আধুনিক ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতার প্রত্যয়ে দুর্গাপুরে পিআইবির ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে পেশাগত মানোন্নয়ন ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সাংবাদিকতার প্রত্যয়ে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর উদ্যোগে সাংবাদিকদের  তিন দিনব্যাপী  প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু হয়েছে। ২২ জুলাই (বুধবার) সকালে উপজেলার বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি মিলনায়তনে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হলো গণমাধ্যম। তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে গুজব ও অপসাংবাদিকতা রোধে সাংবাদিকদের আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে। মফস্বল অঞ্চলের সাংবাদিকদের লেখনীর মাধ্যমেই প্রান্তিক মানুষের সুখ-দুঃখের চিত্র ফুটে ওঠে।” । তিনি পিআইবির এই সময়োপযোগী উদ্যোগকে স্বাগত জানান। অনুস্থানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। দেশের সার্বিক উন্নয়নে প্রশাসনের পাশাপাশি সাংবাদিকদেরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। সঠিক ও তথ্যবহুল সংবাদ পরিবেশন একদিকে যেমন সমাজকে সঠিক পথ দেখায়, অন্যদিকে তেমনি টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সহায়তা করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন পিআইবির মহাপরিচালক ফারুক ওয়াসিফ। তিনি প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরে বলেন, “সাংবাদিকতায় প্রতিনিয়ত নতুন নতুন প্রযুক্তি ও কৌশলের সংযোজন ঘটছে। এই পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে বুনিয়াদি শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। আমরা চাই প্রতিটি সাংবাদিক যেন আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের সাংবাদিকতায় দক্ষ হয়ে ওঠেন। তিন দিনব্যাপী চলমান এই নিবিড় প্রশিক্ষণ কর্মশালায় দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন গণমাধ্যমে কর্মরত ৩৫ জন পেশাদার সাংবাদিক অংশগ্রহণ করছেন। কর্মশালার বিভিন্ন সেশনে সাংবাদিকতার মৌলিক নীতি, সংবাদ লিখন কৌশল, অনুসন্ধানী রিপোর্টিং, গণমাধ্যমের আইন ও নৈতিকতা এবং ডিজিটাল সাংবাদিকতার প্রাথমিক বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। আগামী ২৪ জুলাই সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদপত্র বিতরণ করা হবে।




বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি‘র পরিচালক হলেন অঞ্জন কুমার চিছাম

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরিতে অবস্থিত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি’র পরিচালক পদে নিয়োগ পেলেন অঞ্জন কুমার চিছাম। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এর এক প্রজ্ঞাপনমুলে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে আনুষ্ঠানিক ভাবে যোগদান করেন তিনি।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন, ২০১০ এর ধারা- ১১ (১) এবং ১১ (২) অনুযায়ী জনাব অঞ্জন কুমার চিছাম-কে অন্য যে কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠন-এর সাথে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি বিরিশিরি, দুর্গাপুর নেত্রকোনা এর পরিচালক পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হয়।

অঞ্জন চিছাম একজন উচ্চ শিক্ষিত, সমাজসেবক, সংস্কৃতিজন ও রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব। তিনি নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার কুল্লাগড়া ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামের কৃতিসন্তান। স্থানীয় স্কুল ও কলেজে পড়াশোনা শেষে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স এবং রয়েল ইউনিভার্সিটি থেকে মাস্টার্স শেষ করে আমেরিকান ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ স্টাডি সেন্টার থেকে ‘‘ডেভেলপমেন্ট স্টাডিস’’ বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।

পরিচালক পদে অধিষ্ঠিত হওয়ায় মহান সৃষ্ঠিকর্তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে অঞ্জন কুমার চিছাম বলেন, প্রতিটি জাতিরই রয়েছে নিজ নিজ সংস্কৃতি। আর ওই সংস্কৃতির মাঝেই খুঁজে পাওয়া যায় তাদের ঐতিহ্য। আমি আজকে যোগদান করেছি। সকলের সহায়তায় অত্র এলাকার আদিবাসী ও বাঙ্গালী সংস্কৃতি বিকাশ ও উন্নয়নে কাজ করবো। আমার দায়িত্ববোধ থেকে এই অঞ্চলে বসবাসকারী সব ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নসহ তাদের সংস্কৃতি রক্ষার পাশাপাশি হারিয়ে যাওয়া সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করে যাবো। এসব কাজে সহায়তা করতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান পরিচালক অঞ্জন কুমার চিছাম।




নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ডিবি পরিচয়ে ডাকাতির অভিযোগে আটক ৩

ডিবনেবি নিউজ ডেস্ক:

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয় দিয়ে ডাকাতির অভিযোগে তিনজনকে আটক করেছে দুর্গাপুর থানা পুলিশ। রবিবার (১৯ জুলাই) রাত আনুমানিক ০২টার দিকে উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের লক্ষিপুর গ্রামের আঃ ওয়াদুদ মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আটককৃতরা হলেন, হবিগঞ্জ জেলা বানিয়াচং থানার বাসিন্দা রাজ কুমার (২৬), জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানার আব্দুল হামিদ (৪৫) ও ব্রাম্মনবাড়িয়া জেলার চরলাল এলাকার শাহীন আলম (৪৮)। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় ডাকাত দলের সদস্যদের কাছ থেকে ওয়াদুদ মিয়ার বাড়িতে ব্যবহৃত একটি মোবাইলফোন, ১১ হাজার ৪শত টাকা এবং ডাকাতির সময় নেয়া বেশ কিছু কাপড়-চোপড় উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, আব্দুল ওয়াদুদ মিয়ার আপন ভাতিজা সায়েদুর রহমান রামিম এর সহায়তায় ডিবি পরিচয়ে ওই বাড়িতে সাত জনের একটি দল ডাকাতির প্রস্ততি নেয় তারা। রাত প্রায় ২টার দিকে ডিবি পরিচয় দিয়ে ওই বাড়িতে প্রবেশ করে। পরবর্তিতে বাড়ির সকল সদস্যের হাত-পা ও মুখ বেঁধে নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, কাপড়-চোপড়, মুঠোফোন ও মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। পরবর্তিতে স্থানীয়রা দুর্গাপুর থানায় খবর দিলে দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার শাকের আহমেদ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ শাহিনুর ইসলাম তালুকদারসহ পুলিশের চৌকসদল এলাকা পরিদর্শন শেষে আসামীদের আটক করতে অভিযান শুরু করেন। অভিযানে লক্ষিপুর এলাকার বেশকিছু যুবক অভিযান চালানোতে সহায়তা করেছেন।

পরবর্তিতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায়, তাৎক্ষনিক বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো শেষে ঠিক চার ঘন্টার মধ্যেই কলমাকান্দা উপজেলার সিদলী এলাকার তালতলা থেকে তাদের আটক করা হয় এবং আব্দুল ওয়াদুদ মিয়ার ভাতিজা সায়েদুর রহমান রামিমসহ অন্যান্য আসামীরা কৌশলে পালিয়ে যায়।

দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, ‘তারা ডিবি পরিচয়ে ওই বাড়ির সদস্যদের হাত-পা বেঁধে ডাকাতি করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে চৌকস পুলিশ অফিসার, স্থানীয় যুবক এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মাত্র চার ঘণ্টার মধ্যেই কলমাকান্দা উপজেলার সিদলী এলাকার তালতলা থেকে ডাকাত দলের তিনজন কে আটক করতে সক্ষম হয়েছি। জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এতে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যাবে। পালিয়ে যাওয়া ডাকাত চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পরবর্তিতে জেলা পুলিশ সুপার তরিকুল ইসলাম ঘটনাস্থন পরিদর্শন করেন এবং ডাকাত দলের অন্যন্য সদস্যদের দ্রুত গ্রেফতার করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নিদের্শ দেন।




হার্টে ছিদ্র নিয়ে জন্মানো আদিবাসী শিশু শিমনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন : ডেপুটি স্পিকার

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি ইউনিয়নের সাগরদিঘী গ্রামের হার্টে ছিদ্র নিয়ে জন্মানো এক আদিবাসী শিশু সেংনাম শিমনের পরিবারের মুখের দিকে এখন আর তাকানো যায় না। এক সময় নিজের
ইচ্ছামতো খেলাধুলা করতো শিমন। এদিক ওদিক তাকাতো। এখন অল্পতেই হাঁপিয়ে যায় সে, দ্রুত শ্বাস নেয় এবং ক্লান্তি অনুভব করে। ফুটফুটে ছেলে সন্তানের জন্মের পর থিওফিল সাংমা ও মারিয়া নেংমীঞ্জা দম্পত্তির সংসারে খুশির বন্যা বয়ে গিয়েছিল।

