আমার প্রতি আস্থা রেখে ভোট দিন, প্রতিটি ওয়াদাই পালন করবো দুর্গাপুরে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, আলেম উলামাদের জীবন মান উন্নয়নে কাজ করবে। স্থানীয়ভাবে মাদরাসার শিক্ষকদের কাজে লাগানো হবে। সেইসাথে মাদক, কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিংএর মুলোৎপাটন করা হবে, আমি দুর্নীতি করবো না, কাউকে দুর্নীতি করতেও দেবো না। একমাত্র বিএনপি‘র কাছেই আলেম উলামাগণ সম্পুর্ন নিরাপদ। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে, উলামা মাশায়েখ সম্মেলনে এই কথা বলেছেন, নেত্রকোনা-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, কেন্দ্রীয় বিএনপি‘র আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

রবিবার (০১ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে স্থানীয় শহীদ মিনার চত্বরে, উপজেলা বিএনপি ও উপজেলা জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এর আয়োজনে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শত শত আলেম উলামা ও সাধারণ ভোটারগণ তাঁদের দৈনন্দিন জীবনের নানা সমস্যা, প্রত্যাশা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সহ ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি নির্বাচিত হলে কি কি কাজ করবেন সেই প্রশ্ন তুলে ধরেন।

উলামা-মাশায়েখ সম্মেলনে জমিয়তের জেলা শাখার সভাপতি  মাওলানা মুফতি তাহের কাসেমী সাহেব এর সভাপতিত্বে এনায়েত উল্লাহ্ খানের সঞ্চালনায় অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলহাজ ইমাম হাসান আবুচান, পৌর বিএনপি সভাপতি আতাউর রহমান ফরিদ, সাধারণ সম্পাদক হারেজ গণি, মুফতি আবুল কাশেম সাদী, হযরত মাওলানা মফিজুর রহমান, হাফেজ আবুল কাশেম,  মাওলানা রুহুল আমীন নগরী, মাওলানা এ কে এম জহিরুল হক, মাওলানা আব্দুস সালাম প্রমুখ। এছাড়া উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতাকর্মী ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম উপজেলা ও পৌর শাখার নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ। আমরা সবাই বাংলাদেশী। আলেম উলামাগন আমাদের জনগোষ্ঠীর একটা পার্ট। বিএনপি রাস্ট্র ক্ষমতায় গেলে, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে আলেম উলামাদের নিয়ে জনকল্যানমুলক কাজ করবে। এলাকা থেকে মাদক, কিশোরগ্যাং ও ইভটিজিং চিরতরে নির্মুল করার পদক্ষেপ নিবে। ইউনিয়ন ভিত্তিক মসজিদ-মাদরাসা গুলোতে দ্বীনি শিক্ষায় নিয়োজিত করে আলেম উলামাদের জন্য কাজ করা হবে। বিজ্ঞান ভিত্তিক কৃষিকাজের প্রকল্প হাতে নিয়ে মাদরাসার শিক্ষার্থীদের কাজে লাগানো হবে।

তিনি আরো বলেন, মাদকের কারণে শুধু দুর্গাপুর নয়, কলমাকান্দা উপজেলারও অনেক পরিবার আজ ক্ষতিগ্রস্ত। আমি যেদিন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি, সেদিন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছি, আপনারা যদি আমাকে এলাকায় কাজ করার সুযোগ দেন আর আমি যদি এমপি নির্বাচিত হই, তাহলে মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স থাকবে। এছাড়া দুর্গাপুরে অনার্স কোর্স চালু, ও খেলাধুলার পরিবেশ তৈরী করার বিষয়ে সহায়তা করবেন বলে তিনি ওয়াদা করেন। আমার প্রতি আস্থা রেখে ভোট দিন, আমার দেয়া প্রতিটি ওয়াদাই পালন করবো ইনশাআল্লাহ্। আর যদি ওয়াদা গুলো পুরণ করতে না পারি তাহলে আর কোনদিন আসবো না ভোট চাইতে।




পাকিস্তানের ১২ শহরে একযোগে হামলা, ৮০ সেনা নিহত

ডিএনবি নিউজ আন্ত: ডেস্ক –

পাকিস্তানের কোয়েটাসহ বেলুচিস্তানের ১২টি শহরে একযোগে হামলা চালিয়েছে বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। এতে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ৮০ জন সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা এবং সন্ত্রাস-বিরোধী দলের সদস্যও রয়েছেন।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিএলএ এই দাবি করেছে, খবর জানিয়েছে এনডিটিভি।

বিএলএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের যোদ্ধারা বেলুচিস্তানের বিভিন্ন শহরে একাধিক হামলা চালিয়েছে। তারা এই অভিযানকে ‘অপারেশন হিরোফ ফেজ টু’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

পাকিস্তানের এই সংগঠন দাবি করেছে, তারা ১২ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামাবাদে নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসনিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিএলএ-র দাবির সত্যতা যাচাই করার মতো প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বিএলএ’র মুখপাত্র জিয়ান্দ বেলুচ বলেছেন, কোয়েটা, নশকি, মাসতুং, দালবানদিন, কালাত, খারান, পাঞ্চগুর, গোয়াদার, পানসি, তুরবাত, তুম্ব, বুলেদা, ম্যাঙ্গোচর, লাসবেলা, কেচ এবং আওরানে হামলা চালানো হয়েছে।

সংগঠনটির দাবি, শত্রুপক্ষ পাক সেনাবাহিনী, প্রশাসন, ও নিরাপত্তা বাহিনীর ভবনে যোদ্ধারা অনবরত হামলা চালিয়েছে। বিএলএ’র দাবি, বেশ কয়েকটি অঞ্চলে সাময়িকভাবে পাক বাহিনীর চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এই অভিযানে নিজেদের সাতজন যোদ্ধা নিহত হয়েছে বলে জানায় সংগঠনটি।

তবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মিডিয়া উইং দাবি করেছে, বেলুচিস্তানে ভারত সমর্থিত ৯২ জন সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ১৮ জন বেসামরিক নাগরিক ও ১৫ জন সেনা নিহত হয়েছে বলে জানায় পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।