়াদা করেন। আমার প্রতি আস্থা রেখে ভোট দিন, আমার দেয়া প্রতিটি ওয়াদাই পালন করবো ইনশাআল্লাহ্। আর যদি ওয়াদা গুলো পুরণ করতে না পারি তাহলে আর কোনদিন আসবো না ভোট চাইতে।




পাকিস্তানের ১২ শহরে একযোগে হামলা, ৮০ সেনা নিহত

ডিএনবি নিউজ আন্ত: ডেস্ক –

পাকিস্তানের কোয়েটাসহ বেলুচিস্তানের ১২টি শহরে একযোগে হামলা চালিয়েছে বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। এতে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ৮০ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা এবং সন্ত্রাস-বিরোধী দলের সদস্যও রয়েছেন।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিএলএ এই দাবি করেছে, খবর জানিয়েছে এনডিটিভি।

বিএলএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধারা বেলুচিস্তানের বিভিন্ন শহরে একাধিক হামলা চালিয়েছে। তারা এই অভিযানকে ‘অপারেশন হিরোফ ফেজ টু’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

পাকিস্তানের এই সংগঠন দাবি করেছে, তারা ১২ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামাবাদে নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসনিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিএলএ-র দাবির সত্যতা যাচাই করার মতো প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বিএলএ’র মুখপাত্র জিয়ান্দ বেলুচ বলেছেন, কোয়েটা, নশকি, মাসতুং, দালবানদিন, কালাত, খারান, পাঞ্চগুর, গোয়াদার, পানসি, তুরবাত, তুম্ব, বুলেদা, ম্যাঙ্গোচর, লাসবেলা, কেচ এবং আওরানে হামলা চালানো হয়েছে।

সংগঠনটির দাবি, শত্রুপক্ষ পাক সেনাবাহিনী, প্রশাসন, ও নিরাপত্তা বাহিনীর ভবনে যোদ্ধারা অনবরত হামলা চালিয়েছে। বিএলএ’র দাবি, বেশ কয়েকটি অঞ্চলে সাময়িকভাবে পাক বাহিনীর চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এই অভিযানে নিজেদের সাতজন যোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে জানায় সংগঠনটি।

তবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং দাবি করেছে, বেলুচিস্তানে ভারত সমর্থিত ৯২ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ১৮ জন বেসামরিক নাগরিক ও ১৫ জন সেনা নিহত হয়েছে বলে জানায় পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।




দুটি প্রথাগত রাজপরিবারের হাতে দেশের মানুষ তাদের ভাগ্য বন্ধক দিতে রাজি নয়: মামুনুল হক

কোনো মুনাফিক গোষ্ঠী বাংলাদেশ শাসন করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনি সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য স্থানীয় এইচজে সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ সমাবেশের আয়োজন করে।

মামুনুল হক বলেন, বাংলাদেশের দুটি প্রথাগত রাজপরিবারের হাতে দেশের মানুষ আর তাদের ভাগ্য বন্ধক দিতে রাজি নয়।

একটি দল গণভোটে প্রকাশ্যে ‘হ্যাঁ’ ভোটের কথা বললেও গোপনে ‘না’-এর জন্য প্রচারণা চালায় দাবি করে মামুনুল হক বলেন, ‘কেউ প্রকাশ্যে এক কথা আর গোপনে আরেক কথা বললে তাকে কী বলা যায়? আর কোনো মুনাফিক গোষ্ঠী বাংলাদেশ শাসন করতে পারবে না। বাংলার মানুষ আর তাদের মেনে নেবে না।’

‘তারা নিজেদের ঘৃণ্য পরাজয় দেখতে পেয়ে, ভীরু-কাপুরুষের মতো নারীদের গায়ে হাত তোলার মতো ঘৃণ্য কাজ করে যাচ্ছে। কেউ যদি আমার মায়ের দিকে, বোনের দিকে ভিন্ন দৃষ্টিতে তাকায়, কেউ যদি মেয়েদের হিজাব নিয়ে টানাটানি করে, আপনারা তার হাত ভেঙে দেবেন, চোখ উপড়ে দেবেন,’ যোগ করেন তিনি।

খেলাফত মজলিসের আমির সতর্ক করে দেন- যদি আর নারী সমাজের গায়ে হাত তোলা হয়, তাহলে যে আগুন জ্বলবে, সে আগুন নেভানোর কেউ থাকবে না।

ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনারা ভোট দেবেন, পাহারাদারি করবেন। কোনো ভোটচোর চুরি করতে আসলে তাদের প্রতিহত করতে হবে।’




দুর্গাপুর প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আনোয়ার হোসেন খান শান্ত’র মতবিনিময়

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন খান শান্ত সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভা করেছেন।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে দুর্গাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​মতবিনিময় সভায় আনোয়ার হোসেন খান শান্ত বলেন, “দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আধুনিকায়নসহ অতীতের সব বড় উন্নয়ন জাতীয় পার্টির আমলেই হয়েছে। উন্নয়নের এই ধারাকে আরও শক্তিশালী করতে এবং কৃষি ও কারিগরি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এলাকার রূপরেখা বদলে দিতে আগামী নির্বাচনে লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দিতে ভোটারদের আহবান জানান।

​নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমরা একটি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। জনগণের ভোটে যিনি নির্বাচিত হবেন, তাকেই আমরা স্বাগত জানাব। কিন্তু নির্বাচনের নামে কোনো ধরনের প্রহসন হলে ইতিহাস কাউকে ক্ষমা করবে না।”

এসময় তিনি নির্বাচন যাতে অবাধ  সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়, সেজন্য সাংবাদিকদের সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানান।

​বক্তব্যে তিনি এলাকার উন্নয়নে বেশ কিছু পরিকল্পনার কথা জানান- ​দুর্গাপুরে অনার্স কোর্স চালুকরণ, চিকিৎসা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূল, উন্নত নগরায়ন, আদিবাসী সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ, যুব সমাজকে উপযুক্ত কর্মসংস্থান এর ব্যবস্থা গ্রহণ ও সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

​সভায় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন জাতীয় পার্টি দুর্গাপুর উপজেলা শাখার সভাপতি ফেরদৌস আলম খান এবং পৌর শাখার সভাপতি মো. নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।




নেত্রকোনার দুর্গাপুর ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

নেত্রকোনার দুর্গাপুর পৌরসভার ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের বিদ্যাপিঠ দি চাইল্ড লার্নিং হোমস এর ২০তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারী) নানা আয়োজনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

বিদ্যাপিঠের প্রধান শিক্ষক মাসুম বিল্লাহ এর সঞ্চালনায়, এসএমসি এর সভাপতি মো. সাইদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন প্রেসক্লাব সভাপতি তোবারক হোসেন খোকন, সাবেক সভাপতি নির্মলেন্দু সরকার বাবুল, পৌর বিএনপি‘র সহ:সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন, প্রভাষক মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম, সাংবাদিক আল নোমান শান্ত সহ স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অভিভাবকগণ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা শেষে, বিদ্যালয়ের মাঠে ২০টি ইভেন্টে শিশুদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তিতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়।