তবে শিমনের জন্মের কয়েক মাসের মধ্যেই তার হার্টে একটি ছিদ্র ধরা পড়ায় ওই পরিবারের মুখে নেমে এসেছে কালো মেঘের ছায়া। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হার্টে ছিদ্র নিয়েই জম্ম নিয়েছে সে। শারীরিক এ সমস্যায় শিশুটির হার্টে দ্রুত অস্ত্রোপচার করতে হবে। এতে প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা প্রয়োজন। ব্যয়বহুল চিকিৎসা ও অপারেশনের খরচ বহন করা ওই আদিবাসী পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। সন্তানের জীবন বাঁচাতে দিশেহারা হয়ে পড়েন বাবা-মা।

শিশুটির অসুস্থতার বিষয়টি জানতে পেরে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (এমপি)। অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ধারাবাহিকতায় তিনি তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন এবং পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দেন। তাঁর মানবিক উদ্যোগে একটি সহযোগী টিম শিশুটির চিকিৎসার সার্বিক বিষয়টি তদারকির দায়িত্ব গ্রহণ করে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (এমপি) এর সহযোগী টিমের উদ্যোগে ছোট্ট সেংনাম শিমনকে ঢাকার ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং বর্তমানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলমান রয়েছে। চিকিৎসকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, অপারেশন সফল হলে শিমন ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে।

শিশুটির বাবা থিওফিল সাংমা বলেন, সামর্থ্যরে বাইরে থাকা এই কঠিন সময়ে জাতীয় সংসদের মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (এমপি) মহোদয়ের মানবিক সহযোগিতা, আমাদের মনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে। আমরা ওনার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি সেইসাথে দেশবাসীর কাছে ছোট্ট সেংনাম শিমনের জন্য দোয়া ও আশির্বাদ কামনা করছি।

ডেপুটি স্পিকারের সহযোগী টিম জানিয়েছে, মানবতার কল্যাণে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাদের অঙ্গীকার। অর্থের অভাবে কোনো অসহায় মানুষ যেনো চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত না হয়। সমাজের বিত্তবান ও মানবিক ব্যক্তিদেরকেও এ ধরনের উদ্যোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি আমরা। 
এ বিষয়ে মাননীয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সকলের কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, ছোট্ট সেংনাম শিমনের অপারেশন যেন সফলভাবে সম্পন্ন হয়, সে যেন দ্রুত সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে এ জন্য আমি দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই। সৃষ্টিকর্তা এই নিষ্পাপ শিশুটিকে পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করেন



নেত্রকোনার দুর্গাপুরে  উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:
‘জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় আলোচনা সভা, শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালনসহ শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলানায়তনে নানা আয়োজনে এদিবস পালিত হয়।

এ উপলক্ষে, আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আহমেদ শাদাত এর সভাপতিত্বে আলোচনা করেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহিরুল ইসলাম আলম ভূঁইয়া, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিপা বিশ্বাস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বজলুর রহমান আনসারী, দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ, সিপিবি উপজেলা কমিটির সভাপতি আলকাস উদ্দিন মীর সহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী অধ্যায় হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া এ আন্দোলন অল্প সময়ের মধ্যেই বৈষম্য, অন্যায়, দমন-পীড়ন ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে একটি সর্বজনীন গণআন্দোলনে রূপ নেয়। আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে দেশের নানা স্থানে সংঘর্ষ ও সহিংস ঘটনায় বহু শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ প্রাণ হারান এবং অসংখ্য মানুষ আহত হন। তাঁদের আত্মত্যাগ জাতিকে ন্যায়, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার নতুন প্রত্যয়ে উজ্জীবিত করেছে। সেই আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই প্রতি বছর ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহিদ দিবস’ পালন করা হয়।

বক্তারা আরও বলেন, জুলাই শহীদদের আত্মদান কেবল একটি আন্দোলনের স্মৃতি নয়; এটি অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর প্রতীক। তাঁদের ত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সত্য, ন্যায়, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ করবে এবং একটি বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে অনুপ্রেরণা জোগাবে।


অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই শহীদদের স্মরণে উপস্থিত সবাই এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করেন। পরে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। বক্তারা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করেন এবং তাঁদের আদর্শ ধারণ করে একটি ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।



