রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ

নিউজ ডেস্ক..

রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। আজ সোমবার বঙ্গভবনে সেনা প্রধান রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বঙ্গভবন প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বঙ্গভবন থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সেনাবাহিনীর সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এ ছাড়া তিনি দেশব্যাপী আইন-শৃঙ্খলা ও শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখতে সেনাবাহিনীর কার্যক্রমও তুলে ধরেন।

দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষা ও জনগণের জানমালের নিরাপত্তা প্রদানে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি। এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে সাম্প্রতিক বন্যায় বানভাসি মানুষের কাছে ত্রাণ পৌঁছানো এবং দুর্গত এলাকায় উদ্ধারকার্যে সেনাবাহিনীর কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।

 

 

 




ইসলামী আন্দোলন ও বিএনপি’র দুই কর্মীকে পেটালেন যুবলীগ কর্মীরা

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

বরিশালের মুলাদিতে আত্মগোপন থেকে এলাকায় ফিরেই বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলনের দুই কর্মীকে পিটিয়েছেন যুবলীগের কর্মীরা। উপজেলার কাজিরচর ইউনিয়নের দক্ষিণ কাজিরচর গ্রামের তিন যুবলীগ কর্মী ওই এলাকার দুজনকে পিটিয়ে আহত করেন।

রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে দক্ষিণ কাজিরচর রেইন্ট্রিতলায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, দক্ষিণ কাজিরচর গ্রামের ফয়জদ্দিন হাওলাদারের ছেলে ইসলামী আন্দোলনের কর্মী কবির হোসেন হাওলাদার (৫৪) এবং কালু ব্যাপারীর ছেলে বিএনপি কর্মী ইউনুছ ব্যাপারী (৬৫)।

তাঁদের অভিযোগ, একই গ্রামের জব্বার ব্যাপারীর ছেলে সাইফুল ব্যাপারী (৩৫), মালেক ব্যাপারীর ছেলে ইউনুছ ব্যাপারী (৩০) এবং রহিম ব্যাপারীর ছেলে রফিক ব্যাপারী (৪০) হামলা করেছেন। তাঁরা কাজিরচর ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী। গত ৫ আগস্টের পর থেকে তাঁরা আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানান আহত ইউনুছ ব্যাপারী।

গত ৪ আগস্ট চায়ের দোকানে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বলার জের ধরে এ হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ আহতদের। এ ঘটনায় আজ বিকেলে কবির হোসেন হাওলাদার বাদী হয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে মুলাদি থানায় অভিযোগ করেছেন। মুলাদি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকারিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

কবির হোসেন হাওলাদার জানান, গত ৪ আগস্ট সন্ধ্যায় রেইন্ট্রিতলায় একটি চায়ের দোকানে বসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের গুলি করার বিষয়ে প্রতিবাদ করেন। তখন যুবলীগ কর্মী সাইফুল, ইউনুছ ও রফিকের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। ৫ আগস্ট সরকার পতন হলে ওই যুবলীগ কর্মীরা এলাকা থেকে পালান। এক মাসের বেশি সময় আত্মগোপনে থাকার পরে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার ছত্রচ্ছায়ায় ৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় এলাকায় ফেরেন তাঁরা।

আজ কাজে যাওয়ার সময় কবিরের পথরোধ করে মারধর শুরু করেন যুবলীগকর্মীরা। ওই সময় ইউনুছ ব্যাপারী তাঁকে রক্ষা করতে গেলে তাঁকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে আহতদের চিৎকারে পার্শ্ববর্তী লোকজন এসে উদ্ধার করে মুলাদি হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে যুবলীগ কর্মী সাইফুল ব্যাপারী বলেন, প্রায় এক মাস পর এলাকায় ফেরার পরে কবির হাওলাদার কটূক্তি করায় তাঁর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। হামলা কিংবা আহত করা হয়নি।

মুলাদি থানার ওসি মো. জাকারিয়া বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।