চিকিৎসার খোঁজখবর নিতে মির্জা আব্বাসকে দেখতে মালয়েশিয়ার হাসপাতালে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস (এমপি) মালয়েশিয়ার প্রিন্সকোর্ট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে এবং সাক্ষাৎ করতে ওই হাসপাতালে যান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
মঙ্গলবার (১৯ মে) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বলা হয়েছে, মির্জা আব্বাসের চিকিৎসার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন সেক্রেটারি জেনারেল। সেইসঙ্গে মহান রবের দরবারে তার দ্রুত ও পরিপূর্ণ সুস্থতা কামনা করে দোয়া করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন (এমপি)। গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন মির্জা আব্বাস। পরে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে প্রথমে সিঙ্গাপুর নেয়া হয়। পরবর্তীকালে তাকে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয়।




নেত্রকোণার দুর্গাপুরে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে বিরিশিরি থেকে দুর্গাপুর পৌরশহরের প্রবেশদ্বারেই ময়লার ভাগাড়ের কারনে নষ্ট হচ্ছে পৌরশহরের ভাবমুর্তি। বিভিন্ন মিডিয়ায় এমন সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পীকার নেত্রকোনা – ১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের এমপি ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এর।

দুর্গাপুর উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষনা দিয়েছেন তিনি। এরই লক্ষ্যে ইতোমধ্যে শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট, সোমেশ্বরী নদীতে সেতু নির্মান, জারিয়া থেকে দুর্গাপুর পর্যন্ত রেল সংযোগ, সাধারণ জনগনের যাতায়াতে সুবিধার্থে নিজ অর্থায়নে কাঠের সেতু নির্মান সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে নানাবিধ প্রকল্প হাতে নিয়েছেন ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। আসন্ন ঈদুল আযহা, শহরের পরিচ্ছন্নতা এবং পর্যটকদের কথা ভেবে এই উদ্দ্যেগ নিয়েছেন তিনি।

পৌরশহরের বাসষ্টেন্ড এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ময়লায় ভাগাড় থাকায় ওই এলাকার আশ-পাশের মানুষ, পথচারী, পর্যটকগণ এক বির্বতকর অবস্থায় পড়ছে প্রতিনিয়ত। পৌরশহরে ময়লা ফেলার নির্ধারিত স্থান না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে শহরের ওই এলাকায় ময়লা সহ নানা ধরনের বর্র্জ্য ফেলা হচ্ছে। এতে করে ওই এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে ডেঙ্গুজ্বর ও নানাবিধ রোগ দেখা দিচ্ছে। এ থেকে পরিত্রানের লক্ষে ডেপুটি স্পীকারের নির্দেশে মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে পৌর যুবদলের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহনে পৌরশহরের বাস ও সিএনজি ষ্ট্যান্ড এলাকা থেকে দীর্ঘদিনের জমানো ময়লা পরিস্কারের উদ্দ্যোগ নেয়া হয়।

ওই এলাকার বাসিন্দা আমেনা খাতুন বলেন, এখানে ময়লা জমানো থাকায় আমাদের বাসাবাড়িতে দিনের বেলাতেও কয়েল জ্বালিয়ে কাজ করতে হতো। এছাড়া পরিবারের সদস্যদের প্রায়ই জ্বর ও পেটের অসুখে ভুগতাম আমরা। আমাদের মানবিক নেতা ডেপুটি স্পীকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি মহোদয় যে উদ্দ্যেগ গ্রহন করেছেন, আমরা উনার প্রতি কৃতজ্ঞ।

বাসষ্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা আলী উসলাম বলেন, এখানে ময়লা থাকায় দুর্গন্ধের কারনে রাস্তা দিয়ে হাটা যেতো না। অনেকেই পেটের পীড়ায় ভুগতো। অনেক সময় কুকুরের ঝগড়ার কবলে পড়তে হতো পথচারিদের। পৌরকর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানালেও স্থায়ীভাবে পরিস্কার করতে পারেনি তারা। আজ ব্যারিস্টার স্যার ময়লা পরিস্কারের জন্য যে উদ্দ্যেগ নিলেন, আমরা উনার প্রতি চীর কৃতজ্ঞ থাকবো।