দুর্গাপুরে গ্রামীণ সড়কের কোর রোড বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :
নেত্রকোনা জেলার সীমান্তবর্তী দুর্গাপুর উপজেলায় গ্রামীণ সড়কের কোর রোড নেটওয়ার্ক ও সড়ক অগ্রাধিকার নির্ধারণ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (০৮ জুলাই) সকালে উপজেলার পরিষদ মিলনায়তনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর দুর্গাপুর শাখার আয়োজনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন।
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এর অর্থায়নে পরিচালিত এ কর্মশালাগুলোর মূল লক্ষ্য জনপ্রতিনিধি ও স্টেকহোল্ডারদের মতামতের ভিত্তিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ রাস্তাগুলো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সংস্কার ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মোমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ্ খান, উপজেলা বিএনপি‘র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আওয়াল, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল উদ্দীন মাস্টার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, সমবায় অফিসার প্রমূখ। এছাড়া কর্মশালায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিক, বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত জনপ্রতিনিধি, ঠিকাদার, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় দুর্গাপুর উপজেলা থেকে অন্যান্য উপজেলার সাথে সংযোগ সড়ক কিভাবে যুক্ত করা হবে এ বিষয়ে উপস্থিত বিভিন্ন স্টেক হোলডারদের মতামত নেয়া হয়।
আয়োজকরা জানান, এ কর্মশালার মধ্য দিয়ে উপস্থিত সকল শ্রেনীপেশার মানুষের মতামতের ভিত্তিতে দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন সড়ক কোর রোড নেটওয়ার্কভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই তথ্যের আলোকেই আগামীতে দুর্গাপুর উপজেলার গ্রামীণ সড়কের উন্নয়ন পরিকল্পনা হাতে নেয়া ও তা বাস্তবায়ন করা হবে।



আবারো বাংলাদেশিদের জন্য খুলে দেওয়া হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের পর বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য আবারও খুলে দেওয়া হয়েছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। প্রধানমন্ত্রীর সফরের দুই সপ্তাহ পার না হতেই এ সুখবর দিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই সুখবর দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য সোমবার (৬ জুলাই) থেকে দেশটির শ্রম বাজার খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, খুব দ্রুতই মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, মরিশাসের শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে।

তবে এবার মালয়েশিয়া নয়, বাংলাদেশই রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন করবে। তাই সিন্ডিকেট ও দুর্নীতি এড়াতে সরকার ও এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে আবারও জনশক্তি রফতানিতে ধাক্কা আসতে পারে। অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালে শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর ২০১৬ সালে আবার চালু হয়। পরে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়া আবারও বন্ধ করে মালয়েশিয়া।

এরপর আবার ২০২২ সালের আগস্ট থেকে আবার কর্মী যাওয়া শুরু হয়। তবে ২০২৪ সালের ১ জুন আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন শর্ত শিথিল নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে।

এদিকে ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৭ হাজার ৮৭৩ জন কর্মীকে পাঠানোর দায়িত্ব সরকারি সংস্থা বোয়েসেলকে দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পেরেছেন। বাকি কর্মীদের বিষয়েও দ্রুত পৃথক সিদ্ধান্ত নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।বাংলাদেশিদের জন্য খুলে দেওয়া হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের পর বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য আবারও খুলে দেওয়া হয়েছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। প্রধানমন্ত্রীর সফরের দুই সপ্তাহ পার না হতেই এ সুখবর দিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই সুখবর দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য সোমবার (৬ জুলাই) থেকে দেশটির শ্রমবাজার খুলে দেওয়া হয়েছে।
প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, খুব দ্রুতই মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, মরিশাসের শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে।

