যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির বিরুদ্ধে জাতিসংঘ মহাসচিব ও নিরাপত্তা পরিষদে ইরানের চিঠি

ডিএনবি নিউজ আন্ত: ডেস্ক:

জাতিসংঘে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি নিরাপত্তা পরিষদ ও জাতিসংঘের মহাসচিবের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক হুমকিগুলোকে জাতিসংঘ সনদের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং এর স্পষ্ট নিন্দা জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

পার্সটুডে’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতিসংঘে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানবিরোধী নতুন হুমকির পর নিরাপত্তা পরিষদ ও জাতিসংঘের মহাসচিবকে লেখা এক চিঠিতে এসব বেপরোয়া হুমকির নিন্দা জানান। তিনি বলেন, শক্তি প্রয়োগের প্রকাশ্য হুমকি জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালার সুস্পষ্ট ও গুরুতর লঙ্ঘন। এ বিষয়ে দৃঢ় ও স্পষ্ট নিন্দা জানাতে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানান ইরাভানি।

ইরাভানি চিঠিতে আরও বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান এসব বেপরোয়া হুমকির কঠোর নিন্দা জানাচ্ছে এবং জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যেকোনো সশস্ত্র হামলা বা আগ্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে বৈধ আত্মরক্ষার স্বাভাবিক ও অখণ্ড অধিকার পুনরায় জোর দিয়ে উল্লেখ করছে। ইরানের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা, জনগণ বা গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় স্বার্থ যদি আরও কোনো আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের মুখে পড়ে, তবে ইরান এই অধিকার দৃঢ় ও আনুপাতিকভাবে প্রয়োগ করবে।

তিনি আরও বলেন, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান নিরাপত্তা পরিষদ বিশেষকরে এর দায়িত্বশীল সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগের প্রকাশ্য হুমকিকে জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতির সুস্পষ্ট ও গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে স্পষ্ট ও দৃঢ়ভাবে নিন্দা জানানো হোক; যুক্তরাষ্ট্রকে অবিলম্বে সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে তার দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হোক; সব ধরনের হুমকি ও শক্তি প্রয়োগ বন্ধ করতে বলা হোক এবং নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে তার দায়িত্ব এমনভাবে পালন করতে বলা হোক, যা জাতিসংঘের উদ্দেশ্য ও নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। পাশাপাশি দ্বিমুখী নীতি পরিহার করে দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক, যাতে নিরাপত্তা পরিষদের এক স্থায়ী সদস্য এবং তার আঞ্চলিক মিত্র ইহুদিবাদী ইসরায়েলের দায়মুক্তি ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি প্রকাশ্য অবহেলার ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতির আরও অবনতি রোধ করা যায়।

জাতিসংঘে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি জোর দিয়ে বলেন, এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিলে তা কেবল আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তাকে আরও দুর্বল করবে না, বরং যে নিরাপত্তা পরিষদের ওপর আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার প্রাথমিক দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়েছে, সেই পরিষদের বিশ্বাসযোগ্যতা, কর্তৃত্ব ও বৈধতাকেও মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করবে। শক্তি প্রয়োগ বা এর হুমকি নিষিদ্ধ করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি একটি সার্বজনীন বাধ্যবাধকতা এবং এর লঙ্ঘন উপেক্ষা করা বা ন্যায্যতা দেওয়া যায় না। এ ধরণের লঙ্ঘন অনিবার্যভাবে সেই আন্তর্জাতিক আইনি ব্যবস্থার ওপর গুরুতর ও স্থায়ী আঘাতের সমতুল্য।#

সূত্র: পার্সটুডে




বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় দুর্গাপুরে দোয়া মাহফিল

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

বাংলাদেশের সাবেক তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে উপজেলা ও পৌর বিএনপি‘র আয়োজনে আয়োজনে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদযোহর স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে এ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া মাহফিলে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহিরুল আলম ভুইয়া, সাবেক সভাপতি ইমাম হাসান আবুচান, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল উদ্দীন মাস্টার, পৌর বিএনপির সভাপতি আতাউর রহমান ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক হারেজ গণি সহ বিএনপি ও তার সকল অংগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীগণ।