এ নিয়ে দুর্গাপুর পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পৌরশহরের ময়লা ও বর্জ্য নিষ্কাষনের জন্য ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা দেখেছি। এ নিয়ে ডেপুটি স্পীকার স্যারের সাথে পরামর্শ ক্রমে, অল্প কিছুদিনের মধ্যে প্রকল্পের গ্রহনের মাধ্যমে ময়লা ফেলার ডাম্পিং পয়েন্ট নির্মান করা হবে। এছাড়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় ফলদ বৃক্ষরোপন করার পরিকল্পনাও রয়েছে আমাদের।




আবারও পিছু হটলেন ট্রাম্প; নিজের দায় অন্যদের ঘাড়ে চাপালেন !

ডিএনবি নিউজ আন্ত: ডেস্ক-

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও তার অযৌক্তিক দাবিগুলো থেকে পিছু হটে দাবি করেছেন, “ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যে সামরিক হামলা আগামীকাল চালানোর পরিকল্পনা ছিল, তা ঐ অঞ্চলের কয়েকজন নেতার অনুরোধে স্থগিত করা হয়েছে।”
ট্রাম্প দাবি করেন, “কাতারের আমির, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আমাকে ইরানের বিরুদ্ধে হামলা স্থগিত করার অনুরোধ জানিয়েছন।”
তার দাবি অনুযায়ী, এই অনুরোধের কারণ হলো ইরান ইস্যুতে “গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা” চলমান থাকা। ট্রাম্প আবারও দাবি করেন, সম্ভাব্য যেকোনো চুক্তির লক্ষ্য হলো “ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে তা নিশ্চিত করা।”
তিনি আরও দাবি করেন, তিনি মার্কিন যুদ্ধমন্ত্রী পিট হেগসেথ, জয়েট চিফস অব স্টাফের প্রধান এবং মার্কিন বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন আগামীকালের হামলা না চালানো হয়।
ট্রাম্প আরও দাবি করেন, যদি কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীকে যেকোনো মুহূর্তে ইরানের বিরুদ্ধে “বিস্তৃত হামলা” শুরু করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
# সুত্র: পার্সটুডে




দুর্গাপুরে ‘‘রুসা’’র নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক  মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:
‘‘জীবন ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিরাপদ খাদ্য’’ এই প্রতিপাদ্যে বে-সরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘‘রুসা’’ বাংলাদেশ এর আয়োজনে নেত্রকোনার দুর্গাপুরে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার ১৮ (মে) দুপুরে স্থানীয় ডনবসকো কলেজ মিলনায়তনে সর্বস্তরের অংশগ্রহনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রুসা‘র পরিচালক এম এন আলম এর সভাপতিত্বে, সাংবাদিক মামুন রনবির এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নেত্রকোনা জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভার:) ইমদাদুল হক তালুকদার। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সহকারি কমিশনার (ভুমি) মো. মিজানুর রহমান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এডভোকেট এম এ জিন্নাহ্, ডনবসকো কলেজের পরিচালক ফাদার পাওয়েল কোচিওলেক, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির পরিচালক কবি পরাগ রিছিল, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বজলুর রহমান আনছারী, অফিসার ইনচার্জ খন্দকার শাকের আহমেদ। এ বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার হাবিবুর রহমান। এসময় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় বক্তারা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ, বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতা নিশ্চিতকরণ, ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যদ্রব্য প্রতিরোধ, নিয়মিত বাজার মনিটরিং জোরদার এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সেইসাথে ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় প্রশাসনের তদারকি কার্যক্রম আরও জোরদার করা সহ বাজারের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের কাছে জোর দাবী জানানো হয়।