তবে এবার মালয়েশিয়া নয়, বাংলাদেশই রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন করবে। তাই সিন্ডিকেট ও দুর্নীতি এড়াতে সরকার ও এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে আবারও জনশক্তি রফতানিতে ধাক্কা আসতে পারে।
মালয়েশিয়ার সরকার অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালে শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর ২০১৬ সালে আবার চালু করে। পরে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়া আবারও বন্ধ করে মালয়েশিয়া সরকার ।এরপর আবার ২০২২ সালের আগস্ট থেকে আবার কর্মী যাওয়া শুরু হয়। তবে ২০২৪ সালের ১ জুন আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন শর্ত শিথিল নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে।
এদিকে ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৭ হাজার ৮৭৩ জন কর্মীকে পাঠানোর দায়িত্ব সরকারি সংস্থা বোয়েসেলকে দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পেরেছেন। বাকি কর্মীদের বিষয়েও দ্রুত পৃথক সিদ্ধান্ত নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।বাংলাদেশিদের জন্য খুলে দেওয়া হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের পর বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য আবারও খুলে দেওয়া হয়েছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। প্রধানমন্ত্রীর সফরের দুই সপ্তাহ পার না হতেই এ সুখবর দিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দুপুরে সিলেট সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই সুখবর দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য সোমবার (৬ জুলাই) থেকে দেশটির শ্রমবাজার খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, খুব দ্রুতই মধ্যপ্রাচ্য, জাপান, মরিশাসের শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসবে।
তবে এবার মালয়েশিয়া নয়, বাংলাদেশই রিক্রুটিং এজেন্সি নির্বাচন করবে। তাই সিন্ডিকেট ও দুর্নীতি এড়াতে সরকার ও এজেন্সিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হলে আবারও জনশক্তি রফতানিতে ধাক্কা আসতে পারে। অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালে শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ার পর ২০১৬ সালে আবার চালু হয়। পরে দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়া আবারও বন্ধ করে মালয়েশিয়া।
এরপর আবার ২০২২ সালের আগস্ট থেকে আবার কর্মী যাওয়া শুরু হয়। তবে ২০২৪ সালের ১ জুন আবারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন শর্ত শিথিল নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে।
এদিকে ২০২৪ সালে মালয়েশিয়ায় যেতে না পারা ৭ হাজার ৮৭৩ জন কর্মীকে পাঠানোর দায়িত্ব সরকারি সংস্থা বোয়েসেলকে দেয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত তাদের মধ্যে প্রায় ৩ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে পেরেছেন। বাকি কর্মীদের বিষয়েও দ্রুত পৃথক সিদ্ধান্ত নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।




ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যেগে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার ও নেত্রকোনা ১ আসনের এমপি ব্যারিস্টার কায়সার কামালের অনুকুলে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয় হতে বরাদ্দকৃত ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (০৭ জুলাই) বিকেলে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার অন্তর্গত প্রায় পঞ্চাশটি প্রতিষ্ঠানে এ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
এ সব ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ কালে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ সাদাত, উপজেলা বিএনপি‘র সভাপতি জহিরুল আলম ভুঁইয়া, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ্ খান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব রেজাউল ইসলাম রিপন, সদস্য শামীম আহমেদ সহ উপজেলার ক্রীড়া প্রতিনিধি, উপজেলার বিভিন্ন ক্লাব ও স্কুল-কলেজের ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগণ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগণ এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ খান বলেন, যে এলাকার যুবসমাজ সংস্কৃতি চর্”া ও খেলাধুলায় মগ্ন থাকবে ওই এলাকা সকল দিক দিয়েই উন্নত এলাকা হিসেবে খ্যাতি লাভ করবে। যুব সমাজকে সংস্কৃতি ও খেলাধুলায় মগ্ন রাখতে ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের এই উদ্দ্যেগ সত্যিই প্রসংশার দাবী রাখে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, মাননীয় ডেপুটি স্পীকার সারের চেষ্টায় অত্র উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও স্পোটিং ক্লাব গুলোতে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্পীকার সারের বরাদ্দকৃত ক্রীড়া সামগ্রী উপজেলার বিভিন্ন নির্বাচিত ৫৫টি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় ক্রীড়া ক্লাব এবং স্পোটিংক্লাব ও সংগঠকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।