দোয়া মাহফিল পুর্ব আলোচনায় বক্তারা বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রতীক। দেশের মানুষ তাঁর রাজনৈতিক জীবন, ত্যাগ ও অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। তিনি ছিলেন আপোষহীন ও দৃঢ়চেতা একজন রাষ্ট্রনায়ক, যিনি দেশের সংকটময় সময়ে গণতন্ত্র রক্ষায় নিঃস্বার্থভাবে ভূমিকা রেখেছেন, কখনোই দেশ ছেড়ে যাননি। আজকের এই দোয়া মাহফিলে আমরা তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।




এবার সব রেকর্ড ভাঙল তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জানাজা অনুষ্ঠিত হলো তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার। এতে কয়েক মিলিয়ন (দশ লাখে এক মিলিয়ন) মুসল্লি অংশ নেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এত বড় জানাজার উদাহরণ দেশের ইতিহাসে আর দ্বিতীয়টি নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা ৩টা ৫ মিনিটে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক।

জানাজার আগে খালেদা জিয়ার একমাত্র ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান পরিবারের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন এবং মায়ের জন্য দোয়া প্রার্থনা করেন। তার কাছে কেউ কোনো ঋণ পেলে যোগাযোগ করতে বলেন। এছাড়া খালেদা জিয়ার আচরণে কেউ কোনো কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা করে দেওয়ার আবেদন জানান তারেক রহমান।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টাবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের লাখ লাখ মানুষ জানাজায় অংশ নেন।

রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও সংসদ ভবন এলাকা জানাজার জন্য নির্ধারিত হলেও লোক সমাগম ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের এলাকায়। ফার্মগেট, বিজয় সরনি, আগারগাঁও, কারওয়ানবাজার, বাংলামোটর, তেজগাঁও পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য ছিল। বানের স্রোতের মতো চার দিক থেকে সাধারণ মানুষ আসতে থাকে জানাজার দিকে। প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে গতকাল থেকেই ঢাকামুখী মানুষের ঢল নামে।

জনশ্রুতি আছে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জানাজা হয়েছিল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের। সম্প্রতি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির জানাজাও ছিল স্মরণকালের বৃহৎ। তবে সব রেকর্ড ছাপিয়ে খালেদা জিয়া স্থান করে নিয়েছেন ইতিহাসের পাতায়। এতো বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি ও ভালোবাসায় এর আগে কোনো নেতা বিদায় নিতে পারেননি।




‘স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রামের এক অবিচল অধ্যায় শেষ’

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এক যৌথ শোক বিবৃতিতে বলেন, তাঁর ইন্তেকালে আমরা গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করছি এবং জাতির ইতিহাসে এক মহীরুহ নেত্রীর সকল অবদান গভীরভাবে স্মরণ করছি।

বিবৃতিতে তাঁরা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ছিল সংগ্রামের এক মহাকাব্য। তিনি গৃহবধূ থেকে রাজনীতির মঞ্চে এসে বাংলাদেশের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়ের নাম হয়ে ওঠেন। তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি দেশ ও জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধিতে অনন্য ভূমিকা পালন করেন। তিনি কখনোই নিজের জীবনের স্বার্থকে দেশের স্বার্থের ঊর্ধ্বে স্থান দেননি; বরং ভোটাধিকার, গণতন্ত্র ও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অপরিমেয় ত্যাগ স্বীকার করেছেন।

নেতৃদ্বয় আরও বলেন, আমরা জানি—তিনি দীর্ঘদিন ধরে গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছিলেন। রাজনৈতিক নিপীড়ন, অন্যায় কারাবাস ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা-বঞ্চনার ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থার ক্রমাবনতি ঘটে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি কঠোর নিপীড়ন, অন্যায় কারাবাস ও অব্যাহত নির্যাতনের শিকার হলেও কখনোই দেশ ও উম্মাহর কল্যাণের আকাঙ্ক্ষা কিংবা গণতান্ত্রিক সংগ্রাম থেকে পিছপা হননি। শেষ পর্যন্ত তিনি ছিলেন সেই নেত্রী, যিনি ধর্ম, দেশ ও মানুষের অধিকারকে সমান গুরুত্ব দিয়ে সম্মান করেছেন।

বিবৃতিতে বিশেষভাবে বলা হয়, এই শোকঘন মুহূর্তে আমরা বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাবেক আমীর শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক (রহ.)-এর সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার গভীর সম্পর্ক এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যের কথা স্মরণ করছি। আলেমসমাজের প্রতি তাঁর সম্মান, ভালোবাসা এবং ইসলামী প্রতিষ্ঠান গঠনে রাষ্ট্রীয় সহায়তার মনোভাব ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

