স্বাধীন ফিলিস্তিনের পক্ষে পদযাত্রা-সমাবেশ করবে ছাত্রলীগ

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক:

স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে বিশ্বব্যাপী চলমান ছাত্র আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানানো এবং গাজায় নিরীহ মানুষকে হত্যা বন্ধ করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

শনিবার বিকেলে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী সোমবার ফিলিস্তিনের পতাকা উত্তোলন, পদযাত্রা ও ছাত্র সমাবেশ করবে ছাত্রলীগ। এ দিন বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত এই পদযাত্রা চলবে। এরপর সেখানেই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রলীগের সকল সাংগঠনিক ইউনিটের প্রতি নির্দেশনা প্রদান করে বলা হয়, দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একইসেঙ্গ একইসময়ে এই কর্মসূচি পালিত হবে। ন্যায্যতা-ন্যায়-মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে স্বাধীনরাষ্ট্র ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি এবং নিরীহ ফিলিস্তিনিদের উপর পরিচালিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী শিক্ষার্থী সমাজ, শিক্ষক ও সচেতন নাগরিকরা যে আন্দোলনের সূচনা করেছে তার প্রতি সংহতি প্রকাশ করছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ফিলিস্তিনিদের জন্য স্বাধীনরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য বিশ্ব দরবারে সদা-সর্বদা ক্রিয়াশীল একটি রাষ্ট্র। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পররাষ্ট্র নীতির অন্যতম দিক ছিলো ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা অর্জন। একইভাবে তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব মানচিত্রে যে বলিষ্ঠতার সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের অধিকার আদায়ের দাবী উত্থাপন করেছেন তা অতুলনীয় ও অভাবনীয়।

এ ছাড়া এই পদাঙ্ক অনুসরণ করে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ১৯৪ নং রেজুলেশন এবং নিরাপত্তা পরিষদের ২৪২ ও ৩৩৮ নং রেজুলেশনে বর্ণিত দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের মাধ্যমে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে শান্তির প্রতি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের অকুণ্ঠ সমর্থনের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয় এই বিজ্ঞাপ্তিতে।




গাজা আগ্রাসন পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত কোনো চুক্তি হবে না: হামাস

ডিএনবি নিউজ ডেস্ক :

গাজা উপত্যকার ওপর ইসরাইলি গণহত্যামূলক যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধ না করা পর্যন্ত ইহুদিবাদী পণবন্দিদের মুক্তি দেয়ার ব্যাপারে হামাস কোনো চুক্তিতে যাবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে।

স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রুতি ছাড়াই হামাস মিশরের রাজধানী কায়রোয় পণবন্দি মুক্তির ব্যাপারে একটি চুক্তিতে সম্মত হতে যাচ্ছে বলে যখন ইসরাইলি গণমাধ্যগুলোতে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছিল তখন এ হুঁশিয়ারি দিল হামাস।

হামাসের সিনিয়র নেতা হিসাম বাদরান কাতারের নিউজ চ্যানেল আল-জাযিরাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছেন।  তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণের দুঃখ-দুর্দশার অবসানের জন্য হামাস একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ তবে সে চুক্তি যেকোনো মূল্যে হবে না।

হিসাম বাদরান বলেন, ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও তার উগ্র মন্ত্রিসভা কাল্পনিক কিছু অভিযোগ তুলে যুদ্ধবিরতির আলোচনা ভণ্ডুল করার ষড়যন্ত্র করছে। নেতানিয়াহু নিজের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক ভবিষ্যতের স্বার্থে পণবন্দিদের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন।

মিশরের একাধিক সূত্র শনিবার জানিয়েছিল, গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা ও ইসরাইলি পণবন্দি মুক্তির আলোচনায় বেশ খানিকটা অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। সূত্র জানায়, এবারের কায়রো বৈঠক থেকে ভিন্নরকম ফল বেরিয়ে আসতে পারে।

এর আগে মিশরের মধ্যস্থতায় কায়রোয় একাধিকবার বৈঠক হলেও ইসরাইল ও হামাস কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। হামাস বলেছে, স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধ করে গাজা থেকে সকল দখলদার সেনাকে স্থায়ীভাবে প্রত্যাহার, গাজায় অবাধ ত্রাণতৎপরতা জোরদার এবং উত্তর গাজার বাস্তুচ্যুত মানুষদেরকে তাদের ঘরবাড়িতে ফিরে যেতে না দেয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো চুক্তি হবে না।#

পার্সটুডে




রেকর্ড সংখ্যক হাজিদের বরণে প্রস্তুতি নিচ্ছে সৌদি আরব

ডিএনবি নিউজ ডেস্কঃ

এ বছর জুনের মাঝামাঝি সময়ে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। ফলে মে মাসের শেষ সময় থেকেই পবিত্র নগরী মক্কায় ভিড় জমানো শুরু করবেন হজ যাত্রীরা।

আর এ বছর মক্কায় রেকর্ড সংখ্যক ২০ লাখ হাজির সমাগম হতে পারে— এমন ধারণা নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে সৌদি আরব।

সুন্দর ও আরামদায়কভাবে যেন হাজিরা হজ সম্পন্ন করতে পারেন সে বিষয়টি মাথায় রেখে সৌদির সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো যৌথভাবে কাজ করছে।

হজ সংশ্লিষ্ট এজেন্সিগুলো ধারণা করছে, এবারের রমজান মাসে রেকর্ড সংখ্যক ৩ কোটি মানুষ ওমরাহ পালন করার পর— হজেও মুসল্লিদের ঢল নামবে।

সদ্যই বিদায় নেওয়া পবিত্র রমজান মাসে মদিনার মসজিদে নববীতে ৩ কোটি ৩০ লাখ মানুষ নামাজ আদায় করেছিলেন। রমজানে প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আব্দুলআজিজ বিমানবন্দর দিয়ে ৯০ লাখ মানুষ মদিনায় আসেন। হজের আগে ও পরে অনেক মানুষ মদিনায় যান।

এদিকে গত বছর হজ পালন করেছিলেন ১৮ লাখের বেশি মানুষ। করোনা মহামারির কারণে এর আগের তিন বছর নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষকে হজ করার সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু গত বছর সব বিধিনিষেধ তুলে দেওয়া হয়। এতে করে মক্কায় ১৮ লাখের বেশি মানুষ হজ করতে আসেন। যদিও সৌদির কর্মকর্তারা ২৫ লাখ মুসল্লির সমাগম হবে এমন ধারণা করেছিলেন।

তাদের প্রত্যাশা এবার গতবারের তুলনায় আরও বেশি মানুষ হজ করতে আসবেন। আর তাই হজের প্রস্তুতি অনেক আগে থেকেই নেওয়া শুরু হয়েছে।

সূত্র: গালফ নিউজ