‘‘নজরুল বর্ষ’’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

সারাদেশে একযোগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭’ উদযাপন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষ থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭’ উদযাপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিন দিনব্যাপী এ কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্মারক ডাকটিকিট এবং ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭’- এর লোগো উন্মোচন করেন। এ কার্যক্রমে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার মধ্যে নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলাকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের ভূখণ্ডে জন্মগ্রহণ না করলেও তার অন্তরজুড়ে ছিল সমগ্র বাংলাদেশ, আর বাংলাদেশের মানুষও তাকে পরম মমতায় ভালোবেসেছে। তিনি বলেন, ১৯১৪ সালে কিশোর বয়সে নজরুল প্রথমবার ময়মনসিংহের ত্রিশালে এসেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক স্মৃতিকে ধরে রাখতে ত্রিশালকে ‘নজরুল সিটি’ হিসেবে ঘোষণার সম্ভাব্যতা যাচাই করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় কবি এ ভূখণ্ডে জন্ম না নিলেও তার হৃদয়জুড়ে ছিলো বাংলাদেশ। এ দেশের মানুষও তাকে হৃদয়ে ধারন করেছে। মাতৃভূমিকে ভালোবাসার ক্ষেত্রে প্রধান দিশারী তিনি। দেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামে তার সৃষ্টি ছিলো প্রধান প্রতিপাদ্য। “আমি হবো সকাল বেলার পাখি” অথবা “থাকবো নাকো বদ্ধ ঘরে” এ ধরনের কবিতা প্রজন্মের কাছে আশার আলোকবর্তিকা হতে পারে। শুধু মানুষের নিরাপত্তাই নয় কোনো প্রাণীও যেন হিংস্রতার শিকার না হয়, সরকার সেটি নিশ্চিত করতে চায়। এ বিষয়ে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এর আগে রোববার (২১ জুন) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীকে ঘিরে ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা করে এক প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। নতুন প্রজন্মের শিশুদের কাছে নজরুল চেতনা ছড়িয়ে দিতে, আগামী বছরের ২৫ মে পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক নজরুল বর্ষ উদ্বোধন কালে দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমেদ সাদাত, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জহিরুল আলম ভুইয়া, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যক্ষ শহীদুল্লাহ্ খান, উপজেলা বিএনপি‘র সাংগঠনিক সম্পাদক জামাল উদ্দীন মাস্টার, ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ, পৌরবিএনপি সাধারণ সম্পাদক হারেছ গণি, প্রেসক্লাব সভাপতি তোবারক হোসেন খোকন সহ বিভিন্ন দফতরের প্রধান, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সকল শ্রেনীপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন শেষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিকে জাগিয়ে রাখতে, উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিনদিন ব্যাপি অনুষ্ঠানের মধ্যে প্রথমদিন কুইজ ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, ২য় দিন কবিতা আবৃতি ও নৃত্য প্রতিযোগিতা এবং ৩য় দিন রচনা প্রতিযোগিতা ও নজরুল সঙ্গীত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পরিশেষে শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের অংশগ্রহনে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনের মাধ্যমে ১মদিনের অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘোষনা করেন ইউএনও আহমেদ সাদাত।




দুর্গাপুরে ছাগলকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগকে কেন্দ্র করে, মিথ্যা মামলার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

নেত্রকোনার দুর্গাপুরের মেনকিফান্দা গ্রামে সুপারি বাগানে ঢুকে পড়ায় তিনটি ছাগলকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ এনে দুর্গাপুর থানায় যে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, তা মিথ্যা ও সাজানো বলে দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ওই গ্রামের মো. রফিকুল সহ অন্যান্যরা। শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে দুর্গাপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে গ্রামবাসীর পক্ষে লিখিত পাঠ করেন ওই গ্রামের আক্রাম হোসেন। তিনি বলেন, আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারীগণ দুর্গাপুর উপজেলার মেনকিফান্দা গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দ। বিগত ১৯ জুন, ২০২৬খ্রি. তারিখে ৩টি ছাগল মরে যাওয়া নিয়ে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেনকিফান্দা গ্রামের বাসিন্দা অজুফা খাতুন, স্বামী- ছাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্রমূলক ও মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। উক্ত ঘটনার সাথে আমাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা না থাকা সত্ত্বেও একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমাদেরকে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এবং অহেতুক হয়রানি করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এই মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। মুলত: ৩টি ছাগল গুলোকে কে বা কাহারা মেরেছে আমরা তা কিছুই জানিনা। ওই সময় আমরা নিজ নিজ ধান খেতে কাজে ব্যাস্ত ছিলাম। আমরা চাই প্রকৃত দোষীদের সাজা হউক। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় আমরা মর্মাহত। আমাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট, আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। সেইসাতে বিষয়টি দেশবাসীর সামনে তুলে ধরার জন্য এবং উক্ত ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর জন্য আমরা এই সংবাদ সম্মেলন করেছি।

এসময়, মেনকিফান্দা গ্রামের আব্দুল কাদির, মো. এমদাদুল, নিজাম উদ্দিন, মো. মোবারক, নিজাম উদ্দিন ও মো. সাজাহান উপস্থিত ছিলেন।