নেতৃদ্বয় বলেন, আমরা এই মহীয়সী নারীর আত্মার মাগফিরাত ও জান্নাতের জন্য দোয়া করি। তাঁর জীবনসংগ্রাম, সহিষ্ণুতা ও বিচক্ষণ নেতৃত্বের শিক্ষা জাতি কখনো বিস্মৃত হবে না।

মহান আল্লাহ তায়ালা শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে এই শোক বহনের তাওফিক দান করুন।




রাজধানীর এভারকেয়ারে তারেক রহমান

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

রাজধানীর ৩০০ ফিটে সংবর্ধনা শেষে অসুস্থ মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে অনুষ্ঠান শেষে মাকে দেখতে যান তিনি।

তারেক রহমানকে সংবর্ধনা দিতে ৩০০ ফিট ও এর আশপাশের এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

এর আগে দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশের মাটি স্পর্শ করেন তারেক রহমান। তাকে বহনকারী বিমানটি বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান তার সঙ্গে ছিলেন।

বাংলাদেশের আকাশে প্রবেশের পর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা ৩৪ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি আবেগঘন পোস্ট দেন তারেক রহমান। তিনি লেখেন, ‘দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে!




ইরান কোনোভাবেই হুমকি ও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না: ইরাভানি

ডিএনবি নিউজ আন্ত: ডেস্ক- 

জাতিসংঘে ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি জোর দিয়ে বলেছেন, ইরান আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে অটল থাকবে এবং হুমকি ও চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না। তিনি জানান, ইরান ন্যায়ভিত্তিক কূটনীতিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং বর্তমানে আস্থা পুনরুদ্ধারের দায়িত্ব ফ্রান্স, ব্রিটেন ও আমেরিকার উপর বর্তায়।

গতকাল (মঙ্গলবার) নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাব সংক্রান্ত বৈঠকে তিনি বলেন, “নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবে একটি সুস্পষ্ট, সচেতন ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর সমাপ্তি ধারা রয়েছে। এই প্রস্তাব ১৮ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে মেয়াদ শেষ করেছে এবং ওই তারিখের পর থেকে এর কোনো আইনি কার্যকারিতা বা বাস্তবায়নমূলক দায়িত্ব নেই। সুতরাং, ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবের আওতায় নিরাপত্তা পরিষদের ভূমিকা চূড়ান্তভাবে শেষ হয়েছে।”

পার্সটুডের প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনি আরও জানান— ইরান কূটনৈতিক সব প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছিল, কিন্তু প্রতিপক্ষ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, “ইরান কোনোভাবেই জবরদস্তি ও হুমকির কাছে মাথা নত করবে না এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ অব্যাহত রাখবে।”

ভেনিজুয়েলার সংসদ অর্থনৈতিক অবরোধ মোকাবিলায় আইন পাস

ওয়াশিংটনের হুমকির প্রেক্ষাপটে ভেনিজুয়েলার সংসদ সর্বসম্মতিক্রমে নৌযান চলাচল ও বাণিজ্যের স্বাধীনতা রক্ষার আইন পাস করেছে। এই আইন অর্থনৈতিক অবরোধ ও অবৈধ আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ মোকাবিলার উদ্দেশ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে।

আইনটিতে নৌপথ, বাণিজ্যিক নৌবহর এবং ভেনিজুয়েলার বৈদেশিক বাণিজ্য সুরক্ষার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকারকে একতরফা নিষেধাজ্ঞা, সীমান্তপারের হুমকি ও দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থবিরোধী শত্রুতামূলক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করা হয়েছে।

ভেনিজুয়েলার সংসদ সদস্যরা এই আইনকে জাতীয় সার্বভৌমত্ব জোরদার এবং আন্তর্জাতিক জলসীমায় দেশের বৈধ অধিকার রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন।

যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ১০ হাজার ইউক্রেনীয় সেনার পলায়ন

রাশিয়ার সাথে সংঘর্ষের এক প্রেক্ষাপটে ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সুমি অঞ্চলে রুশ-সমর্থিত বাহিনীর দ্রুত অগ্রগতির খবর পাওয়া গেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রায় ১০,০০০ ইউক্রেনীয় সেনা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে সরে এসে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।

তুরস্কে লিবিয়ার বিমান দুর্ঘটনা

তুরস্কে একটি লিবীয় বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে লিবিয়ার কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান মোহাম্মদ আলী আল-হাদ্দাদ।

তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিমানটি আঙ্কারা থেকে ত্রিপোলির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিল এবং আঙ্কারা অঞ্চলে জরুরি অবতরণের অনুরোধ জানায়। তবে এরপর বিমানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

জানা গেছে, লিবীয় প্রতিনিধি দলটি তুরস্কের সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের জন্য আঙ্কারা সফরে গিয়েছিল।

গাজায় শহীদের সংখ্যা বৃদ্ধি

গাজা থেকেও উদ্বেগজনক খবর পাওয়া গেছে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরাইলি শাসকগোষ্ঠীর গণহত্যামূলক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৭০ হাজার ৯৪২ জন ফিলিস্তিনি শহীদ এবং ১ লাখ ৭১ হাজার ১৯৫ জন আহত হয়েছেন।#

সূত্র: পার্সটুডে




বিএনপি ক্ষমতায় আসলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের বিশেষ ভাতা দেওয়া হবে-সালাহউদ্দিন আহমদ

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের বিশেষ ভাতা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে কোরআন সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন পাস করবে না। কওমি মাদ্রাসা থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের ধর্মীয় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, জমিয়তের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতার ভিত্তিতে ৪টি আসনে বিএনপি প্রার্থী দেবে না।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এসব আসনে বিএনপি কোনো প্রার্থী দেবে না। এখানে কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে দল ব্যবস্থা নেবে।

জমিয়তের জন্য ছেড়ে দেওয়া আসনগুলো হলো: নীলফামারী-১ থেকে মনজুরুল ইসলাম আফেন্দী, নারায়ণগঞ্জ-৪ থেকে মনির হোসাইন কাসেমী, সিলেট-৫ থেকে আমির উবায়দুল্লাহ ফারুক এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ থেকে জুনায়েদ আল হাবিব।

জানা গেছে, জমিয়ত প্রাথমিকভাবে ৫টি আসনের দাবি জানালেও বিএনপি ৩টি আসনে সম্মত হয়। পরে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুপারিশে আরও ১টি আসন বাড়িয়ে মোট ৪টি করা হয়।




ভেনেজুয়েলার উপকূলে আরেকটি তেল ট্যাংকার আটক করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

ডিএনবি নিউজ আন্ত: ডেস্ক-

ভেনেজুয়েলার উপকূলে মার্কিন বাহিনী আরেকটি তেল ট্যাংকার আটক করেছে, যা দুই সপ্তা’রও কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো অভিযান। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সরকারের ওপর চাপ বাড়ানোর লক্ষ্যে এইসব কঠোর অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শনিবার ভোরবেলায় চালানো অভিযানে যুদ্ধ বিভাগের সহায়তায় মার্কিন কোস্টগার্ড ভেনেজুয়েলায় শেষবার নোঙর করা একটি তেল ট্যাঙ্কার আটক করে। মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা সচিব ক্রিস্টি নোম এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন এবং একটি অশ্রেণীবদ্ধ ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছেন যেখানে দেখা যাচ্ছে যে একটি  মার্কিন হেলিকপ্টার সেঞ্চুরি নামে পরিচিত এক জাহাজে অবতরণ করছে।

তেল-ট্যাংকারটি পানামার পতাকা বহন করছিল, এটিকে সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার উপকূলের কাছে দেখা গেছে বলে মার্কিন সূত্র জানিয়েছে। জাহাজটি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন ছিল কিনা তা উল্লেখ করেনি মার্কিন সূত্র।

নোম বলছেন, ‘নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন তেল’ আটক করার অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে ওয়াশিংটন, এইসব তেল মাদক-সন্ত্রাসে ব্যবহার করা হয় বলে মার্কিন সরকার অজুহাত দেখিয়ে আসছে। একজন মার্কিন কর্মকর্তা এই পদক্ষেপকে ‘সম্মতিমূলক অবতরণ’ বলে উল্লেখ করেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ মাসের প্রথম দিকে বলেছিলেন ভেনেজুয়েলায় যাতায়াত করে এমন তেল-ট্যাংকারগুলোয় নিষেধাজ্ঞার আওতায় আটকানো হবে। মার্কিন সেনারা গত ১০ ডিসেম্বর ভেনেজুয়েলার ‘দ্য স্কিপার’ নামের একটি বিশাল তেল-ট্যাংকার আটক করেছিল।