ইসলামি শিক্ষা বাধ্যতামূলকসহ কওমি মাদরাসা শিক্ষক পরিষদের ১৮ দফা দাবি

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র বাতিল করে ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠা, সাধারণ শিক্ষার সব স্তরে ইসলামি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা এবং কওমি শিক্ষার স্বকীয়তা রক্ষাসহ ১৮ দফা দাবি জানিয়েছে কওমি মাদরাসা শিক্ষক পরিষদ।

সোমবার (১৮ মে) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব-এর তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী (পীর সাহেব দেওনা) এসব দাবি তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুল বাসেত খান ও মাওলানা আলী আজম বি.বাড়িয়া, মহাসচিব মাওলানা মুস্তাকীম বিল্লাহ হামিদী, মাওলানা মেরাজুল হক মাযহারী, সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি দ্বীন মুহাম্মদ আশরাফ, মাওলানা লুৎফুর রহমান ফরায়েজী, মুফতি রেজুওয়ান রফিকী, মাওলানা নজরুল ইসলাম এবং মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজীসহ অন্যান্য নেতারা।

লিখিত বক্তব্যে সভাপতি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের সময় দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ঐতিহ্যের যথাযথ প্রতিফলন ঘটেনি। তিনি দাবি করেন, ১৯৭২ সালের সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র সংযোজন জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ছিল না। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র হিসেবে ইসলামি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় ইসলামী শিক্ষাকে প্রান্তিক করে রাখা হয়েছে। প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার আহ্বান জানিয়ে তারা বলেন, ধর্মীয় শিক্ষার ঘাটতির কারণে নতুন প্রজন্ম দ্বীনি জ্ঞান ও নৈতিকতা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। একই সঙ্গে কওমি মাদরাসা শিক্ষার স্বাধীনতা ও স্বকীয়তা অক্ষুণ্ণ রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

তারা অভিযোগ করেন, কওমি শিক্ষাব্যবস্থাকে “সংস্কার” করার নামে এর মৌলিক বৈশিষ্ট্য নষ্টের চেষ্টা চলছে। কওমি শিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে একীভূত করার যেকোনো উদ্যোগ বন্ধের দাবি জানিয়ে নেতারা বলেন, এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দেশের শীর্ষ আলেম ও কওমি বোর্ডগুলোর মতামত নিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে কওমি মাদরাসাগুলোর সামাজিক ও মানবিক অবদানের কথাও তুলে ধরা হয়। নেতারা বলেন, সরকারি অনুদান ছাড়াই কওমি মাদরাসাগুলো দীর্ঘদিন ধরে দরিদ্র ও এতিম শিক্ষার্থীদের আবাসন, খাদ্য ও ধর্মীয় শিক্ষা দিয়ে আসছে। এছাড়া কভিড-১৯ মহামারির সময় কওমি আলেমদের ভূমিকারও প্রশংসা করা হয়।

সংগঠনটির ঘোষিত ১৮ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—সংবিধান সংশোধন করে “ইসলামী প্রজাতন্ত্র বাংলাদেশ” প্রতিষ্ঠা, সব স্তরে ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা, ইসলামি সংস্কৃতি সংরক্ষণে সাংবিধানিক সংশোধন, ধর্ম অবমাননা বিরোধী আইন প্রণয়ন, শরিয়াহ আদালত প্রতিষ্ঠা, কওমি মাদরাসার আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা, কওমি মাদরাসার দান-অনুদান আয়করমুক্ত রাখা, শিক্ষা কমিশন ও জাতীয় শিক্ষাক্রম বোর্ডে কওমি আলেমদের অন্তর্ভুক্তি, অশ্লীলতা ও মাদকাসক্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কোরবানির চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা।

সংবাদ সম্মেলনের শেষে সংগঠনের নেতারা তাদের দাবির পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।