ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শুরু আজ

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে আজ বুধবার শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর যৌথ উদ্যোগে সকাল সাড়ে ১০টায় এ মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এ সময় আরো উপস্থিত থাকবেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান মো. আনোয়ার হোসেন।

এ বছর ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর হংকংসহ সাতটি দেশের অংশগ্রহণে ৩৬২টি স্টল এবং প্যাভিলিয়ন অংশ নিচ্ছে।

কুড়িল, ভুলতা, গাজীপুর এবং নারায়ণগঞ্জ থেকে দর্শনার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে মেলা চলাকালে ৩০০টি বিআরটিসি বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। মেলায় প্রবেশমূল্য প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা এবং শিশুদের জন্য ২৫ টাকা।

২০২২ সালে শেরেবাংলানগর থেকে স্থানান্তরিত হওয়ার পর এটি পূর্বাচল নতুন ভেন্যুতে তৃতীয় সংস্করণ।




গাজার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে ইসরাইল: জাতিসংঘ

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

ইহুদিবাদী ইসরাইল অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক দপ্তর।

ইহুদিবাদী বাহিনী উত্তর গাজার সবগুলো হাসপাতালকে প্রায় ধ্বংস করে দিয়েছে। গাজার সবচেয়ে বড় শিফা হাসাপাতালসহ বহু হাসপাতাল সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। যেগুলোর ভবন এখনও দাঁড়িয়ে আছে সেগুলোরও স্বাস্থ্যসেবা দেয়ার মতো অবস্থা নেই। দখলদার ইহুদিবাদীরা উত্তর গাজাকে সম্পূর্ণ জনমানবশূন্য করে ফেলার আপ্রাণ চেষ্টা করছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর গতকাল (মঙ্গলবার) প্রকাশিত ২৮ পৃষ্ঠার এক প্রতিবেদনে আরো বলেছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরাইলি সেনারা গাজার ২৭টি হাসপাতাল ও ১২টি ক্লিনিকে অন্তত ১৩৬ বার হামলা চালিয়েছে। আন্তর্জাতিক আইনে এসব হামলার প্রতিটি যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, এসব হামলায় চিকিৎসক, নার্স, মেডিক্যাল স্টাফ, রোগী ও আশ্রয়প্রার্থীরা ব্যাপক মাত্রায় হতাহত হয়েছেন এবং এসব বেসামরিক অবকাঠামোর ভয়াবহ ক্ষতি হয়েছে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর আরো বলেছে, ইসরাইলের এসব হামলায় গাজা উপত্যকার চিকিৎসা সেবা ব্যবস্থা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে। এর ফলে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুবিধা থেকে সেখানকার ২৩ লাখ ফিলিস্তিনি নাগরিক বঞ্চিত হচ্ছেন। উত্তর গাজার কোনো হাসপাতালের আর চিকিৎসা সেবা দেয়ার অবস্থা নেই। এ অবস্থার অবসান ঘটানোর জন্য প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। #

# পার্সটুডে