ক্যারিবীয় এবং পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক অভিযানের পাশাপাশি ট্যাঙ্কার নিষেধাজ্ঞাগুলোও ঘটছে, যেখানে ট্রাম্প তার প্রশাসনের দাবি অনুসারে ফেন্টানাইল এবং অন্যান্য অবৈধ মাদক পাচারকারী জাহাজগুলোতে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন।

সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে, ২৮টি হামলায় কমপক্ষে ১০৪ জন নিহত হয়েছেন। মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলো এমনকি কংগ্রেসের সদস্যরাও এই অভিযানগুলোকে তদন্তের মুখোমুখি করেছেন, তারা বলেছেন যে মার্কিন প্রশাসন এ ব্যাপারে সীমিত প্রমাণ সরবরাহ করেছে যে টার্গেটকৃত জাহাজগুলো মাদক পাচারে জড়িত ছিল এবং তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে এই হামলাগুলো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শামিল।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এই অঞ্চলে প্রচুর যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে, যা কয়েক প্রজন্মের সময়ের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ-প্রস্তুতিমূলক সামরিক আয়োজন। ট্রাম্প বারবার সতর্ক করেছেন যে স্থল-ভিত্তিক অভিযান চালানো হতে পারে। মাদুরো মার্কিন সরকারের তোলা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে আসছেন। তিনি জোর দিয়ে বলছেন যে ওয়াশিংটনের আসল লক্ষ্য হল তাকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়া এবং ভেনেজুয়েলার তেল-সম্পদ দখল করা।

ভেনেজুয়েলার তেল-খাতে এক সময় মার্কিন তেল-কোম্পানিগুলো সক্রিয় ছিল। কিন্তু দেশটির তেল-সম্পদ জাতীয়করণের ফল এইসব কোম্পানি ভেনেজুয়েলা ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। এখন ট্রাম্প সেইসব ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার কথাও উল্লেখ করছেন। #

সূত্র: পার্স টুডে




দুর্গাপুরে ওসমান হাদীর খুনীদের গ্রেফতারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদীর হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ইসলামী সমমনা ৮দলীয় জোটের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বাদ জুমা এ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভ মিছিল পুর্ব আলোচনা সভায় পৌরশহরের কাচারী মাদরাসার সামনে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, মাওলানা হাবিবুর রহমান, হাফেজ রুহুল আমীন সিরাজী, মনজুরুল হক, আব্দুল হক, মুফতি হুমায়ুন কবির সহ আট দলীয় উপজেলা ও পৌরশাখার নেতাকর্মীবৃন্দ।

বক্তরা বলেন, শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকান্ড জাতির বিবেককে নাড়িয়ে দিয়েছে। অথচ আজও বিচার প্রক্রিয়ায় গড়িমসি ও দায়ীদের রক্ষার অপচেষ্টা চলছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত না করা হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। বক্তরা আরও বলেন, বিচারহীনতার সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে নারী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়বে।

আজকের কর্মসুচী থেকে আমরা স্পষ্ট ভাষায় জানাতে চাই, শহীদ ওসমান হাদির হত্যার বিচার নিয়ে কোনো টালবাহানা চলবে না। ফাঁসি ছাড়া জনগণ এ রায় মেনে নেবে না। জুলাই বিপ্লবে এতো-এতো আত্মদানের পরও আমরা আমাদের বাংলাদেশকে মুক্ত করতে পারিনি। আমরা আর কোন হত্যা চাইনা।




‘হাদি হত্যার বিচার নিশ্চিত না হলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান’

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া পর্যন্ত দেশে কোনো নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন খেলাফত আন্দোলনের নেত্রকোনা-২ আসনে মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী গাজী আব্দুর রহীম রুহি।

শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে নেত্রকোনায় বিক্ষোভ মিছিল শেষে জেলা প্রেসক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

গাজী আব্দুর রহীম বলেন, ‘ভারতীয় প্রেসক্রিপশনে পরিকল্পিতভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আমার ভাই হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। নির্বাচন পরে হবে। আগে আমার ভাইয়ের হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে হবে। হত্যার বিচার না করে অন্য কোনো বিষয়ে আলোচনা হতে পারে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে দেশে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান গড়ে উঠবে। জনগণ আর কোনো অন্যায় ও অবিচার মেনে নেবে না।’

গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকা-৮ আসনে নির্বাচনী গণসংযোগ শেষে ফেরার পথে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলিবিদ্ধ হন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদি। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় তিনি মারা যান। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন স্থানে ছাত্রজনতা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।